বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জৈব আশীর্বাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
জৈব আশীর্বাদ

তানিয়া হাসান
গমনের বৃত্তান্ত জানাই ছিল
তবু ছিপছিপে জৈব আলোয়,
পাগলা ঠোঁটে কাঁঠালপাতাই একমাত্র সত্য।
কী অদ্ভুত! কোনকিছুই এড়ায়নি সে দাঁত-
পৃথিবীর সব ভোগ চুষে নিয়ে নির্যাস করেছে মধূ
জোড়ায় জোড়ায় বসন্ত জন্ম দিয়েও হয়নি পিতা!
ডাকনামেও শীৎকারের গন্ধ
অথচ মিষ্টির কারিগরের মৃত্যুদ- হলো ধর্ষণের অভিযোগে ;
প্রেমকে ক্রিয়ায় বেঁধে বহুগামী হলো মায়া।

নির্বোধ হাওয়ায় চরিত্র হারালো বটগাছ!
আলোর চশমা জানলোই না,
মধু থেকে শরীর খুলে গেলেই শুধু রংধনু হয়
আর একমাত্র আকাশই বহুগামী!

যদিও পাগলা দিক-ভাইরাসে আক্রান্ত
তবুও গমনে ডুব দিলে সে-ও সর্বগামী
প্রস্থান শেষে পড়ে থাকে আশীর্বাদ!

Ads small one

বাগআঁচড়ায় তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
বাগআঁচড়ায় তরিকুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া

oppo_0

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মরহুম তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের শার্শায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান মিঠুর সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির আলমের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোনায়েম হোসেন ও শাহাজান কবির, উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. নাছিম জামান রিফাত।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান রিপন, সদস্যসচিব সেলিম হোসেন আশাসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

স্মরণসভা শেষে মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

পাঁচরখি পশ্চিমপাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী রমযান আলী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
পাঁচরখি পশ্চিমপাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী রমযান আলী

0-0x0-0-0#

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১ নম্বর বাঁশদহা ইউনিয়নের পাঁচরখি পশ্চিমপাড়া এলাকায় বাড়ি বাড়ি ও দোকানপাটে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা রমযান আলী। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চান। এ সময় স্থানীয় কর্মী ও ইউনিয়নের দায়িত্বশীল নেতারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা, বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দস্যুদের সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবিতে খুলনার কয়রায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় সুন্দরবনের সাকবাড়িয়া নদীর তীরে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের সামনে উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলনের উদ্যোগে এবং কয়রা উপজেলা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সুন্দরবন ও উপকূল সংরক্ষণ আন্দোলনের সভাপতি তরিকুল ইসলাম। বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা আ ব ম আব্দুল মালেক, নাগরিক সংগঠন সুজনের কয়রা উপজেলা সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, সাবেক সেনা কর্মকর্তা এম আনোয়ার হোসেন, কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি সহকারী অধ্যাপক বিদেশ রঞ্জন মৃধা, কয়রা কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরোর কয়রা উপজেলা শাখার সহসভাপতি জি এম মোনায়েম, কয়রা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ও বনজীবী মুছানুর রহমান।

বক্তারা অভিযোগ করেন, গত দুই বছর ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন বনদস্যু বাহিনী জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এসব কর্মকাণ্ডে বনদস্যুদের পাশাপাশি স্থানীয় কিছু মাছ ব্যবসায়ীও সহযোগিতা করছেন বলে তাঁরা দাবি করেন।

তাঁদের অভিযোগ, বনদস্যুদের সহযোগীদের মাধ্যমে দুই ও পাঁচ টাকার নোটের নম্বরকে টোকেন হিসেবে ব্যবহার করে বনজীবীদের বনে প্রবেশ করতে হচ্ছে। এ জন্য আগাম ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। টোকেন ছাড়া বনে প্রবেশ করলে দস্যুদের হাতে জিম্মি হয়ে জনপ্রতি ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিতে হচ্ছে। ফলে জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনে যাওয়া বনজীবীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

মানববন্ধনে তরিকুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা বনদস্যুদের কারণে হুমকির মুখে। সুন্দরবনকে নিরাপদ করতে দস্যুদের পাশাপাশি তাদের স্থানীয় সহযোগীদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান জোরদারের দাবি জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের একক দাবি নয়; এটি উপকূলীয় মানুষের জীবন, জীবিকা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান, তাদের অস্ত্র-গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহকারীদের শনাক্ত এবং সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা। এ আন্দোলনে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।

মানববন্ধনে সুন্দরবননির্ভর জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।