মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

ভূমিকম্প রোধ: আগামী প্রজন্মের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকল্পে দরকার সাজানো পরিবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
ভূমিকম্প রোধ: আগামী প্রজন্মের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকল্পে দরকার সাজানো পরিবেশ

এম শফিকুল ইসলাম

আমাদের দেশে বিগত বছরগুলোতে বেশ কয়টি ছোট ছোট ভূমিকম্পন অনুভূত হয়েছিল। এই ভূমিকম্পের মাত্রা কম হওয়ায় কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশের রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রায় উপরে কোন ভূমিকম্প হলে বাড়িঘর ধ্বংস হওয়ার সাথে সাথে গ্যাস লাইন, বিদ্যুৎ লাইন ও পানির লাইনে বিস্ফোরণসহ বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। ভূমিকম্পের লক্ষণ দেখে অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে, বাংলাদেশে ও একদিন বড় ধরনের ভূমিকম্পে আক্রান্ত হয়ে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

অতীতেও এই অঞ্চলে বেশ বড় ধরনের কিছু ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। প্লেট টেকটোনিক মতবাদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। ইন্ডিয়ান টেকটোনিক প্লেট এর উপরে ইউরেশিয়ান প্লেট এবং পূর্বে বার্মিজ মাইক্রোপ্লেট অবস্থিত। ইন্ডিয়ার প্লেটটি ঘড়ির কাটার বিপরীতে ঘুরে তিব্বত ও হিমালয়ের দক্ষিণ কিনারায় বাঁকা হচ্ছে। এছাড়া বার্মিজ মাইক্রোপ্লেট প্রতিবছর ২০ মি.মি. গতিতে পশ্চিম দিকে এবং ইন্ডিয়ান প্লেট ৫০ মি.মি. গতিতে উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ফলে ইন্ডিয়ান প্লেট বার্মিজ প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের নিচে ঢুকে যাচ্ছে।

 

এ তিন প্লেটের পারস্পরিক সংঘর্ষের ফলেই বাংলাদেশ ভূমিকম্প হচ্ছে। বাংলাদেশের অতি কাছাকাছি রয়েছে ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ ইন্দো অস্ট্রেলিয়া ও এশিয়ান প্লেট। চট্টগ্রাম শহর, কক্সবাজার ও মায়ানমার অবস্থান করছে রাখাইন ফল্ট লাইন, যা এশিয়ান প্লেটের অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এ ফল্ট লাইনের অবস্থা বেশ নাজুক। এ ফল্ট লাইন জাপান ও চীনের প্লেটকে স্পর্শ করে বাংলাদেশের পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগর হয়ে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্তে একবার ভূমিকম্প হয়েছিল। তৎকালীন সরকারের ওয়াইড কর্পোরেশন নামে জাপানি একটি সংস্থার সঙ্গে ভূমিকম্প বিষয়ে কমপ্রিহেনসিভ ডিসস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নামক একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ মায়ানমার সীমান্তে যে কোন সময় ৮ পয়েন্ট পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প হবে। আর কম দূরত্ব হওয়াই চট্টগ্রামের প্রভাব পড়তে পারে ৭.৫ মাত্রা।

 

বাংলাদেশ ও ভারতের পূর্বাঞ্চল এবং মিয়ানমারের কিছু অংশে প্রচন্ড শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হতে পারে। যদি বন্য অঞ্চলটির বিস্তর প্রায় ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার। এতে প্রায় ১৪ কোটি মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রায় ১২ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের একদল বিজ্ঞানী গবেষণা করে এ তথ্য পেয়েছিলেন। ১৯৯৩ সালে জাতীয় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা প্রণয়নের সময় বিশেষজ্ঞরা ভূমিকম্পের ঝুঁকির মাত্রা হিসাব করে দেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছিলেন। সে অনুযায়ী সিলেট, ময়মনসিংহ, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, রংপুরের একাংশ পড়েছে সর্বোচ্চ ঝূকিপূণ অঞ্চলের মধ্যে, রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম পড়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জোনে। বরিশাল খুলনাসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল পড়েছে কোন সুখীপূর্ণ জোনে।

 

কিন্তু তারা ঢাকাকে বিশ্বের কয়েকটি জনবহুল শহরের মধ্যে বিবেচনা করে ভূমিকম্পের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। চলতি মাসের ২২ দিনে অন্তত চারবার নানা মাত্রায় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। কয়েকদিনের মধ্যে বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এরকম একাধিকবার ভূমিকম্পে সর্বসাধারণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সবশেষে বলবো জনগণকে সচেতন হতে হবে। আর জনগণ সতর্ক হলেই বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এজন্য সরকারকে বিভিন্ন কর্মসূচী পরিচালনা করতে হবে। আগামী প্রজন্মের বাসযোগ্য বাংলাদেশ আর নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকল্পে ভূমিকম্পরোধী সাজানো পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

লেখক: নাট্যকর্মী

Ads small one

তানযীমূল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
তানযীমূল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

তানযীমূল উম্মাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত তানযীমূল উম্মাহ হিফয মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা (রাজার বাগান ও বাইপাস) শাখার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬ আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি’ সাতক্ষীরায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাছাড়া অনুষ্ঠানে সারাবছরের মেধা ও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়, পাশাপাশি ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ বৃত্তিপ্রাপ্ত ০৬ শিক্ষার্থীদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

 

এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে দেওয়া হয় শুভেচ্ছা পুরস্কার। পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ছিল কবিতা আবৃত্তি, হামদ, নাত, দেশের গান, জুলাইয়ের গান, কিরাত এবং আরবি, ইংরেজি, বাংলা বক্তৃতা ও নাটিকাসহ প্রাণবন্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশনা উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং পুরো অনুষ্ঠানকে আরও উৎসবমুখর করে তোলে।

 

অনুষ্ঠানে ১ম সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আবুল হাশেম এবং প্রধান আলোচক ছিলেন আগরদাঁড়ী আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার সম্মানিত অধ্যক্ষ ড. মো. রুহুল আমীন। এবং অনুষ্ঠানের ২য় সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মইনুল ইসলাম মইন এবং প্রধান আলোচক ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন তানযীমূল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর এম এম রবিউল ইসলাম। শাখা প্রধান আবু বকর সিদ্দীক, সহকারী প্রধান হাফিজুর রহমান ও মো. হাবীবুল্লাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তানযীমূল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সম্মানিত ডিরেক্টর ও খুলনা জোনের জোনাল ইনচার্জ আ ল ম মাসুম বিল্লাহ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

কপিলমুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

কপিলমুনি (পাইকগাছা) খুলনা: কপিলমুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে ২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয়েছে।

খুলনা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ ওয়ালিদ বিন হাবিব ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান মঙ্গলবার দুুপর ১ টার দিকে কপিলমুনি বাজারের পালপাড়া সড়কে অভিযান চালিয়ে ২টি প্রতিষ্ঠানে এ জরিমান করেন। এসময় তপন মন্ডলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে খাদ্য ও পন্যে নকল প্যাকেজাত করার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৩০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।

 

উত্তম কুমার সাহার কর্ণফুলী টি হাউজে খাদ্য- পন্যে নকল প্যাকেজাত ও ঘন চিনি বিক্রির অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়। অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন, পাইকগাছা উপজেলা স্যনিটারী ও নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা উদয় কুমার মন্ডল।

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, মানুষকে কোন ভাবেই কুখাদ্য খাওয়ানো যাবে না, কোন ভাবেই খাবার বা পণ্যের লেভেল নকল করা যাবে না। এটা অন্যায় ও দন্ডনীয়। এধরণের অপকর্মে লিপ্ত থাকলে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তাঁরা।

ঝাউডাঙ্গা কায়পুত্র ঋষিপাড়ায় বিনামুল্যে ছানি অপারেশন ও চক্ষু চিকিৎসা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
ঝাউডাঙ্গা কায়পুত্র ঋষিপাড়ায় বিনামুল্যে ছানি অপারেশন ও চক্ষু চিকিৎসা

মঙ্গলবার (০৮ আগষ্ট ২০২৬) সকাল ১০টা হতে ঝাউডাঙ্গা কায়পুত্র ঋষিপাড়ায় স্বদেশ সংস্থার উদ্যোগে এবং সেবামুলক সংস্থা সাইট সেভার্স এর সহযোগিতায় খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল খুলনা এর বাস্তবায়নে শতাধিক দরিদ্র দলিত ও অনগ্রসর মানুষের বিনামুল্যে ছানি অপারেশন, চক্ষু চিকিৎসা সেবা ঔষধ ও চষমা বিতরণসহ চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন, খুলনা বিএনএনবি চক্ষু হাসপাতালের পক্ষে এসিস্টেন্ট সার্জন ডাক্তার নাসিম মাহামুদ, আল্আমিন হোসেন, চশমা পরিক্ষক রাশেদুল ইসলাস, ক্যাম্পেইন সহযোগী স্বদেশ সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার দেবজ্যোতি ঘোষ।

 

স্বদেশ সংস্থার নির্বাহি পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত উপস্থিত চিকিৎসা প্রার্থীদের জন্য চলমান সেবা অব্যহত রাখতে আয়োজক সংস্থাগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সাইটসেভার্স, খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল খুলনা, স্বদেশ স্মার্ট হেলথ কেয়ার, সৃজনী মহিলা লোক কেন্দ্র এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠন সমুহকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি