মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রসঙ্গ: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বিপুল অনুপস্থিতি: কারণ কী?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
প্রসঙ্গ: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বিপুল অনুপস্থিতি: কারণ কী?

সাতক্ষীরা জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হলেও একটি বড় দুশ্চিন্তার খবর সামনে এসেছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের পরীক্ষায় জেলার সাতটি উপজেলায় ৮ হাজার ৫০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৩০৪ জনই অনুপস্থিত ছিল। অর্থাৎ প্রায় ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। কলারোয়া উপজেলায় এই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, যেখানে উপস্থিতির হার ছিল মাত্র ৪০ শতাংশের কাছাকাছি। একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তৃণমূল পর্যায়ের কোনো গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
বৃত্তি পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন এবং তাদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা। বর্তমান সরকার বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে, যা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। কিন্তু মাঠপর্যায়ের এই পরিসংখ্যান বলছে, সরকারি এই সুযোগ গ্রহণে এক বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থী অনাগ্রহী অথবা তারা কোনো প্রতিবন্ধকতার শিকার। সাধারণত প্রাথমিক স্তরে বৃত্তি পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়। মনোনীত হওয়ার পরও কেন তারা কেন্দ্রে এল না, সেই প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
উপজেলাওয়ারী বিশ্লেষণে দেখা যায়, তালার মতো এলাকায় উপস্থিতির হার সন্তোষজনক (৭২.৩৭%) হলেও কলারোয়া বা আশাশুনির চিত্র ভিন্ন। এই বৈষম্যের কারণ কী? যাতায়াত ব্যবস্থার ত্রুটি, অভিভাবক মহলে সচেতনতার অভাব, নাকি দীর্ঘমেয়াদি দারিদ্র্যের কারণে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধিÑকোনটি দায়ী? অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারের কাজের চাপে বা অন্য কোনো সামাজিক কারণে বিশেষ করে চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কলারোয়ায় উপস্থিতির হার অর্ধেকেরও নিচে নেমে আসাটা কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সতর্কবার্তা।
শিক্ষা কর্মকর্তারা পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যা প্রশংসনীয়। কিন্তু কেবল ‘শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা’ আয়োজনই সফলতার মাপকাঠি হতে পারে না। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রতিটি যোগ্য শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বৃত্তি পরীক্ষার মতো আয়োজনে যদি ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী কক্ষের বাইরে থাকে, তবে সেই বৃত্তির লক্ষ্য পূর্ণাঙ্গভাবে অর্জিত হবে না।
আমরা মনে করি, কেবল অনুপস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখার আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষা বিভাগকে প্রতিটি উপজেলার ঝরে পড়া বা অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী ও পরীক্ষামুখী করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বৃত্তি পরীক্ষা যেন কেবল গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর আনুষ্ঠানিকতা না হয়ে প্রকৃত অর্থেই মেধাবিকাশের চাবিকাঠি হয়, তা নিশ্চিত করাই হবে সময়ের দাবি।

Ads small one

তানযীমূল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
তানযীমূল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

তানযীমূল উম্মাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত তানযীমূল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা (রাজার বাগান ও বাইপাস) শাখার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি’ সাতক্ষীরায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া অনুষ্ঠানে সারাবছরের মেধা ও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়, পাশাপাশি ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ বৃত্তিপ্রাপ্ত ০৬ শিক্ষার্থীদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে দেওয়া হয় শুভেচ্ছা পুরস্কার। পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ছিল কবিতা আবৃত্তি, হামদ, নাত, দেশের গান, জুলাইয়ের গান, কিরাত এবং আরবি, ইংরেজি, বাংলা বক্তৃতা ও নাটিকাসহ প্রাণবন্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশনা উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং পুরো অনুষ্ঠানকে আরও উৎসবমুখর করে তোলে।

 

অনুষ্ঠানে ১ম সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবুল হাশেম এবং প্রধান আলোচক ছিলেন আগরদাঁড়ী আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ ড. মো. রুহুল আমীন। এবং অনুষ্ঠানের ২য় সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মইনুল ইসলাম মইন এবং প্রধান আলোচক ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন তানযীমূল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর এম এম রবিউল ইসলাম। শাখা প্রধান আবু বকর সিদ্দীক, সহকারী প্রধান হাফিজুর রহমান ও মো. হাবীবুল্লাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানযীমূল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত ডিরেক্টর ও খুলনা জোনের জোনাল ইনচার্জ আ ল ম মাসুম বিল্লাহ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

কপিলমুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

কপিলমুনি (পাইকগাছা) খুলনা: কপিলমুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয়েছে।

খুলনা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ ওয়ালিদ বিন হাবিব ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান মঙ্গলবার দুুপর ১ টার দিকে কপিলমুনি বাজারের পালপাড়া সড়কে অভিযান চালিয়ে ২টি প্রতিষ্ঠানে এ জরিমান করেন। এসময় তপন মন্ডলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে খাদ্য ও পন্যে নকল প্যাকেজাত করার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৩০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।

 

উত্তম কুমার সাহার কর্ণফুলী টি হাউজে খাদ্য- পন্যে নকল প্যাকেজাত ও ঘন চিনি বিক্রির অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়। অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন, পাইকগাছা উপজেলা স্যনিটারী ও নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা উদয় কুমার মন্ডল।

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, মানুষকে কোন ভাবেই কুখাদ্য খাওয়ানো যাবে না, কোন ভাবেই খাবার বা পণ্যের লেভেল নকল করা যাবে না। এটা অন্যায় ও দন্ডনীয়। এধরণের অপকর্মে লিপ্ত থাকলে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তাঁরা।

ঝাউডাঙ্গা কায়পুত্র ঋষিপাড়ায় বিনামুল্যে ছানি অপারেশন ও চক্ষু চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গা কায়পুত্র ঋষিপাড়ায় বিনামুল্যে ছানি অপারেশন ও চক্ষু চিকিৎসা

মঙ্গলবার (০৮ আগষ্ট ২০২৬) সকাল ১০টা হতে ঝাউডাঙ্গা কায়পুত্র ঋষিপাড়ায় স্বদেশ সংস্থার উদ্যোগে এবং সেবামুলক সংস্থা সাইট সেভার্স এর সহযোগিতায় খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল খুলনা এর বাস্তবায়নে শতাধিক দরিদ্র দলিত ও অনগ্রসর মানুষের বিনামুল্যে ছানি অপারেশন, চক্ষু চিকিৎসা সেবা ঔষধ ও চষমা বিতরণসহ চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিএনএনবি চক্ষু হাসপাতালের পক্ষে এসিস্টেন্ট সার্জন ডাক্তার নাসিম মাহামুদ, আল্আমিন হোসেন, চশমা পরিক্ষক রাশেদুল ইসলাস, ক্যাম্পেইন সহযোগী স্বদেশ সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার দেবজ্যোতি ঘোষ।

 

স্বদেশ সংস্থার নির্বাহি পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত উপস্থিত চিকিৎসা প্রার্থীদের জন্য চলমান সেবা অব্যহত রাখতে আয়োজক সংস্থাগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সাইটসেভার্স, খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল খুলনা, স্বদেশ স্মার্ট হেলথ কেয়ার, সৃজনী মহিলা লোক কেন্দ্র এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠন সমুহকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি