বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

সড়কে ইজিবাইক বন্ধ করলে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে: আশাশুনিতে ইজিবাইক মালিক সমিতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
সড়কে ইজিবাইক বন্ধ করলে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে: আশাশুনিতে ইজিবাইক মালিক সমিতি

আশাশুনি প্রতিনিধি: ‎আশাশুনিতে সড়কে ইজিবাইক চলাচল বন্ধ করা হলে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন আশাশুনি উপজেলা সম্মেলিত ইজিবাইক মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

‎বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টায় আশাশুনি-বুধহাটা-চাপড়া ইজিবাইক মালিক সমিতির উদ্যোগে চাপড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রধান সড়কে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে নেতৃবৃন্দ এ ঘোষণা দেন।

‎চাপড়া ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি ইলিয়াস সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ। অন্যনোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বুধহাটা ইজি বাইক মালিক সমিতির সভাপতি মতিকুল ইসলাম, আশাশুনি ইজিবাইক মালিক সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম, আব্দুল আলিম, জিয়ারুল ইসলাম, আজিজুল, সিরাজুল, আরিফ, হাবিবুর, ইকবল, আলম, রবিউল, আব্দুল্লাহ, সাইফুল্লাহ, তামিম, আজাদ, আলতাফ, বুলবুল, রাজ্জাকসহ প্রায় দুই শতাধিক ইজিবাইক মালিক ও চালক উপস্থিত ছিলেন।

‎এসময় বুধহাটা ইজি বাইক মালিক সমিতির সভাপতি মতিকুল ইসলাম বলেন সাতক্ষীরা পৌরসভায় যানজট নিরসনের স্বার্থে পৌর এলাকায় উপজেলার ইজিবাইক চলাচলে নিষেধ করছে পৌর প্রশাসন, আমরা সেটা মেনে নিয়েছি কিন্তু উপজেলার সাথে জেলা সদরের সড়কে আমাদের চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমরা বহুবার অনুরোধ করেছি হয়রানি না করার জন্য কিন্তু বাস মালিক সমিতির লোকজন আমাদের কথা রাখছেন না। সেকারণেই আমরাও আজ থেকে স্পষ্ট ভাবে ঘোষণা দিচ্ছি যদি পৌরসভার বাহিরে ইজিবাইক চলাচলে বাঁধা দেওয়া হয় বা বন্ধ করা হয় তাহলে সড়কে বাস চলাচলে বাঁধা দেওয়া বা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশাশুনি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ বলেন, ইজিবাইক চালকদের পরিবার আছে তাদের রুটি-রুজি আসে ইজিবাইক চালিয়ে সুতরাং তাদের চলাচল করতে বাঁধা না দিয়ে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। জোর পূর্বক কোন কিছু চাপিয়ে দিয়ে সড়কে ইজিবাইক বন্ধ করে তাদের পেটে লাথি মারা অধিকার কারও নেই।
‎তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইজিবাইক চালকদের পরিবারের কথা চিন্তা করে তাদেরকে সুযোগ না দিলে তাদের পক্ষে আমরা কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবো।

Ads small one

পাইকগাছায় কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন ধ্বস, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি, স্বাস্থ্যসেবা চলছে স্কুলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন ধ্বস, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি, স্বাস্থ্যসেবা চলছে স্কুলে

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের আমুরকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় প্রায় আড়াই বছর আগে সেখানকার স্বাস্থ্যসেবা পাশের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্থানান্তর করা হয়েছিল। সম্প্রতি ভবনটি ধসে পড়ায় অবকাঠামোর পাশাপাশি ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী।

দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী উষা মন্ডল জানান, গত সোমবার সকালে ভবনটি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। ভবনের সঙ্গে থাকা বৈদ্যুতিক মিটার, পানির মোটর, পানির ট্যাংক, রাউটারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে গেছে। তাঁর হিসাবে ভবন ও সরঞ্জাম মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে আমুরকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকটি নির্মাণ করা হয়।

 

অভিযোগ রয়েছে, সমতল জমির পরিবর্তে একটি চিংড়িঘেরের পাশে নিচু জায়গায় কয়েকটি রড ও সিমেন্টের পিলারের ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ক্লিনিকে যাতায়াতের জন্য স্থায়ী কোনো সড়কও ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে সিমেন্ট খসে রড বেরিয়ে আসে। ভবনে ওঠানামার সিঁড়িও ছিল ঝুলন্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরও সেখানে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চলতে থাকে।

