মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

বেনাপোল বন্দরে ৪ মাস আগে ‘নিখোঁজ’ হওয়া ১৯ প্যাকেজ পণ্য উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
বেনাপোল বন্দরে ৪ মাস আগে ‘নিখোঁজ’ হওয়া ১৯ প্যাকেজ পণ্য উদ্ধার

Oplus_131072

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল বন্দর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়া উচ্চমূল্যের ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় প্রসাধনী ও পোশাক উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিকেলে বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৩৭ নম্বর শেডের ভেতরে থাকা পুরোনো নিলামের মাপা পণ্যের আড়াল থেকে এই পণ্যগুলো উদ্ধার করা হয়।
বন্দর ও কাস্টমস সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি পণ্যচালান আমদানি করে যশোরের ‘সাফা ইমপেক্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। নথিতে পণ্য হিসেবে ‘বেকিং পাউডার’ ঘোষণা করা হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় ১০৮টি প্যাকেজে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, ফেসওয়াশ ও ক্রিমসহ বিভিন্ন দামি প্রসাধনী জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চালানের মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা, যার মাধ্যমে ২ কোটি ৩২ লাখ টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে পণ্যগুলো বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের জিম্মায় রাখা হয়।
গত ২ জুন কাস্টমস কর্মকর্তারা পুনরায় পণ্যের তালিকা যাচাই (ইনভেন্টরি) করতে গিয়ে দেখেন, জিম্মায় থাকা ১০৮ প্যাকেজের মধ্যে মূল্যবান ১৯টি প্যাকেজ গায়েব হয়ে গেছে। এই ঘটনায় থানায় একটি প্রতারণার মামলা হয়। সোমবার অন্য একটি পণ্যচালানের ইনভেন্টরি করার সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা ভাগ্যক্রমে পুরোনো নিলামের মালামালের নিচে লুকিয়ে রাখা সেই প্যাকেজগুলোর সন্ধান পান। ধারণা করা হচ্ছে, ঈদুল আজহার ছুটির আগে পণ্যগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া পণ্যগুলো আগের জব্দ করা চালানেরই অংশ। এই ঘটনার পেছনে বন্দরের কারো কোনো অনিয়ম বা সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার তৌফিকুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পণ্যগুলো পুনরায় গণনা ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Ads small one

বৃষ্টিতে পারখাজুরা-নলতা ঘাট সড়ক ধস, বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
বৃষ্টিতে পারখাজুরা-নলতা ঘাট সড়ক ধস, বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা বাজার থেকে নলতা ঘাট অভিমুখী পাকা সড়কের প্রায় ৩০ ফুট অংশ ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক ধসে পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী এ. এস. এম. খালেকুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাঘবে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জনগণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে একটি বিকল্প (বাইপাস) সড়ক নির্মাণ করা হবে, যার কাজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত মূল সড়কটি দ্রুত সংস্কারের লক্ষ্যে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী এ. এস. এম. খালেকুজ্জামান ধসে যাওয়া অংশের পরিমাপ সম্পন্ন করেছেন। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটির মূল সংস্কারকাজ শুরু করার আশ্বাস দেন।
জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসন, প্রকৌশল বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এলাকাবাসীকে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ধসে যাওয়া সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়।

নুনগোলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
নুনগোলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ লুট

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের নুনগোলা গ্রামে রাতের আঁধারে একটি পুকুরে বিষাক্ত ওষুধ দিয়ে সব মাছ ধরে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। লিজ নেওয়া পুকুরে এই বর্বরোচিত চুরির ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মৎস্য চাষি মো. কুরমান আলী।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুনগোলা গ্রামের গোপাল সাধুর মালিকানাধীন একটি বড় পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য মো. কুরমান আলী। প্রতিদিনের মতো রোববার রাতেও পুকুরটি স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। কিন্তু রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা পুকুরের পানিতে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে। এতে পুকুরের সব মাছ নিমিষেই মারা যায় এবং ভেসে ওঠে। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা অধিকাংশ মাছ ধরে নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার ভোরে স্থানীয় এক ব্যক্তি পুকুরপাড় দিয়ে যাওয়ার সময় মাছ ভেসে উঠতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লিজগ্রহীতা কুরমান আলীকে খবর দেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরের ছোট-বড় সব ধরনের মাছ মারা গেছে। এতে তাঁর লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্বশত্রুতার জেরে নাকি কেবলই মাছ চুরির উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইউপি সদস্য মো. কুরমান আলী। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মৎস্য চাষিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বিডিএফ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিডিএফ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর ও ফিংড়ী (বিডিএফ) প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন কমিটির সভাপতি জি এম আমিনুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরশাদ আলীর কাছে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।
সাবেক সভাপতি মো. শাহাদাৎ হোসেন বাবু, আহ্বায়ক এস এম ইসমাইল হোসেন, সদস্যসচিব মো. মুকুল হোসেন ও সদস্য মো. মেহেদী হাসান শিমুল নতুন কমিটির কাছে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় বিডিএফ প্রেসক্লাবের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ হাসান, সাধারণ সম্পাদক নাসিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. সলেমান মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল আহাদসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।
এ ছাড়া ফয়জুল্যাপুর ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকেও নতুন কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ক্লাবের সভাপতি মো. মোস্তাকিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু ওবায়দা গাজীর নেতৃত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এম এম জাহাঙ্গীর আলম, মো. রাসেল হোসেন রাহী ও এম এ রাসেলসহ সংগঠনের অন্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।