রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩

সারাদেশে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
সারাদেশে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

রবিবার (১৬ আগস্ট) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি আঞ্জুমানারা বেগমের সভাপত্বিতে ও সাধারণ সম্পাদক জোৎ¯œাা দত্তের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হেড সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রানা লুইস গাইন, অর্জন ফাউন্ডেশনের পরিচালক মহুয়া মঞ্জুরী, স্বদেশ সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার মো: আজহারুল ইসলাম, মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি শামিমা সুলতানা. সাংগঠনিক সম্পাদক রুপা মিত্র, লিগ্যাল এইড সম্পাদক নাছিমা নাছরিন, ব্রাঞ্চ এক্্িরকিউটিভ মোঃ মফিজুল ইসলামসহ জেলা ও পাড়া কমিটির নেত্রীবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, বাল্যবিবাহ, অনলাইন নিপীড়ন এবং সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে। প্রতিদিন সংবাদপত্র খুললেই দেখা যায় কোনো না কোনো নারী, শিশু কিংবা কিশোরী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র কিংবা রাস্তাঘাট কোথাও নারীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এটি শুধু একজন নারীর সমস্যা নয়, এটি পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য লজ্জার বিষয়।

বাংলাদেশের সংবিধান নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। কিন্তু বাস্তবে আমরা এখনো সেই নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারিনি। তাই আজকের এই মানববন্ধন কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি একটি সামাজিক জাগরণের আহ্বান। আমরা চাই প্রতিটি পরিবারে মানবিক শিক্ষা নিশ্চিত হোক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হোক। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

স্কুল ফিডিংয়ে উপস্থিতি বাড়লেও খাবার বরাদ্দ ৯০ শতাংশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
স্কুল ফিডিংয়ে উপস্থিতি বাড়লেও খাবার বরাদ্দ ৯০ শতাংশের

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: সরকারি ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির প্রভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও ভর্তির আগ্রহ বাড়লেও খাবার বরাদ্দ নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে মোট শিক্ষার্থীর ৯০ শতাংশের জন্য খাবার বরাদ্দ থাকায়, উপস্থিতির হার ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশে পৌঁছালে খাবারে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সব শিক্ষার্থীকে কর্মসূচির শতভাগ আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
যশোরের কেশবপুর, অভয়নগর ও ঝিকরগাছার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, যশোর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা ও নড়াইলের ছয়টি উপজেলায় বর্তমানে ৯১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৬১ জন শিক্ষার্থী এই সুবিধার আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় রয়েছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে—১৯১টি বিদ্যালয়ের ২৫ হাজার ৮১৫ জন। এছাড়া ঝিকরগাছার ১৩১টি বিদ্যালয়ে ২০ হাজার ৪৩৭, কেশবপুরের ১৫৮টি বিদ্যালয়ে ১৯ হাজার ৪৬২, অভয়নগরের ১১৭টি বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৪২, গাংনীর ১৬২টি বিদ্যালয়ে ১৮ হাজার ৩৪৭ এবং কালিয়ার ১৫৬টি বিদ্যালয়ে ১৮ হাজার ৭৫৮ জন শিক্ষার্থী খাবার পাচ্ছে।
কেশবপুরের মজিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদেব কুমার দেবনাথ জানান, কর্মসূচি শুরুর পর উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বেড়েছে। তবে শতভাগ খাবারের বরাদ্দ না থাকায় অনেক সময় খাবার ভাগ করে দিতে হয়।
অভয়নগরের অভিভাবক নাসিমা বেগম বলেন, এই ব্যবস্থার ফলে বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমেছে। যশোর জেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা মো. শাহীনুর রহমান ও ঝিকরগাছার নাগরিক প্রতিনিধি মো. নাজমূল আলম উপস্থিতির সামঞ্জস্য রেখে খাবারের বরাদ্দ বৃদ্ধি ও শতভাগ শিক্ষার্থীকে যুক্ত করার জোর দাবি জানান।
কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের উপপরিচালক শাহিনা পারভীন জানান, প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিয়ম মেনে প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং শতভাগ বরাদ্দের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।
কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের উপস্থিতির হেরফের অনুযায়ী পাশের বিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে খাবার ব্যবস্থাপনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে এটি আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

আশাশুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিখোঁজ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী গ্রামের আমির আলী গাজীর ছেলে বাকপ্রতিবন্ধী আলামিন হোসেন (২৫) নিখোঁজ হয়েছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে কুঁন্দুড়িয়া গ্রামে তাঁর বড় ভাই হোসেন আলীর বাড়ি থেকে নিজেদের বাড়ি শোভনালীর উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
আলামিনের পরনে ছিল লুঙ্গি, কালো শার্ট এবং হাতে ছিল একটি সাদা শপিং ব্যাগ। তাঁর গায়ের রং শ্যামলা ও পরিষ্কার। তিনি অস্পষ্ট ভাষায় কথা বলতে পারেন। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তাঁর সন্ধান পেলে বড় ভাই হোসেন আলীর সাথে মোবাইল নম্বরে (০১৭৭৮-৮৩৩৫৯৫) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

 

 

আশাশুনিতে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

সংবাদদাতা: আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে রবিবার ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের ইউনিয়ন পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা সংস্থা-এর অর্থায়নে, অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার-এর সহযোগিতায় এবং ‘উত্তরণ’-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শরিয়তুল্লাহ। প্রকল্পের নানা দিক তুলে ধরেন উত্তরণের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার মো. আল-আমিন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আশাশুনি সরকারি কলেজের প্রভাষক মাওলানা মো. বাকিবিল্লাহ, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, ইউপি সদস্য মো. আব্দুস সালাম, মো. সিরাজুল ইসলাম, তারকচন্দ্র ম-ল, এস এম তারিকুল আউয়াল ও মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন। উত্তরণের সহকারী প্রকল্প সমন্বয়ক মো. হেদায়েত উল্লাহ মুকুলসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।