 

প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর ধরে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঝুঁকি বেড়ে গেলে পাশের রঙধনু মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আমুরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বাস্থ্যকর্মীকে অন্যত্র কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেন। পরে কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লিনিকের কার্যক্রম আমুরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা আহম্মেদ বিনতে বলেন, “আমি কয়েক মাস আগে এখানে যোগদান করেছি। বিষয়টি জেনেছি, উপজেলার আরও কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেগুলোও পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা এবং নতুন ভবন নির্মাণ বা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনার আগেই ভবনটি পরিত্যক্ত করা হয়েছিল বলেই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেছে। তারা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করে স্থায়ীভাবে স্বাস্থ্যসেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন।

 

 

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মাঠ পর্যায়ের তথ্য অফিসের সাথে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মাঠ পর্যায়ের তথ্য অফিসের সাথে মতবিনিময় সভা

দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য মাঠ পর্যায়ের তথ্য অফিসের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) বেলা ৩ টায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সভাকক্ষে দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য মাঠ পর্যায়ের ৬৮ তথ্য অফিসের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আবদুল জলিল সভাটির সভাপতিত্ব করেন। এ সভায় সদর দপ্তরের পরিচালক (কারিগরি ও প্রশিক্ষণ) মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সৈয়দ এ মু’মেনসহ অধিদপ্তরের সকল উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট সকলে সরাসরি এবং মাঠ পর্যায়ের ৬৮ তথ্য অফিসের অফিস প্রধানগণ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

সাতক্ষীরায় পেশাজীবী চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পেশাজীবী চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

পত্রদূত ডেস্ক: সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা এবং পেশাজীবী গাড়ি চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে একটি বিশেষ রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখ বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পেশাজীবী চালকরা অংশগ্রহণ করেন।

বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমানের নির্দেশনায় এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল চালকদের মধ্যে দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং সড়ক নিরাপত্তার আধুনিক কলাকৌশল সম্পর্কে তাদের সম্যক ধারণা প্রদান করা।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক, যেখানে দুর্ঘটনা রোধে চালকদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেওয়া চালকরা তাদের দৈনন্দিন কর্মক্ষেত্রে সম্মুখীন হওয়া বিভিন্ন প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন। অনেক চালক অভিযোগ করেন যে, অনেক সময় যান্ত্রিক ত্রুটি এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহনের চাপের কারণে তারা নির্ধারিত নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে হিমশিম খান।

তবে বিআরটিএ কর্মকর্তাদের মতে, অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনার নেপথ্যে থাকে চালকদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং ট্রাফিক সাইন সম্পর্কে অজ্ঞতা।

প্রধান প্রশিক্ষক বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, একজন দক্ষ চালকই পারে সড়কের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে। তিনি পেশাজীবী চালকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, লাইসেন্স থাকা আর দক্ষ হওয়া এক বিষয় নয়, বরং প্রতিটি ট্রিপে সতর্ক থাকা এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলাই একজন সচেতন চালকের মূল পরিচয়। চালকদের এই বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কর্মশালায় নিরাপদ ওভারটেকিং, গতি নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

কর্মশালায় বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী উসমান সরওয়ার আলম এবং উচ্চমান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে চালকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি চালকদের পেশাদারিত্বের মানদন্ড বজায় রাখার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের ফলে চালকদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মানার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং এটি সড়ক শৃঙ্খলা ফেরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিআরটিএ প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে এবং যারা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

পরিশেষে, পেশাজীবী চালকদের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা সাতক্ষীরায় সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনা একটি জাতীয় সংকট হিসেবে বিবেচিত হওয়ায়, চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে কেবল প্রশিক্ষণ নয়, বরং চালকদের মানসিকতা পরিবর্তন এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে অকাল মৃত্যুর মিছিল কমাতে। সাধারণ মানুষের নির্বিঘœ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই ধারাবাহিক তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম আগামী দিনেও অব্যাহত রাখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।