শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা

হাম-রুবেলা সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে আগামীকাল ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

এ উপলক্ষ্যে আজ (রবিবার) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সভাকক্ষে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সভায় প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার বলেন, হাম-রুবেলা ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এ রোগ প্রতিরোধ করতে হলে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। প্রতিটি শিশুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ, তারা আমাদের ভবিষ্যৎ। এই ক্যাম্পেইনে কোন শিশু যেন বাদ না পড়ে সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, অনেক শিশু টিকা নিতে ভয় পায়, ভয়ের কিছু নেই। অভিভাবকদের শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। হাম-রুবেলা টিকা প্রদানে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুক্রবারের খুতবাহসহ অন্য নামাজের আগে এব্যাপারে প্রচার করার জন্য ইমামদের প্রতি আহবান জানান বিভাগীয় কমিশনার।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা অংশ নেন। হাম-রুবেলা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মোঃ আরিফ। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সভায় জানানো হয়, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১৬ লাখ ১১ হাজার ৭০২ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগে ১৪ হাজার ৯৩৬টি টিকা কেন্দ্রে দুই হাজার ২৯৪ জন টিকাদানকারী এবং সাত হাজার ৭৫৪ জন ভলান্টিয়ার দায়িত্ব পালন করবে। ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন চলবে।

২০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। যাদের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশু রয়েছে তারা vaxepi.gov.bd  এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইন জন্মনিবন্ধন দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তবে যাদের জন্মনিবন্ধন নেই তারাও রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই টিকা নিতে পারবে।

আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল সাড়ে নয়টায় ফুলবাড়ি গেট বক্ষ্মব্যাধি হাসপাতালে বিভাগীয় পর্যায়ে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। তথ্যবিবরণী

Ads small one

আশাশুনিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌ*ন নি*র্যা*ত*নের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌ*ন নি*র্যা*ত*নের অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে চতুর্থ শ্রেণির ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মো. রবিউল সরদার (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিবরণ জানিয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত মোক্তার আলী সরদারের ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। শিশুটি কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ২৯ নম্বর গুনাকরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে রবিউল সরদার মিষ্টি কথায় শিশুটিকে ভুলিয়ে তাঁর কাঠের দোকানে নিয়ে যান। এরপর দোকানের দরজা ভেতরে থেকে আটকে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় এক নারী বিষয়টি দেখে ফেললেও ভয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে কিছু জানাতে পারেননি।

পরপর দুই দিন ঘটনাটি চেপে রাখার পর ১০ অক্টোবর শনিবার সকালে প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে কথা বলার সময় শিশুটি নিজেই সেই ভয়াবহতার বর্ণনা দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। বেলা ১টার দিকে আশাশুনি থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির দেওয়া তথ্যের সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত রবিউল সরদারকে গ্রেপ্তার করে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান জানান, শিশুটির বাবার এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

আশাশুনির বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনির বিভিন্ন দুর্গাপূজা ম-প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। বিকেলের দিকে তিনি বুধহাটা ও আশপাশের বিভিন্ন পূজাম-প ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনের শুরুতে তিনি বুধহাটা সুবর্ণ বণিকপাড়া পূজাম-প, বুধহাটা কাছারীবাড়ী সার্বজনীন দুর্গাপূজা ম-প, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এবং গোয়ালডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও ম-প পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশের খোঁজখবর নেন। শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পূজাম-প ঘুরে দেখার সময় তিনি প্রতিমা দর্শন করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় এ বছর ৬০৯টি পূজাম-পে পূজা উদযাপিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য জনপদ, যেখানে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে বসবাস করে এবং উৎসবগুলো একত্রে পালন করে। নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, পূজার দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অধিকাংশ পূজাম-পে ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকিগুলোও দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে।

এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিঠুন কুমার সরকার, দেবহাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বায়েজীদ ইসলাম, আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান, থানার সেকেন্ড অফিসার লক্ষণ চন্দ্র দাস এবং বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সেকেন্দার আলীসহ পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের সদস্য ও স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
বুধহাটায় জমি দখল ও ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় জোরপূর্বক জমি দখল ও সেখানে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়ির সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পুকুরে ফেলে দেওয়ারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযুক্ত মিজানুর লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে পুনরায় নির্মাণকাজ চালাতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতায় তিনি এই সুযোগ পেয়েছেন দাবি করে ভুক্তভোগী গত ৮ অক্টোবর আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আদালত আশাশুনি থানাকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, একই এলাকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী অভিযোগ করেন, তিনি সুশীল কর্মকারের নিকট থেকে ১৯৯৭ সালে জমি কিনে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন এবং বাড়ির সীমানায় নিরাপদে গ্রেডবিম নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে অভিযুক্ত মিজানুর লোকজন নিয়ে এসে তাঁর সীমানা প্রাচীরের গ্রেডবিম কেটে পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনায় তিনি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আশাশুনি থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এসআই লিটন কুমার ঘোষ তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

এই ভূমিদস্যুর হাত থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক বা কেনা সম্পত্তি রক্ষায় ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।