বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

জুম্মার নামাজের পর বিভিন্নস্থানে মুসুল্লীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
জুম্মার নামাজের পর বিভিন্নস্থানে মুসুল্লীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

পত্রদূত রিপোর্ট: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন, বাড়িঘর ভাঙচুর, মসজিদে অগ্নিসংযোগ ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার অভিযোগ এনে সাতক্ষীরা সদর, তালা, পাটকেলঘাটা, কলারোয়াসহ বিভিন্নস্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব মিছিল সমাবেশের বক্তারা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো মানবাধিকার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য অশনিসংকেত। পশ্চিমবঙ্গে শুধু মুসলমানরাই নয়, বিরোধী মতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও নানা নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন বলে বক্তারা অভিযোগ করেন।

সংবাদদাতা জানান, শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ২ টায় সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেট চত্বরে সম্মিলিত ইসলামী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শেষে বিক্ষোভ মিছিল শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে জাতীয় ইমাম সমিতির সাতক্ষীরার সভাপতি মাওলানা মো. আব্দুর রশিদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় ইমাম সমিতির সাতক্ষীরার সেক্রেটারী হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, পৌর সভাপতি মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী, হাফেজ কারী সাঈদুর রহমান, মুফতি বাকি বিল্লাহ, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন হুজায়ফী, সদর উপজেলা ইমাম সমিতির সেক্রেটারী হাফেজ ওয়াহিদুজ্জামান প্রমুখ। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমুন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন বিক্ষোভকারীরা।

তালা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মিলিত ইসলামী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে পুরাতন ফুটবল মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাকবাংলা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে সেখানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় মোঃ অহিদুজ্জামান রিপনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কবিরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা সাইফুল্লাহ আজাদী, মাওলানা আব্দুস সালাম ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল হামিদ।

শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন তালা উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা তাওহীদুর রহমান।


কলারোয়া থেকে আরিফ মাহমুদ জানান, শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজ শেষে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি, আইম্মায়ে মাসাজিদ ও সর্বস্তরের মুসল্লিদের ব্যানারে আয়োজিত এ মিছিলে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মিছিলটি কলারোয়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

কলারোয়া উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি ও কলারোয়া থানা জামে মসজিদের খতিব মুহা. আসাদুজ্জামান ফারুকীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা মো. ওসমান গনী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আহম্মদ আলী, কলারোয়া আল মাদানী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ইমাম হাসান নাসেরী, নতুন বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. রুহুল কুদ্দুস, কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. তৌহিদুর রহমান, কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আবুল হোসেন, হাতিয়াভাঙ্গা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম সমিতির সহকারী সেক্রেটারি ও কলারোয়া উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মো. খাইরুল ইসলাম।

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি জানান, পাটকেলঘাটায় ইমাম মাশায়েকের উদ্দ্যোগে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাটকেলঘাটার প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ র‌্যালি শেষে পাটকেলঘাটা পাঁচ রাস্তার মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলাফত মজলিসের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি পাটকেলঘাটা কওমিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার মহা তামিম মুফতি মাওলানা মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশের বক্তব্য রাখেন পাটকেলঘাটা থানা ইমাম পরিষদের সভাপতি মালানা রেজাউল করিম, যুগিপুকুরিয়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাহমুদুল হক প্রমুখ।

Ads small one

মেজাজ হারালেন কারিনা, পাপারাজ্জিরা বলছেন ‘জয়া বচ্চনের বোন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
মেজাজ হারালেন কারিনা, পাপারাজ্জিরা বলছেন ‘জয়া বচ্চনের বোন’

‘দায়রা’র ট্রেলার লঞ্চে মেজাজ হারালেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। সে সময় পাপারাজ্জিদের ওপর চরম বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। অনেকেই কারিনার এমন আচরণকে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সঙ্গে তুলনা করেন।

কারিনা কাপুরের সিনেমা ‘দায়রা’র ট্রেলার লঞ্চের কয়েকটি ক্লিপিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সেখানে দেখা যায়, পাপারাজ্জিরা কারিনাকে নানান ভঙ্গিমায় পোজ দেওয়ার আবদার করেন। প্যাপেদের অনুরোধে কয়েকবার এদিক থেকে ওদিক গিয়ে ক্যামেরার পোজও দেন তিনি। বেশ কয়েকটি অ্যাঙ্গেলে ছবি তোলার পর কারিনার চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ দেখা যায়।

একটা সময় ধৈর্য হারিয়ে জুতোর দিকে ইশারা করেন তিনি। পাপারাজ্জিদের বোঝাতে চেয়েছিলেন, হিল পরেছেন। তাই এত হাঁটাহাঁটি করা সম্ভব হচ্ছে না। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে বেবো বলছেন, ‘হিলস পরেছি।’ এরপরও কয়েকজন ছবিশিকারি কারিনার আরও কিছু ছবি তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান।

