বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

তালায় ১৯৮ টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষে চলছে রংতুলির প্রস্তুতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
তালায় ১৯৮ টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষে চলছে রংতুলির প্রস্তুতি

মুজিবর রহমান: সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় ১৯৮ টি মন্ডপে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। প্রতিমা তৈরিতে সৌন্দর্য, চাকচিক্য, ভিন্নতা আনতে উপজেলার প্রতিটি মন্ডপে চলছে প্রতিযোগিতা। খড়, কাদামাটি ও বাঁশের সাহায্যে তাদের নিজস্ব শৈল্পিক সৌন্দর্যের নিখুঁত হাতের ছোঁয়া লাগিয়ে চলছে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার আকৃতিদান। দেবী দুর্গার সঙ্গে ধনের দেবী লক্ষ্মী, জ্ঞানের দেবী সরস্বতী, গণেশ, অসুর, মহিষ, কার্তিক, সিংহের মৃন্ময়সহ তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিমায় আনা হচ্ছে আধুনিকতার চমক।

 

পঞ্জিকা বলছে, ২০২৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার শুরু হবে ১৬ অক্টোবর। ১০ অক্টোবর মহালয়ায় দেবীপক্ষ। ১৫ অক্টোবর মহাপঞ্চমী, ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীতে দুর্গাপূজা শুরু হয়ে চলবে ২১ অক্টোবর দশমী পর্যন্ত। তালা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নারায়ন মজুমদার জানান, তালা উপজেলার ২টি থানার অধীন ১২টি ইউনিয়নে মোট ১৯৮টি পূজামন্ডপে এবার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

ইউনিয়ন ভিত্তিক ধানদিয়া ইউনিয়নে ২০টি, নগরঘাটা ইউনিয়নে ১০টি, সরুলিয়া ইউনিয়নে ২১টি, কুমিরা ইউনিয়নে ১৪টি, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে ১০টি, তালা সদর ইউনিয়নে ২০টি, ইসলামকাটি ইউনিয়নে ২১টি, মাগুরা ইউনিয়নে ১১টি, খলিষখালী ইউনিয়নে ২০টি, খেশরা ইউনিয়নে ১৩টি, জালালপুর ইউনিয়নে ১৪টি ও খলিলনগর ইউনিয়নে ২১টি পূজা মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ।

পাটকেলেশ্বরী পুজা মন্দিরের পুরোহিত বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, আমাদের মন্দিরসহ আশপাশের সকল মন্দিরে চলছে পুরাদমে প্রতিমা তৈরির কাজ। শেষ মুহূর্তে ভাস্কররা তাদের মনের মাধুরী দিয়ে রংতুলির কাজ করার চেষ্টা করছে।

ভাস্কররা জানান, প্রতিমা তৈরিতে পৌরাণিক কাহিনীকে নানা আদলে ফুটিয়ে তুলার চেষ্টা চলছে। কারুকার্যতা শেষ হলে রং তুলির নিখুঁত আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হবে। প্রকৃত রূপ তোলা হবে নাক, কান, চোখ, মুখ ইত্যাদি দিয়ে। তবে এই কাজে পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক পর্যাপ্ত না হলেও দৃষ্টিনন্দন সুন্দর প্রতিমা তৈরি করতে মনের মাধুরী দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

 

তালা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায় জানান, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রতিবারের মতো এবারও প্রশাসনের সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগিতা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছি। সরকারিভাবে যে অনুদান আসে তা অতিদ্রুতই মন্ডপ কমিটির কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে।

Ads small one

একদিন ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
একদিন ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে টানা তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সরকারি অফিস খোলা থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিধি-৬ শাখা জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে আগামী ২০ হতে ২২ অক্টোবর (মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার) ছুটি থাকবে। আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসমূহ খোলা থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে কারা ছুটি পাচ্ছেন না তাও উল্লেখ করা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা যেমন— বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীগণ এই ছুটির আওতা বহির্ভূত থাকবে।

হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতাবর্হিভূত থাকবে।

এছাড়া জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।

বেসরকারি খাতের ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বেসরকারি খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

এবার সত্যি সত্যি শুরু হয়েছে শাঁখরা বাজার সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের সংস্কার কাজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
এবার সত্যি সত্যি শুরু হয়েছে শাঁখরা বাজার সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের সংস্কার কাজ

ÃU

সীমান্ত প্রতিনিধি: অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর সাতক্ষীরা সদর ও দেবহাটা থানার সংযোগ স্থল শাখরা বাজার সংলগ্ন বেইলি ব্রিজটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসির মধ্যে ঈদের আনন্দ বিরাজ করছে।

 

শাখরা-কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ জাকিরুল ইসলাম জানান, ব্রীজটি দীর্ঘ দিন যাবৎ ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। প্রতিনিয়ত ব্রিজে ঘটেছে দুর্ঘটনা। ইতিমধ্যে গত কয়েক মাস পূর্বে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথকভাবে ব্রিজটির সংস্কার কাজ উদ্বোধন করেন। দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদৌস আলফা নিজস্ব অর্থায়নে ব্রিজটি কিছুটা চলাচলের উপযোগী করে দেন। তারপরও জনগনের ভোগান্তির অন্ত ছিল না।

