মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক হাঙর সচেতনতা দিবস: সমুদ্রের অতন্দ্র প্রহরীর সুরক্ষায় আমাদের দায়বদ্ধতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক হাঙর সচেতনতা দিবস: সমুদ্রের অতন্দ্র প্রহরীর সুরক্ষায় আমাদের দায়বদ্ধতা

সাকিবুর রহমান বাবলা
প্রতি বছর ১৪ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক হাঙর সচেতনতা দিবস’। পপ কালচার ও হলিউড সিনেমার নাটকীয় চিত্রায়নের ফলে হাঙর আমাদের জনমানসে কেবলই ‘রক্তপিপাসু দানব’ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবের হাঙর কোনো রাক্ষস নয়; বরং সমুদ্রের বিশাল ক্যানভাসে ভারসাম্য রক্ষাকারী এক অপরিহার্য ও প্রাগৈতিহাসিক প্রহরী। আজকের দিনে আমাদের দায়িত্ব এই মহিমান্বিত প্রাণীটির প্রতি আরোপিত ভ্রান্ত ধারণা ঝেড়ে ফেলে তার বাস্তুতান্ত্রিক গুরুত্ব অনুধাবন করা।
হাঙর সম্পর্কে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মার্কিন মৎস্যবিজ্ঞানী ড. ইউজেনি ক্লার্ক, যিনি ‘দ্য শার্ক লেডি’ নামে পরিচিত। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় হাঙরের বুদ্ধিমত্তা ও আচরণ নিয়ে গবেষণা করে প্রমাণ করেছিলেন যে এরা মানুষের শত্রু নয়। ডিসকভারি চ্যানেলের জনপ্রিয় টেলিভিশন ইভেন্ট ‘শার্ক উইক’ ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, যা পরবর্তীতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ‘শার্ক ফেস্ট’-এর সাফল্যের পথ প্রশস্ত করে।
জীববিজ্ঞানের ভাষায় হাঙরকে বলা হয় ‘কী-স্টোন স্পিসিস’ বা বাস্তুতন্ত্রের ভিত্তিপ্রস্তর। সমুদ্রের খাদ্য শৃঙ্খলের শীর্ষে অবস্থানকারী এই এপেক্স প্রিডেটর ‘ট্রফিক ক্যাসকেড’ প্রক্রিয়ায় পুরো সামুদ্রিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। হাঙর কেবল শক্তিশালী শিকারীই নয়, তারা সমুদ্রের ‘পুলিশ’ হিসেবেও কাজ করে। এরা সাধারণত অসুস্থ, দুর্বল ও বয়োবৃদ্ধ মাছ শিকার করে, যা সুস্থ মাছের জিনগত ধারাকে শক্তিশালী রাখে এবং সামুদ্রিক মহামারীর ঝুঁকি কমায়। বিস্ময়কর হলেও সত্য, হাঙরের উপস্থিতি প্রবাল প্রাচীর ও সামুদ্রিক ঘাসের বিছানাকে রক্ষা করে, যা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্বন শোষণে বড় ভূমিকা রাখে। হাঙর যদি আজ সমুদ্র থেকে হারিয়ে যায়, তবে খাদ্য শৃঙ্খলের ভারসাম্য বিনষ্ট হয়ে পুরো সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।
ইসলাম প্রাণিজগত ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেয়। অকারণে প্রাণী হত্যা নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। মানুষ যদি অহেতুক প্রাণীহত্যার সংস্কৃতি চালু করে, তা হবে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়ের বড় কারণ। এ জন্য রাসুল (সা.) কোনো প্রাণী অযথা মেরে ফেলা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি চড়ঁই পাখি বা তার চেয়ে ছোট কোনো প্রাণীকেও অকারণে হত্যা করে, কেয়ামতের দিন তাকে জবাবদিহি করতে হবে।’ (মিরকাত: ২৬৫৮)। এছাড়া বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, বয়স্ক বা বড় হাঙরের মাংসে বায়োঅ্যাকুমুলেশনের মাধ্যমে পারদ বা মার্কারি সঞ্চিত থাকে, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, ধর্মীয় বৈধতার পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত সতর্কতা বজায় রাখাও আমাদের দায়িত্বের অংশ।
১৯৭০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী হাঙর ও শাপলাপাতা মাছের সংখ্যা প্রায় ৭১% হ্রাস পেয়েছে। এর পেছনে মূল দায়ী আমাদের নিষ্ঠুর কর্মকা-—‘শার্ক ফিনিং’। স্যুপ তৈরির উদ্দেশ্যে জীবন্ত হাঙরের পাখনা কেটে নিয়ে বাকি অংশ সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার মতো অমানবিক প্রথা আজ এই প্রাণীকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। ড. ইউজেনি ক্লার্ক বা ‘দ্য শার্ক লেডি’-এর মতো গবেষকদের মতে, হাঙর মানুষের আক্রমণকারী নয়, বরং কৌতূহলী ও শান্ত স্বভাবের প্রাণী। লোহিত সাগরের শার্ম এল শেখ বা বিশ্বের বিভিন্ন ডাইভিং পয়েন্টগুলোতে ডুবুরিদের সাথে তাদের সহাবস্থানই এর প্রমাণ।
আন্তর্জাতিক এই দিবস আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন এক অঙ্গীকারের ডাক দেয়। মনে রাখতে হবে, হাঙর সংরক্ষণের অর্থ কেবল একটি প্রজাতি বাঁচানো নয়, বরং সমুদ্রের বিশাল ঐশ্বর্য রক্ষা করা। ভ্রান্ত ধারণা বর্জন করে হাঙর সম্পর্কে পপ কালচারের কাল্পনিক আতঙ্ক দূর করে বৈজ্ঞানিক তথ্য জানা। হাঙরের পাখনা, তেল বা চামড়া দিয়ে তৈরি বিলাসবহুল পণ্য কেনা ও বিক্রি বন্ধ করা। টেকসই মৎস্য আহরণে সমুদ্রের দূষণ কমানো এবং হাঙ্গর শিকার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার আইনি কঠোরতা বজায় রাখা। নাগরিক বিজ্ঞান কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে হাঙরের বিচরণ ও সংরক্ষণ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে সহায়তা করা।
আধুনিকতা মানে কেবল ভোগ নয়, বরং প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে পরম মমতায় আগলে রাখা। যে প্রাণীটি প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে পৃথিবীর ইতিহাসকে ধারণ করে আছে, তাকে বিলুপ্ত হতে দেওয়া হবে আমাদের সভ্যতার এক চরম ব্যর্থতা। আসুন, এই সচেতনতা দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞা করি—সমুদ্রের এই অতন্দ্র প্রহরীকে আমরা কেবল সুরক্ষা দেব না, বরং মানুষের প্রতি তাদের প্রতি যে অহেতুক ভয়ের প্রাচীর গড়ে উঠেছে, তা ভেঙে পারস্পরিক সহাবস্থানের সংস্কৃতি গড়ে তুলব। বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবীতে হাঙরের টিকে থাকাই আমাদের সমুদ্রের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।

