শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

একজন প্রধান শিক্ষকের প্রচেষ্ঠায় বদলে গেল কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
একজন প্রধান শিক্ষকের প্রচেষ্ঠায় বদলে গেল কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বর্তমানে এক আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমানের সুদক্ষ পরিচালনা, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে এক মনোরম ও সুন্দর পরিবেশে গড়ে উঠছে স্কুলটি। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি এখন এলাকায় রোল মডেল।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি আনন্দঘন ও ভীতিহীন পরিবেশ। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মানুবর্তিতা, নৈতিকতা এবং সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল জানান, বর্তমান প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের সার্বিক চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তাঁর চমৎকার প্রশাসনিক দক্ষতা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে দিন দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনেও বিশেষ ভূমিকা রাখছেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যতের ভিত্তি। আমরা কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এমন একটি সুন্দর পরিবেশে রূপান্তর করার চেষ্টা করছি, যেখানে শিশুরা আনন্দের সাথে শিখতে পারে। সকল শিক্ষকের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় আমরা বিদ্যালয়টিকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।”

একটি আদর্শ ও সুন্দর পরিবেশে কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার এই কারিগর ও তাঁর প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে-এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় এলাকাবাসীর। সংবাদদাতা জুলফিকার আলী

 

Ads small one

দেবহাটায় শামীম হত্যা: ভিডিও ফুটেজে শনাক্তের দাবি, ছয় দিনে নতুন গ্রেপ্তার নেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শামীম হত্যা: ভিডিও ফুটেজে শনাক্তের দাবি, ছয় দিনে নতুন গ্রেপ্তার নেই

পত্রদূত ডেস্ক: দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের বড়শান্তা গ্রামের শামছুর রহমান সানার ছেলে ওয়াহেদুজ্জামান সানা ওরফে শামীমকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১০জন আসামির মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ গত ১৭ অক্টোবর মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার হন। এরপর ছয় দিন অতিবাহিত হলেও নতুন করে কোনো আসামি গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাড়িতে হামলা এবং ১৪ অক্টোবর কুলিয়া বাজারের ডা. এম. এ সবুরের ক্লিনিক ও সখীপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শামীমের ওপর হামলার কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে ঘাতকদের পরিচয় শনাক্তের দাবি উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে গ্রেপ্তার এড়িয়ে চলছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার বিকেলে নিহত ওয়াহেদুজ্জামানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর বসতঘরের জানালা থেকে প্রতিবেশী আবুল কাশেমের বাড়ির জানালার দূরত্ব চার থেকে পাঁচ হাত। ফলে এক বাড়ি থেকে জোরে কথা বললে অন্য বাড়ির জানালা দিয়ে তা মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা সম্ভব বলে স্থানীয়দের ধারণা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবুল কাশেমের মেয়ে মুসলীর সঙ্গে উত্তর পারুলিয়ার গোলাম মোস্তফার বিয়ে হলেও তাঁরা ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করেন। নাজিরের ঘেরের নুরুজ্জামানের ছেলে মাসুদকে আবুল কাশেমের ছেলে হোসেন আলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন তাঁরা। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৩ অক্টোবর বিকেলে স্ত্রী নাজমা খাতুনের সঙ্গে বিরোধের পর ওয়াহেদুজ্জামানকে জানালা দিয়ে উসকানিমূলক কথা বলতে প্ররোচিত করা হয় এবং তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। পরে ওই অডিও পারুলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি কামরুল গাজীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর অডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পরবর্তী সময়ে সেখানে পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি সাদিকুল ইসলাম, মোক্তার হোসেন খান, ইয়াছিন আলী ও নাজিরের ঘেরের আসাদুল ইসলামসহ কয়েকজন উপস্থিত হন বলে স্থানীয়রা জানান। তাঁদের অভিযোগ, কামরুল গাজীর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি ওয়াহেদুজ্জামান শামীমের বাড়ির কলাপসিবল গেট ভাঙচুর করেন। পরবর্তীতে কুলিয়া বাজারের ডা. এম.এ সবুরের ক্লিনিক ও সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ওয়াহেদুজ্জামানের ওপর হামলার ঘটনায় দক্ষিণ পারুলিয়ার ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলচালক ফজলুল হক আমিনী, পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি সাদিকুল ইসলাম, কুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম ভদো এবং জামায়াত নেতা মাহাবুবুল আলমের ছেলে মাসুদ আল আযমের নাম উল্লেখ করেন স্থানীয়রা।

এ ছাড়া নিশ্চিন্তপুরের জাহাঙ্গীরের ছেলে আজাহারুল ইসলাম, শফিকুলের ছেলে নাজমুল হোসেন, দক্ষিণ পারুলিয়ার গাজীবাড়ির চা বিক্রেতা মজিদের ছেলে মাসুম, জেলেপাড়া মন্দিরের পাশে বসবাসকারী আমিরুলের ছেলে জাব্বির আকরাম, কদবেলতলার শরিফুল, নুরুন্নবী ও খায়রুলসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

মামলার বাদী আব্দুল জলিল জানান, ১৮ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নতুন করে কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তাঁর ভাই ওয়াহেদুজ্জামান হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনীসহ অভিযুক্তদের পক্ষে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেবহাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন জানান, মামলাটি স্পর্শকাতর। ভিডিও ফুটেজ যাচাই, মোবাইল ফোনের সূত্র এবং হামলার সময় উপস্থিত স্থানীয় লোকজন, পুলিশ সদস্য ও আনসার সদস্যদের বক্তব্য যাচাই করে আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে সম্ভাব্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন বলে জানান তিনি।

ফুটবল খেলতে গিয়ে আঙুল ভেঙে আহত ছাত্রদল নেতা রিয়াদ, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
ফুটবল খেলতে গিয়ে আঙুল ভেঙে আহত ছাত্রদল নেতা রিয়াদ, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহযোদ্ধা ও স্নেহের ছোট ভাই নাজমুস সাদত রিয়াদ ফুটবল খেলতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। খেলায় তাঁর পায়ের একটি আঙুল ভেঙে যায়।

পরবর্তীতে তাঁকে সাতক্ষীরা ট্রমা সেন্টার ক্লিনিকের ৫০২ নম্বর কক্ষে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক ডা. হাফিজুল্লাহর তত্ত্বাবধানে তাঁর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি ওই ক্লিনিকেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদল পরিবারের পক্ষ থেকে প্রিয় সহযোদ্ধা রিয়াদের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করা হয়েছে এবং তাঁর আশু আরোগ্যের জন্য সকলের কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

তালায় ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস উদযাপিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
তালায় ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় ‘২৩ অক্টোবর ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তালা প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস.এম. নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ইমাম ও তালা উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা তাওহীদুর রহমান। তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি সাংবাদিক এস.এম. জাহাঙ্গীর হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সেনাসদস্য গাজী আব্দুল জলিল; সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর কাউয়ুম ইসলাম ডাবলু; সাংগঠনিক সম্পাদক বি.এম. বাবলুর রহমান; তালা সদর ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী; ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রহমান শেখ; খলিলনগর জাতীয় পার্টির নেতা মো. আইয়ুব আলী মোড়ল; যুবসংহতি নেতা নেয়ামত আলী মোড়ল ও বাহারুল ইসলাম মোড়ল এবং উপজেলা জাতীয় ছাত্রসমাজের সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম. হাসান আলী বাচ্চু। এ সময় জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা ঐতিহাসিক উপজেলা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে স্থানীয় উন্নয়ন, গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভা শেষে মাওলানা তাওহীদুর রহমানের পরিচালনায় মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।