‘পুষ্পা ২’-এ নারীর বেশ, কেন এমন ঝুঁকি নিয়েছিলেন আল্লু অর্জুন‘পুষ্পা ২’-এ নারীর বেশ, কেন এমন ঝুঁকি নিয়েছিলেন আল্লু অর্জুন
বারবার জায়গা বদলানোর পরামর্শ দিতে থাকলে মেজাজ হারান কারিনা। সুর চড়িয়ে বলে ওঠেন, ‘কখনও এদিকে কখনও ওদিকে, হিলস পরেছি।’ ভিডিওটি সামনে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই কারিনার এমনন আচরণকে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সঙ্গে তুলনা করেন। এক নেটিজেনের খোঁচা, ‘জয়া বচ্চনের বোন।’

অপর এক নেটাগরিকের রসিকতা, ‘আরেক জয়া বচ্চন আসছে।’ কেউ আবার ‘বয়সের প্রভাব’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।

‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েও প্রাইজমানি না পেয়ে অবাক হয়েছিলেন হাসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েও প্রাইজমানি না পেয়ে অবাক হয়েছিলেন হাসান

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন পেসার হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটসহ মোট ৯ উইকেট শিকার করেন তিনি।

বিসিবির এক ভিডিওতে সেই স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সিরিজে আমার অন্যতম সেরা স্মৃতি হবে ডারউইনে ম্যাচ জিতে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হওয়া। পাশাপাশি ৫ উইকেট। এটা আমার জীবনের অন্যতম সেরা স্মৃতি হয়ে থাকবে।‘

অবশ্য এ সময় নিজের এক আক্ষেপের কথাও জানান হাসান। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে শুধু মেডেল পেলেও কোনও প্রাইজমানি না পাওয়ায় অবাক হয়েছিলেন তিনি, ‘আসলে আমি আশ্চর্য হয়েছিলাম, ম্যান অব দ্য ম্যাচের কোনো প্রাইজমানি নেই। কিন্তু সমস্যা নেই। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হওয়াটাই আমার কাছে বড়। পুরো বাংলাদেশ সাক্ষী হয়ে থাকবে। এটা আমার জীবনের স্মরণীয় একটা দিন।‘

তরুণ ক্রিকেটার অমিত হাসান এই সিরিজে খেলার সুযোগ না পেলেও ট্রফি হাতে নিয়ে শান্তরা অমিতকেই ট্রফি এগিয়ে দিয়েছিলেন। অমিতও সেই একই ভিডিওতে জানান, ‘এই সিরিজে অনেকগুলা স্মৃতি আছে আমার সাথে। তার মধ্যে যখন ট্রফি দেওয়া হচ্ছিল, সবাই বলছিল অমিতের হাতে দাও। এটার কারণ আমার মনে হয়েছে, দলে সবচেয়ে জুনিয়র আমি। ঐ হিসেবে আমার কাছে যখন ট্রফি দিতে চাচ্ছিলেন আমার অনেক ভালো লেগেছে। এটাই আমার সেরা স্মৃতি।’

যুক্তরাষ্ট্র বংশোদ্ভূত ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির সাইফকে স্বাগত জানালেন জামাল ভূঁইয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র বংশোদ্ভূত ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির সাইফকে স্বাগত জানালেন জামাল ভূঁইয়া

ফিফা এশিয়ান কাপকে সামনে রেখে জার্মান কোচ টমাস ডুলির অধীনে ২৮ ফুটবলারকে নিয়ে চলছে বাংলাদেশ দলের অনুশীলন। সবার শেষে যোগ দিয়েছেন গোলকিপার মিতুল মারমা। এবার দলে নতুন করে আসা বিদেশে বেড়ে ওঠা ফুটবলারদেরও পরখ করে দেখছেন বাংলাদেশের কোচ।

সেই নতুনদের একজন সাইফ কেরাওয়ালা। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার এই দীর্ঘদেহী গোলরক্ষক কয়েক দিন ধরে জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন।

২৯ বছর বয়সী সাইফের বাবা বাংলাদেশি, মা আমেরিকান। যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা এই গোলরক্ষক এখন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়ানোর স্বপ্নে ঘাম ঝরাচ্ছেন। জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে অনুশীলনে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

নতুন সতীর্থকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। গোলকিপারদের সঙ্গে সাইফের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘গোলকিপারদের এবং আমাদের নতুন সতীর্থ সাইফ কেরাওয়ালার সঙ্গে একটি ছবি। তিনি ওয়াশিংটন থেকে এসেছেন। দলে স্বাগতম।’

এদিকে নতুন ফুটবলারদের ট্রায়াল প্রসঙ্গে টমাস ডুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পারফরম্যান্সই হবে দলে জায়গা পাওয়ার প্রধান মাপকাঠি।

বাংলাদেশের জার্মান কোচ বলেছেন, ‘ট্রায়ালে যারা ভালো করবে, তাদের দলে নেওয়া হবে। পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে কোনো এজেন্ট বা অন্য কে কী বললো, সেটি দেখার বিষয় নয়। সাইফ এসেছে। আরও কয়েকজনের আসার কথা রয়েছে।’