ভোমরা বন্দর জাহাঙ্গীর মার্কেটে ডেঙ্গুর হানা: আক্রান্ত ১৫, চিকিৎসায় অনেকেই সুস্থ
এম শফিকুল ইসলাম: সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর হানা থেকে মুক্তি মিলছে না কোথাও। জেলা শহর থেকে গড়িয়ে শহরতলী গ্রাম ও গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু আতঙ্ক। বন্দর নগর ভোমরার জাহাঙ্গীর মার্কেটে হানা দিয়েছে ডেঙ্গু। মার্কেটের ১৫ জন দোকান মালিক ও কর্মচারী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই সাতক্ষীরার মেডিকেল হাসপাতাল,সদর হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন। আবার কেউ কেউ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জাহাঙ্গীর মার্কেটের নিধি ফ্যাশনের মালিক আব্দুল কাদের জানান,মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সর্বপ্রথম মশা বাহিত ভাই রাগে আক্রান্ত হন। প্রায় ১৫ দিন আগে জ্বরের সঙ্গে শরীরে ভীষণ ব্যাথা হলে ডেঙ্গু সন্দেহে এনএস -১ টেস্ট করান। টেস্ট রিপোর্ট ডেঙ্গু পজেটিভ সনাক্ত হয়। এরপর পরপরই নেওয়া হয় নিবিড় চিকিৎসা সেবা। দীর্ঘ সময় চিকিৎসা নেওয়ার পর এখন তিনি সুস্থ। আব্দুল কাদের বলেন, দুই দিন আগে শরীর ভীষণ খারাপ লাগছিল। একপর্যায়ে রাতে জ্বরে আক্রান্ত হই। দিনে রাতে নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে ঘুমায়। তারপরও কোথা থেকে যে মশা কামড়ালো বুঝতে পারিনি। বন্দর এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাহাঙ্গীর মার্কেটের আশেপাশে জায়গাগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য রয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা।
পরিচ্ছন্নকর্মীর অভাবে আশেপাশের জায়গাগুলোতে তৈরি হয়েছে ঝোঁপ-ঝাড়ে আর ময়লা আবর্জনার স্তুপ। আর এখানে এই বর্ষার পানিতে জমে থাকা নোংরা জায়গা থেকে এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি হচ্ছে। বন্দর এলাকা জুড়ে চলছে ভয়াবহ ডেঙ্গু আতঙ্ক। বিশেষ করে জাহাঙ্গীর মার্কেটের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীরা ডেঙ্গু আতঙ্ক উদ্বিগ্ন। ডেঙ্গু সহ ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন রাহা ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী রায়হান, মোল্লা ভ্যারাইটি সেন্টারের স্বত্তাধিকারী আলামিন ও আলাউদ্দিন, কাপড় ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম, সততা বস্তালয়ের স্বত্তাধিকারী তৌহিদ হোসেন, মাইন ফ্যাশনের মামুন হোসেন, মের্সাস সুমাইয়া ফ্যাশানের আমির হামজা ও হানজালা, মেসার্স সোহানা বস্ত্রালয়ের ফিরোজ হোসেন, মেসার্স জিম ফ্যাশনের আজমির হোসেন, মেসার্স সিটিগোল্ড সেন্টারের অনিত, এবং মেসার্স আলাউদ্দিন বস্ত্রালয়ের শামীম হোসেন। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবাই দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বলে মার্কেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।









