সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কলারোয়ায় চুমকিখচিত দুর্গাপ্রতিমা: দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় চুমকিখচিত দুর্গাপ্রতিমা: দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু

0-4024x1784-0-0-{}-0-12#bokehtype:0#;ts:198369938942000;appts:1791785407044;qlty:1;;illum:2 scene:1 humanIn:0;

কলারোয়া প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজায় নতুনত্ব ও নান্দনিকতার ছোঁয়া দিতে কলারোয়া পৌরসভার দক্ষিণ মুরারিকাটি কাঠের পুলসংলগ্ন পূজাম-পে এবার তৈরি করা হয়েছে চুমকিখচিত দুর্গাপ্রতিমা। রঙিন চুমকির ঝলমলে কারুকাজে সজ্জিত প্রতিমা ইতোমধ্যে উপজেলার অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। উত্তর মুরারিকাটি পালপাড়ার সাদা তিলে নির্মিত প্রতিমার পাশাপাশি দক্ষিণ মুরারিকাটির চুমকিখচিত প্রতিমাও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ছে।

ম-পের প্রতিটি প্রতিমায় চুমকি বসিয়ে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতের আলোর রোশনাইয়ে চুমকির ঝিলিক প্রতিমাগুলোকে করে তুলছে আরও অপরূপ ও দৃষ্টিনন্দন। এর আগে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম দক্ষিণ মুরারিকাটির এই চুমকিখচিত পূজাম-প পরিদর্শন করেন।

ম-প কমিটির সভাপতি নির্মল ম-ল জানান, প্রতিবছরের চেয়ে এবার ব্যতিক্রম কিছু করার চিন্তা থেকেই দুর্গাপ্রতিমায় চুমকি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যশোর থেকে প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে মোট ১২ কেজি চুমকি কেনা হয়েছে। এতে চুমকি কিনতেই ব্যয় হয়েছে ১৯ হাজার ২০০ টাকা।

তিনি আরও জানান, আশাশুনির ভাস্কর সঞ্জয় ম-ল নিজের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় প্রতিটি প্রতিমায় চুমকি বসানোর পাশাপাশি রঙের কাজও সম্পন্ন করেছেন। তাঁর নিবিড় প্রচেষ্টায় প্রতিমাগুলো পেয়েছে অনন্য শৈল্পিক রূপ। ম-প কমিটির উদ্যোগে এবারই প্রথম বিশেষভাবে চুমকি বসিয়ে প্রতিমা নির্মাণ করা হয়েছে। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই নান্দনিক শিল্পকর্ম।
ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে নির্মিত দক্ষিণ মুরারিকাটির এই চুমকিখচিত দুর্গাপ্রতিমা এবারের শারদীয় উৎসবে কলারোয়ার পূজাম-পগুলোর মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। সোমবার দুপুরে কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপকালে নির্মল ম-ল ও অনিমেষ পাল জানান, প্রতিবারই পূজার সময় তাঁদের ম-পসহ আশপাশের ম-পে বিপুল পরিমাণ দর্শনার্থী আসেন। কিন্তু তাঁদের ম-পসংলগ্ন বেত্রবতী নদীর কাঠের সাঁকোটি নড়বড়ে ও অপ্রশস্ত হওয়ায় মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। এ অবস্থায় সাঁকোটির স্থলে একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কলারোয়া উপজেলা শাখার সভাপতি প্রকাশ চন্দ্র হালদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাস দেবু দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি ও পরিবেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবার উপজেলার ৪৬টি ম-পে দুর্গাপূজা উদযাপিত হতে যাচ্ছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি দাবি করে তাঁরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো থাকায় পূজাম-পে নিরাপত্তা সমুন্নত থাকবে। তাঁরা মুরারিকাটি উত্তর ও দক্ষিণÑউভয় ম-পের বিশেষ প্রতিমা নির্মাণের ক্ষেত্রে আয়োজক কমিটিকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। সর্বোপরি আপামর মানুষের প্রাণঢালা ভালোবাসায় আনন্দঘন পরিবেশে এবার দুর্গোৎসব উদযাপিত হতে যাচ্ছেÑএমনটি মনে করেন কলারোয়া উপজেলা কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।

Ads small one

জিএম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সাতক্ষীরা জাতীয় পার্টির উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
জিএম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সাতক্ষীরা জাতীয় পার্টির উদ্বেগ

সংবাদদাতা: রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে জাপা চেয়ারম্যানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে একদল ব্যক্তি উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ আজহার হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি সাংবাদিক এসএম নজরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম সরদার, সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বাবু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তপন, সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান বিপুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শাখাওয়াতুল করিম (পিটুল), সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম হোসেন খান বাপ্পি, কোষাধ্যক্ষ আশরাফ আলী এবং পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুস সাদেক।

এ ছাড়া বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক ফিরোজ ও সদস্যসচিব কমল বিশ্বাস, জেলা যুব সংহতির সভাপতি আশিকুর রহমান বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি ও সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কায়ছারুজ্জামান হিমেল, জাতীয় তরুণ পার্টির সভাপতি আবু ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের। জাতীয় ছাত্র সমাজের সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আশরাফুজ্জামান রকি ও সাধারণ সম্পাদক কায়মুজ্জামান পাভেল, সদর উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি মো. বদরুজ্জামান বদু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, পৌর যুব সংহতির সভাপতি নাহিদ সুলতান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন বনি এবং সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি সাকিব জামান দীপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক তৌফিক বিল্লাহসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আশাশুনি, দেবহাটা, তালা ও কেশবপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনি, দেবহাটা, তালা ও কেশবপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত

পত্রদূত ডেস্ক: ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’Ñএই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সাতক্ষীরার আশাশুনি, দেবহাটা, তালা এবং যশোরের কেশবপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে।

আশাশুনি: সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ট্রেইনার বিল্লাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রুমা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী সাদিয়া নওশীদ ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মরিয়ম সিকদারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

 

Oplus_131072

দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি র‌্যালি শেষে দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউশন হাইস্কুল মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল এতে সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবহাটা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আল আমিন, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম প্রমুখ। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 


তালা: তালা উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে সকালে উপ-শহরে একটি র‌্যালি বের করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিচালক নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর মো. ইমান উদ্দীন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাবিহা নাসরিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ও তথ্য আপা প্রকল্পের মুক্তি ঘোষ প্রমুখ। সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে উপজেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

 


উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রূপালী রানীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন। সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন-উর রশীদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কেশবপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আদ্রিতা সিকদার, মাহজাবিন তাশফিয়া, সানজি দাস ও অংকিতা বিশ্বাস বক্তব্য দেয়।

 

পাটকেলঘাটার সমাজসেবক আনন্দ মোহন সাধুর পরলোকগমন: সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটার সমাজসেবক আনন্দ মোহন সাধুর পরলোকগমন: সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটার টাটা গ্রুপ কেয়ার কোম্পানির স্বত্বাধিকারী কেশব কুমার সাধুর শ্রদ্ধেয় বাবা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আনন্দ মোহন সাধু বার্ধক্যজনিত কারণে পরলোকগমন করেছেন। সোমবার সকাল সাড়ে সাতটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আনন্দ মোহন সাধু দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। রবিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তিনি পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে ৯২ বছর বয়স হলেও তিনি অত্যন্ত সজাগ স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন ও একজন শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি হিসেবে সর্বজনবিদিত ছিলেন। তিনি পাঁচ ছেলে ও পাঁচ মেয়ে রেখে গেছেন।

সোমবার দুপুর ১২টায় পাটকেলঘাটার কেশব লাল মহাশ্মশানে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর শেষকৃত্যানুষ্ঠান ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এদিকে আনন্দ মোহন সাধুর প্রয়াণে তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ব্যবসায়ী সমাজ ও স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা বাজারে মাইকিং করা হয়।

তাঁর প্রয়াণে তালা উপজেলা ক্লাব, পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতি এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার পরম শান্তি কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
শেষকৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তালা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ গোলাম মোস্তফা, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক গোলাম রব্বানী, সরুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান হাফিজ, আব্দুল রকিব সরদার, চিকিৎসক মামুনুর রহমান, মোহাম্মদ মুজিবর সরদার, আইনজীবী হুমায়ুনসহ স্থানীয় ইউনিয়ন, থানা ও জেলাসহ বিভিন্ন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।