এলাকাবাসীরা আরো জানায়, বহুদিনের প্রাচীন এই বেইলি ব্রিজটি বহুবছর ধরে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। প্রায়ই ব্রিজের ভাঙা অংশে পড়ে হাত পা ভেঙে কেটে-কুটে গুরুতর জখম হয়েছে অনেকেই। সাইকেল ভ্যান ভেঙে ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখিও হয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি দপ্তরের প্রকৌশলীরা ব্রিজটি মেরামতেরও প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন। তারপরও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তবে, এবার সত্যি সত্যি কাজ শুরু হলো বলে তারা মনে করছেন।

জানা গেছে, ব্রিজটি সংস্কারে সরকারিভাবে ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে বুধবার (০৭/১০/২৬) সকাল ৭ টার সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ব্রিজটির সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজটি শুরু হওয়ায় এলাকাবাসির মধ্যে ঈদের আনন্দ বিরাজ করছে। সেই সাথে এলাকাবাসি বিভিন্ন সময়ে ব্রিজের সংস্কার কাজ উদ্বোধনকারী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ঠ সকল মহল ও সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

 

গাজী নজরুল জামিনে গেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে: বিচারক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
গাজী নজরুল জামিনে গেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে: বিচারক

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামিন দিলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আদালত।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নজরুল ইসলামের জামিন শুনানিতে এ মন্তব্য করেন। শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

এদিন গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী মিজানুর রহমান ও মাহাবুবুর রহমান জামিনের শুনানি করেন। অন্যদিকে মামলার অপর আসামি ওবায়দুর রহমানের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলেও তার আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হননি।

শুনানিতে আইনজীবী মিজানুর রহমান বলেন, ‘আপসের শর্তে নজরুল ইসলামের জামিন প্রার্থনা করছি। আবেদনের সঙ্গে আপসনামার ফটোকপি জমা দিয়েছি। বাদী আদালতে উপস্থিত আছেন।’

এ সময় বিচারক মরিয়মের বাবা ও মামলার বাদী এস এম মাসুম বিল্লাহর কাছে জানতে চান, ‘আপস করেছেন?’

জবাবে মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘হ্যাঁ।’

বিচারক জানতে চান, ‘ভিকটিম কে হন?’

মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘মেয়ে।’

নজরুলের আইনজীবী বলেন, ‘বাদী আসামির আত্মীয়। তাদের মধ্যে আপস হয়েছে। আসামি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আছেন। জামিন দেওয়া হোক।’

তবে জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ। তিনি বলেন, ‘এটি দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার মামলা। এ ধরনের মামলায় আপস আইনসঙ্গত নয়। বাদী শুধু সংবাদদাতা। এরপর মামলার তদন্ত ও বিচারের দায়িত্ব রাষ্ট্রের।’

তিনি আরও বলেন, ‘মরিয়মের মৃত্যু হত্যা না আত্মহত্যা, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। বাদী মামলা করে আবার জামিনে আপত্তি নেই বলতে পারেন না। প্রয়োজন হলে বাদীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত।’

জবাবে নজরুল ইসলামের আইনজীবী বলেন, ‘আমরা মামলার বিষয়ে আপস করিনি, শুধু জামিনের বিষয়ে আপস করেছি। আসামি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন।’

দুই পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক বলেন, ‘আসামি শুধু বয়স্ক, এ কারণে বা আপস অযোগ্য ধারার মামলায় আপসনামা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভিকটিম একজন অতি অল্পবয়সী মেয়ে। তিনি বিভিন্ন চিঠিতে নোট লিখে গেছেন। আসামির হেফাজতে থাকাবস্থায় ভিকটিম আত্মহত্যা করেছেন।’

বিচারক আরও বলেন, ‘আসামি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসবাসরত অবস্থায় ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে। আসামি জামিনে গেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। সমাজে ন্যায়বিচার সম্পর্কে বিরূপ ধারণা হতে পারে। আসামির হাজতবাসও বেশি নয়। এ পর্যায়ে তার জামিন নামঞ্জুর করা হলো।’

আদালত থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক রাখতে আপস করা হয়েছে। কোনও চাপাচাপিতে নয়। ন্যায়বিচার অবশ্যই চাই। তবে ওবায়দুরকে মূল আসামি করা দরকার ছিল।’

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পরে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলায় নজরুল ইসলামের চার দিনের এবং মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে নজরুল ইসলামের আরও দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

৩০ সেপ্টেম্বর নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করা হলে আদালত মাকছুদা ইসলামকে জামিন দেন। তবে নজরুল ইসলামের জামিন নামঞ্জুর করা হয়। আসামিপক্ষ থেকে তখনও বাদীপক্ষের সঙ্গে আপসের কথা জানানো হয়েছিল।

অন্যদিকে ২৩ সেপ্টেম্বর ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হলে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। মঙ্গলবার জামিন শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে বুধবার ধার্য করা হয়। তবে বুধবার ওবায়দুর রহমানের আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হননি।