শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার বিষয়ক ফেলোশিপ পেলেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সরদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার বিষয়ক ফেলোশিপ পেলেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সরদার

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারবিষয়ক সাংবাদিকতা ফেলোশিপ সম্পন্ন করায় বাংলাট্রিবিউনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও দৈনিক পত্রদূতের নিজস্ব প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান সরদারকে নগদ অর্থ, সনদ ও স্মারক প্রদান করা হয়েছে।
গত ২৮ জুন (রবিবার) পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও অভিগম্যতা’ শীর্ষক এক সম্মিলনে তার হাতে এই সনদ ও স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) আর্থিক সহায়তায় ক্রিশ্চিয়ান এইড, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন যৌথভাবে (ECSAP)” প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে ফেলো সাংবাদিকদের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন আসাদুজ্জামান সরদার। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও সরকারি পরিষেবা প্রাপ্তিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন।

সম্মিলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আইন সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলম, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পরিচালক মো: সাজ্জাদুল ইসলাম, চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র সম্পাদক মীর মাসরুর জামান, ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার মনোয়ারা আক্তার রিফাত প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, আসাদুজ্জামান সরদার সম্প্রতি আর্থ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক এর মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ এবং ২০২৫ সালে বারসিক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন।

 

Ads small one

স্বপ্নপূরণে আমেরিকায় আস্ত স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ, খরচ কত?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ
স্বপ্নপূরণে আমেরিকায় আস্ত স্টেডিয়াম বানালেন শাহরুখ, খরচ কত?

ক্রীড়াপ্রেমীরা যখন মেতে আছেন ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায়, ঠিক তখনই ক্রিকেট বিশ্বে এক বিরাট চমক দিল বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ‘নাইট রাইডার্স গ্রুপ’। মার্কিন মুলুকে ক্রিকেটের জোয়ার আনতে এবার লস অ্যাঞ্জেলেসে আস্ত একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম উন্মোচন করল কেকেআর ফ্র্যাঞ্চাইজি।

স্বপ্নের এই স্টেডিয়ামটি তৈরিতে প্রাথমিক খরচ হয়েছে প্রায় ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪৬ কোটি টাকারও বেশি এবং ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৭৫ কোটি রুপি। ক্যালিফোর্নিয়ার পমোনা ফেয়ারপ্লেক্সে নির্মিত এই বিশ্বমানের স্টেডিয়ামটির প্রথম ঝলক সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। মাত্র ১০০ দিনের রেকর্ড সময়ে এই স্টেডিয়ামের মূল অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

এই ভিডিওটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে নিজের আবেগ প্রকাশ করেন শাহরুখ। তিনি বলেন, “সবাইকে হ্যালো। আজ আমাদের একটি স্বপ্ন সত্যি হওয়ার দিন। বিশ্বের দ্বিতীয় জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটকে আমরা নিয়ে আসছি লস অ্যাঞ্জেলেসে। ফেয়ারপ্লেক্স, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নাইট রাইডার্স-এর দীর্ঘমেয়াদী যৌথ প্রয়াসেই এটা সম্ভব হচ্ছে; যার লক্ষ্য এমন একটা জায়গা তৈরি করা যা উদ্দীপনা, সামাজিক মেলবন্ধন, একতা এবং অবশ্যই বিনোদনে ভরপুর থাকবে।

লস অ্যাঞ্জেলেস এবং আমাদের এই আগামীর পথচলার জন্য শুভকামনা। সবাইকে ধন্যবাদ এবং অনেক অনেক ভালোবাসা।” একই সঙ্গে এই মহৎ যাত্রায় পাশে থাকার জন্য আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ-কে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিং খান।

আইসিসির আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে তৈরি করা এই স্টেডিয়ামটিতে রয়েছে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। এর প্রধান স্কয়ারে রয়েছে আইসিসি অনুমোদিত ৮টি উইকেট এবং নৈশকালীন ম্যাচের জন্য বসানো হয়েছে ১২০ ফুট উঁচু ৬টি ফ্লাডলাইট টাওয়ার। মেজর লিগ ক্রিকেটের নতুন মৌসুমের ম্যাচ দিয়ে এই মাঠের যাত্রা শুরু হচ্ছে।

বর্তমানে আসন সংখ্যা ৫,০০০ হলেও ২০২৮ সালের মধ্যে তা বাড়িয়ে ১৫,০০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি মূলত আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলা দল লস অ্যাঞ্জেলস নাইট রাইডার্সের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই মাঠে নীল জার্সিতে ভারতীয় দলকে কবে দেখা যাবে। দীর্ঘ ১২৮ বছর পর অলিম্পিকের মঞ্চে ফিরছে ক্রিকেট। লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক আয়োজক কমিটি এবং আইসিসি ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের সব ক্রিকেট ম্যাচ এই নাইট রাইডার্স ক্রিকেট গ্রাউন্ডেই অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, অলিম্পিক পদকের লড়াইয়ে টিম ইন্ডিয়া এই মাঠেই মাঠে নামবে। মার্কিন মুলুকে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করতে কেকেআর-এর এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে ক্রীড়া দুনিয়ায় এক নতুন মাইলফলক।

 

এফডিসিতে ঢুকলে এখন কষ্ট লাগে: ডা. এজাজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
এফডিসিতে ঢুকলে এখন কষ্ট লাগে: ডা. এজাজ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে এসে নিজের আবেগ ও স্মৃতিচারণ প্রকাশ করেছেন তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা ও চিকিৎসক এজাজ আহমেদ। এফডিসির বর্তমান অবস্থা ও ফেলে আসা সোনালি দিনগুলোর কথা মনে করে গণমাধ্যমের সামনে একরাশ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতেই এফডিসির আগের কর্মব্যস্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশের কথা স্মরণ করে ডা. এজাজ বলেন, “কষ্ট লাগে যখন হুমায়ূন স্যারের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’ কিংবা ‘শ্যামল ছায়া’ ছবির কাজ করেছি— তখনকার এফডিসির পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। কী এক উৎসবমুখর জায়গা ছিল এটা! যারা ওই সোনালি দিনগুলো দেখেননি, তারা বর্তমানের এই শূন্যতা বুঝবেন না। এখন এফডিসিতে ঢুকলে আগের সেই উৎসব, ব্যস্ততা আর উচ্ছলতা চোখে পড়ে না, যা মনে ভীষণ কষ্ট দেয়।”

তবে অতীতের গৌরব হারিয়ে যাওয়ার বেদনার মাঝেও ঢাকাই চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী এই অভিনেতা। শিল্পী সমিতির চলমান নির্বাচনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তিনি। ডা. এজাজ মনে করেন, এই নির্বাচন চলচ্চিত্রকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারই একটি প্রয়াস। একদল মানুষ চলচ্চিত্রকে বাঁচিয়ে রাখার এবং সামনে এগিয়ে নেওয়ার যে সৎ চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তা কখনও বৃথা যাবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

হতাশাকে একপাশে ঠেলে দিয়ে দর্শকদের হলমুখী হওয়ার প্রবণতাকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “দর্শকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি হলমুখী হচ্ছেন। এখন ছবি আগের চেয়ে অনেক উন্নত, সুন্দর ও সফল হচ্ছে। তাই আমি কখনোই বলবো না যে চলচ্চিত্র পিছিয়ে আছে, বরং চলচ্চিত্র এগিয়ে যাচ্ছে।”

নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে ডা. এজাজ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমি কখনোই হতাশাকে জায়গা দিই না, সবসময় উৎসাহ নিয়ে কাজ করি। কারণ হতাশ হয়ে পড়লে কখনও সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় না। আমি হতাশ হতে রাজি নই, আমি চলচ্চিত্রে কেবলই এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে।”

নির্বাচনকে চলচ্চিত্রের অগ্রযাত্রার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যারা চলচ্চিত্রের স্বার্থে সৎ চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা অবশ্যই সফল হবেন।

বাংলাদেশ-চীন আলোচনায় নজর রাখছে ভারত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন আলোচনায় নজর রাখছে ভারত

চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের সম্ভাব্য আলোচনা এবং বেইজিংয়ের প্রস্তাবিত চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর বিষয়ক খবরে গভীর নজর রাখছে ভারত। শুক্রবার (৩ জুলাই) নয়াদিল্লিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জয়সওয়াল বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনও ধরনের অগ্রগতি ও কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর ভারত সার্বক্ষণিক ও নিবিড় নজর রাখছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রতিবেশীর এই জাতীয় সব ধরনের ঘটনাপ্রবাহ আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকালে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা করছে, এমন আলাদা দুটি প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল ভারতের এই অবস্থানের কথা জানান।

সফরকালে তিস্তা নদীর উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের কথিত সহায়তার প্রতিশ্রুতির বিষয়েও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়নমূলক সহযোগিতা একটি পারস্পরিক সম্মত রূপরেখার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে।

তিস্তা প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এই বিষয়ে ভারত আগেই বাংলাদেশের কাছে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে।

পাশাপাশি ভারতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রতি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভারত এই ধরনের সব সম্পর্কিত ঘটনাপ্রবাহকে বিবেচনায় রাখবে।