 

 

Ads small one

বৃষ্টিতে পারখাজুরা-নলতা ঘাট সড়ক ধস, বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
বৃষ্টিতে পারখাজুরা-নলতা ঘাট সড়ক ধস, বাইপাস নির্মাণের উদ্যোগ

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা বাজার থেকে নলতা ঘাট অভিমুখী পাকা সড়কের প্রায় ৩০ ফুট অংশ ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক ধসে পড়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী এ. এস. এম. খালেকুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাঘবে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জনগণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে একটি বিকল্প (বাইপাস) সড়ক নির্মাণ করা হবে, যার কাজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত মূল সড়কটি দ্রুত সংস্কারের লক্ষ্যে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী এ. এস. এম. খালেকুজ্জামান ধসে যাওয়া অংশের পরিমাপ সম্পন্ন করেছেন। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটির মূল সংস্কারকাজ শুরু করার আশ্বাস দেন।
জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসন, প্রকৌশল বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এলাকাবাসীকে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ধসে যাওয়া সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়।

নুনগোলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ লুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
নুনগোলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ লুট

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের নুনগোলা গ্রামে রাতের আঁধারে একটি পুকুরে বিষাক্ত ওষুধ দিয়ে সব মাছ ধরে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। লিজ নেওয়া পুকুরে এই বর্বরোচিত চুরির ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ও মৎস্য চাষি মো. কুরমান আলী।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুনগোলা গ্রামের গোপাল সাধুর মালিকানাধীন একটি বড় পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য মো. কুরমান আলী। প্রতিদিনের মতো রোববার রাতেও পুকুরটি স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। কিন্তু রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা পুকুরের পানিতে বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগ করে। এতে পুকুরের সব মাছ নিমিষেই মারা যায় এবং ভেসে ওঠে। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা অধিকাংশ মাছ ধরে নিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার ভোরে স্থানীয় এক ব্যক্তি পুকুরপাড় দিয়ে যাওয়ার সময় মাছ ভেসে উঠতে দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লিজগ্রহীতা কুরমান আলীকে খবর দেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরের ছোট-বড় সব ধরনের মাছ মারা গেছে। এতে তাঁর লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্বশত্রুতার জেরে নাকি কেবলই মাছ চুরির উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইউপি সদস্য মো. কুরমান আলী। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মৎস্য চাষিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বিডিএফ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিডিএফ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ, বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর ও ফিংড়ী (বিডিএফ) প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন কমিটির সভাপতি জি এম আমিনুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরশাদ আলীর কাছে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।
সাবেক সভাপতি মো. শাহাদাৎ হোসেন বাবু, আহ্বায়ক এস এম ইসমাইল হোসেন, সদস্যসচিব মো. মুকুল হোসেন ও সদস্য মো. মেহেদী হাসান শিমুল নতুন কমিটির কাছে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ সময় বিডিএফ প্রেসক্লাবের সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ হাসান, সাধারণ সম্পাদক নাসিম বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. সলেমান মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল আহাদসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।
এ ছাড়া ফয়জুল্যাপুর ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ থেকেও নতুন কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ক্লাবের সভাপতি মো. মোস্তাকিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু ওবায়দা গাজীর নেতৃত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এম এম জাহাঙ্গীর আলম, মো. রাসেল হোসেন রাহী ও এম এ রাসেলসহ সংগঠনের অন্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।