বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

আবারও নতুন কুঁড়ি; আবারও নবদিগন্তের সূচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
আবারও নতুন কুঁড়ি; আবারও নবদিগন্তের সূচনা

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের আজকের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। সুনসান এই মাঠ যেন হঠাৎ করেই প্রাণ ফিরে পেয়েছে। গ্যালারিতে উপচে পড়া দর্শক, মাঠজুড়ে খুদে ক্রীড়াবিদদের নানান ইভেন্টের রঙিন উপস্থিতি, আর পুরো আয়োজনজুড়ে উৎসবের আমেজ—সব মিলিয়ে দিনটি পরিণত হয় এক বিশেষ ক্রীড়া উৎসবে।
এই আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়ামে থাকা খুদে খেলোয়াড়রাও ভার্চুয়ালি যুক্ত হয় এই আয়োজনে।

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে ‘নতুন কুঁড়ি’ নামটি একসময় শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের প্রতীক ছিল। ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করা সেই উদ্যোগ পরবর্তীতে অনেক শিল্পী ও প্রতিভাবান ব্যক্তিকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে এনেছিল। এবার সেই পরিচিত নামই ফিরে এসেছে নতুন রূপে—মঞ্চ নয়, মাঠে। শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, যার লক্ষ্য দেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়া তারকাদের খুঁজে বের করা।

এই উদ্বোধনী আয়োজনে দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া বিভাগের ৩২ জন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় অংশ নেন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডিসহ বিভিন্ন খেলার তারকারা এক মঞ্চে উপস্থিত থেকে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৮টি ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে উপজেলা পর্যায় থেকে, যা জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায় পেরিয়ে শেষ হবে চূড়ান্ত পর্বে। ১৩ থেকে ২২ মে পর্যন্ত আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রেজিস্ট্রেশনের পরিসংখ্যানও চমকপ্রদ। মাত্র দুই সপ্তাহে সারাদেশ থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি শিশু-কিশোর অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে ছেলে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি এবং মেয়ে প্রায় ৪৬ হাজার। সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ এসেছে ঢাকা অঞ্চল থেকে এবং সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে।

প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, দাবা ও মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন ইভেন্ট রাখা হয়েছে। খেলাগুলো নকআউট ও সুইস লিগ পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে, যাতে আন্তর্জাতিক মান বজায় থাকে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ শুধু প্রতিযোগিতা নয়—এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রজন্মের ভিত্তি তৈরি করবে।

সিলেট থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা এখন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন আশার বার্তা নিয়ে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ যেন সত্যিই হয়ে উঠছে—নবদিগন্তের সূচনা, যেখানে ফুটে উঠবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ক্রীড়া তারকারা।

Ads small one

ঝাউডাঙ্গায় মাদক মামলার আসামি আব্দুল খালেক আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গায় মাদক মামলার আসামি আব্দুল খালেক আটক

সংবাদদাতা: ঝাউডাঙ্গার মোহনপুর গ্রাম থেকে একাধিক মাদক মামলার আসামি আব্দুল খালেক আটক হয়েছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় পুলিশ তার বাড়িতে এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র, ৫০ পিস ইয়াবা, কয়েক বোতল নেশার ওষুধসহ এক নারীকে আটক করেছেন।

এর আগে সকালে স্থানীয় লোকজন মোহনপুর গ্রামের খালেক এর বাড়িতে অচেনা এক নারীকে ঢুকতে দেখে। এ সময় তারা ঐ নারীকে খালেকের ঘরে দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পেয়ে গ্রামের মাদক নির্মূল কমিটিকে খবর দেয়। মাদক নির্মূল কমিটি এসে তাদেরকে ঘর থেকে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে সদর থানা পুলিশ এসে তার ঘর তল্লাশি করে অস্ত্র, মাদকদ্রব্যসহ আটককৃত ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়।

 

 

 

 

পাইকগাছায় কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন ধ্বস, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি, স্বাস্থ্যসেবা চলছে স্কুলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন ধ্বস, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি, স্বাস্থ্যসেবা চলছে স্কুলে

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের আমুরকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় প্রায় আড়াই বছর আগে সেখানকার স্বাস্থ্যসেবা পাশের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছিল। সম্প্রতি ভবনটি ধসে পড়ায় অবকাঠামোর পাশাপাশি ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী।

দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী উষা মন্ডল জানান, গত সোমবার সকালে ভবনটি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। ভবনের সঙ্গে থাকা বৈদ্যুতিক মিটার, পানির মোটর, পানির ট্যাংক, রাউটারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে গেছে। তাঁর হিসাবে ভবন ও সরঞ্জাম মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে আমুরকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়।

 

অভিযোগ রয়েছে, সমতল জমির পরিবর্তে একটি চিংড়িঘেরের পাশে নিচু জায়গায় কয়েকটি রড ও সিমেন্টের পিলারের ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ক্লিনিকে যাতায়াতের জন্য স্থায়ী কোনো সড়কও ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে সিমেন্ট খসে রড বেরিয়ে আসে। ভবনে ওঠানামার সিঁড়িও ছিল ঝুলন্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরও সেখানে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চলতে থাকে।

 

প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঝুঁকি বেড়ে গেলে পাশের রঙধনু মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আমুরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বাস্থ্যকর্মীকে অন্যত্র কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেন। পরে কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লিনিকের কার্যক্রম আমুরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা আহম্মেদ বিনতে বলেন, “আমি কয়েক মাস আগে এখানে যোগদান করেছি। বিষয়টি জেনেছি, উপজেলার আরও কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেগুলোও পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা এবং নতুন ভবন নির্মাণ বা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনার আগেই ভবনটি পরিত্যক্ত করা হয়েছিল বলেই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেছে। তারা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করে স্থায়ীভাবে স্বাস্থ্যসেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন।

 

 

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মাঠ পর্যায়ের তথ্য অফিসের সাথে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মাঠ পর্যায়ের তথ্য অফিসের সাথে মতবিনিময় সভা

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য মাঠ পর্যায়ের তথ্য অফিসের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) বেলা ৩ টায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সভাকক্ষে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য মাঠ পর্যায়ের ৬৮ তথ্য অফিসের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল জলিল সভাটির সভাপতিত্ব করেন। এ সভায় সদর দপ্তরের পরিচালক (কারিগরি ও প্রশিক্ষণ) মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সৈয়দ এ মু’মেনসহ অধিদপ্তরের সকল উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট সকলে সরাসরি এবং মাঠ পর্যায়ের ৬৮ তথ্য অফিসের অফিস প্রধানগণ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি