মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

জুম্মার নামাজের পর বিভিন্নস্থানে মুসুল্লীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
জুম্মার নামাজের পর বিভিন্নস্থানে মুসুল্লীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

পত্রদূত রিপোর্ট: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন, বাড়িঘর ভাঙচুর, মসজিদে অগ্নিসংযোগ ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার অভিযোগ এনে সাতক্ষীরা সদর, তালা, পাটকেলঘাটা, কলারোয়াসহ বিভিন্নস্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব মিছিল সমাবেশের বক্তারা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো মানবাধিকার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য অশনিসংকেত। পশ্চিমবঙ্গে শুধু মুসলমানরাই নয়, বিরোধী মতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও নানা নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন বলে বক্তারা অভিযোগ করেন।

সংবাদদাতা জানান, শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ২ টায় সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেট চত্বরে সম্মিলিত ইসলামী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শেষে বিক্ষোভ মিছিল শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে জাতীয় ইমাম সমিতির সাতক্ষীরার সভাপতি মাওলানা মো. আব্দুর রশিদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় ইমাম সমিতির সাতক্ষীরার সেক্রেটারী হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, পৌর সভাপতি মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী, হাফেজ কারী সাঈদুর রহমান, মুফতি বাকি বিল্লাহ, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন হুজায়ফী, সদর উপজেলা ইমাম সমিতির সেক্রেটারী হাফেজ ওয়াহিদুজ্জামান প্রমুখ। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমুন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন বিক্ষোভকারীরা।

তালা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মিলিত ইসলামী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে পুরাতন ফুটবল মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাকবাংলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে সেখানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় মোঃ অহিদুজ্জামান রিপনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কবিরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা সাইফুল্লাহ আজাদী, মাওলানা আব্দুস সালাম ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল হামিদ।

শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন তালা উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা তাওহীদুর রহমান।


কলারোয়া থেকে আরিফ মাহমুদ জানান, শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজ শেষে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি, আইম্মায়ে মাসাজিদ ও সর্বস্তরের মুসল্লিদের ব্যানারে আয়োজিত এ মিছিলে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মিছিলটি কলারোয়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

কলারোয়া উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি ও কলারোয়া থানা জামে মসজিদের খতিব মুহা. আসাদুজ্জামান ফারুকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা মো. ওসমান গনী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আহম্মদ আলী, কলারোয়া আল মাদানী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ইমাম হাসান নাসেরী, নতুন বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. রুহুল কুদ্দুস, কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. তৌহিদুর রহমান, কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আবুল হোসেন, হাতিয়াভাঙ্গা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম সমিতির সহকারী সেক্রেটারি ও কলারোয়া উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মো. খাইরুল ইসলাম।

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি জানান, পাটকেলঘাটায় ইমাম মাশায়েকের উদ্দ্যোগে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাটকেলঘাটার প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ র‌্যালি শেষে পাটকেলঘাটা পাঁচ রাস্তার মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলাফত মজলিসের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি পাটকেলঘাটা কওমিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার মহা তামিম মুফতি মাওলানা মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশের বক্তব্য রাখেন পাটকেলঘাটা থানা ইমাম পরিষদের সভাপতি মালানা রেজাউল করিম, যুগিপুকুরিয়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাহমুদুল হক প্রমুখ।

Ads small one

ধুলিহরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে চেতনা দিয়ে সকলকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
ধুলিহরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে চেতনা দিয়ে সকলকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট

‎নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ সর্বস্ব লুট করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার দিবাগত রাতে ধূলিহর সরদারবাড়ি এলাকার মুদি ব্যবসায়ী আশরাফুল আলম খোকনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—ব্রহ্মরাজপুর বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী শেখ রবিউল আলম (পুটু), তাঁর ছেলে আশরাফুল আলম খোকনসহ পরিবারের চার সদস্য।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা ঘরের ভেতরে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। পরে তারা ঘরে থাকা নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা, স্বর্ণের গহনা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে খোঁজ নিতে যান। এ সময় তাঁরা ঘরের দরজা ভাঙা ও আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান এবং পরিবারের চার সদস্যকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

পরে স্থানীয় গ্রাম চিকিৎসক বিকাশ দেবনাথকে ডেকে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, আশরাফুল আলমের মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে সাতক্ষীরা ইসলামী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। বাকিদের জ্ঞান ফিরেছে বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে স্থানীয় সুপারিঘাটা পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, অপরাধীরা সমাজ ও দেশের শত্রু। এই চক্রটিকে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আশাশুনিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নৈকাটি এলাকায় ভূগর্ভ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে এই কার্যক্রম বন্ধ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নৈকাটি উত্তরপাড়ার একটি মৎস্য ঘের থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিলেন গোদাড়া গ্রামের সাগর হোসেন। এতে আশপাশের জমি ও পরিবেশ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। এলাকাবাসী বিষয়টি ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডুকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

বুধহাটা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জানান, নির্দেশ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু উত্তোলনের মেশিন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এটি পরিবেশের জন্য বড় অপরাধ। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ: গণপিটুনি থেকে বাঁচাতে অভিযুক্ত কিশোরকে থানায় সোপর্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ: গণপিটুনি থেকে বাঁচাতে অভিযুক্ত কিশোরকে থানায় সোপর্দ

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এদিকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচাতে অভিযুক্ত কিশোরকে কালিগঞ্জের নলতা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে এনে মঙ্গলবার বিকেলে থানায় সোপর্দ করেছেন স্বজনেরা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার বিকেলে বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল ওই শিশু। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে প্রতিবেশী ওই মাদ্রাসাছাত্র খাবার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়ির ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে নিচে নামিয়ে আনার সময় স্থানীয় এক নারী বিষয়টি দেখে ফেললে শিশুটি চিৎকার করে। এ সময় অভিযুক্ত কিশোর পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় ওই রাতেই শিশুটিকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এবং পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সুদেষ্ণা সরকার জানান, শিশুটির যৌনাঙ্গে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং রক্তক্ষরণ হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর অভিযুক্ত কিশোর কালিগঞ্জে পালিয়ে গিয়েছিল। ক্ষুব্ধ জনগণের হাত থেকে তাকে রক্ষা করতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে পরামর্শ করে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

তবে আদালত চত্বরে অভিযুক্ত কিশোর নিজের ভুল স্বীকার করে জানায়, মানুষের মারধরের ভয়ে সে ইউপি সদস্যের সঙ্গে এসে থানায় ধরা দিয়েছে। পুলিশ তাকে ব্যাংদহা বাজার থেকে গ্রেপ্তারের যে দাবি করছে, তা সঠিক নয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক সুশান্ত কুমার ঘোষ জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর আসামিকে মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ব্যাংদহা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশু সুস্থ হলে তার জবানবন্দি ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. মঈনুদ্দিন জানান, অভিযুক্ত কিশোরকে মঙ্গলবার বিকেলে সাতক্ষীরা শিশু আদালতে হাজির করা হলে বিচারক (জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ) তাকে যশোরের পুলেরহাট শিশু ও কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।