বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষলগ্নে বাইনতলায় বন্ধু-স্বজনদের প্রাণের মেলবন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষলগ্নে বাইনতলায় বন্ধু-স্বজনদের প্রাণের মেলবন্ধন

পত্রদূত ডেস্ক: শারদীয় দুর্গোৎসবের বিদায়লগ্নেও উৎসবে ভাঁটা পড়ে না বাঙালির প্রাণের টানে। আনন্দ আর ভালোবাসার রঙিন আবেশে পুনরায় প্রমাণিত হলো—দুর্গোৎসব কেবল এক ধর্মীয় আচার নয়, এটি বাঙালির সর্বজনীন উৎসব ও মিলনের মহাসমুদ্র।

 

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বাইনতলা গ্রামের প্রয়াত মাস্টার মনিমোহন মণ্ডলের প্রতিষ্ঠিত ‘বাইনতলা সর্বজনীন মা দুর্গা মিলন মন্দির’-এ অনুষ্ঠিত হলো এক অভূতপূর্ব বন্ধু-স্বজনদের মিলনমেলা। ইট-কাঠের যান্ত্রিক জীবনকে পেছনে ফেলে এক বাইনতলা খেয়াঘাটের কাছেই অজপাড়াগাঁয়ের মুক্ত বাতাসে দূর্গাউৎসবের শেষলগ্নে বিকেল বেলা বসেছিল এই নির্ভেজাল প্রাণের আড্ডা। বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখে পুরো আয়োজনে মাতৃত্বের স্নেহে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতী সবিতা রানী মণ্ডল।

 

আয়োজনের সেই আবেগঘন ক্ষণে থার্ড স্পেস জিমের প্রতিষ্ঠাতা লাভলী দাসের প্রফুল্ল ও হাস্যোজ্জ্বল মুখশ্রীর দ্যুতি পুরো মিলনমেলাকে করে তুলেছিল আরও উজ্জ্বল ও ঋদ্ধ; তাঁর সেই স্নিগ্ধ উপস্থিতি যেন উৎসবের প্রাণপ্রবাহে যোগ করেছিল এক অপরূপ নন্দন মাত্রা। মানুষে মানুষে এই অকৃত্রিম আত্মিক টান ও বন্ধুত্বের সৌন্দর্য নিয়ে রুশ সাহিত্যের কালজয়ী লেখক টলস্টয় বলেছিলেন—“জীবনের একমাত্র সত্য সুখ হলো অন্যের জন্য বাঁচার এবং আপন মানুষদের সাথে হৃদয়ের সেতু গড়ে তোলার মধ্যে।”বাইনতলার এই প্রীতি সম্মিলন যেন টলস্টয়ের সেই কথারই এক বাস্তব প্রতিফলন।

 

উৎসবের এই শেষ লগ্নে বন্ধুদের একঝাঁক প্রতিভাবান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে আড্ডাটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর। ঢাকার পিজি হাসপাতাল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুশান্ত মণ্ডল বলেন, “গ্রামের শিকড়ে ফিরে বন্ধু-স্বজনদের এই হাসিমুখগুলোই জীবনের আসল শক্তি।”

 

ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রাসেদ আহমেদ খোকা আবেগভরে বলেন, “আজকের এই আন্তরিকতা প্রমাণ করে দুর্গোৎসব সত্যিই আমাদের এক সুতোয় বাঁধে।” বিএনপি নেতা মশিউল হুদা তুহিন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “পলিটিক্যাল বা সামাজিক পরিচয় ভুলে এমন প্রাণের মেলবন্ধন সত্যি দুর্লভ ও আশ্চর্য সুন্দর।” আশাশুনি সরকারি কলেজের জাকির হোসেন বলেন, “শহুরে কোলাহল পেরিয়ে এমন খোলামেলা আলোচনা আমাদের মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়।”

 

ব্যবসায়ী আবিদ এ আজাদ মন্তব্য করেন, “শারদীয়ার বিদায়লগ্নে এত ভালোবাসার সমাগম সত্যি স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকবে।” আশাশুনি পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তুষার কান্তি বসু বলেন, “গ্রামের মাটিতে প্রতিমা বিসর্জনের ভিড়েও বন্ধুত্বের এমন প্রীতি সম্মেলন উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।”

 

উৎসবের আনন্দ যে মানুষকে কাছাকাছি এনে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে, তা উঠে এসেছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চরণেও—“মিলনের এই গভীর রসটিই আনন্দের মূল কথা; সেখানে সকল পার্থক্য ভুলে মানুষ মানুষের বুকে টেনে নেয়।”

 

একইভাবে ভেদভাব ভুলে মানুষের এই প্রীতি ও সৌহার্দ্যের জয়গান গেয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন—“মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান।/ তোমায়-আমায় ভালোবাসা নাই কোনো দিন হবে না মান।”

 

গ্রামের প্রত্যন্ত কোণে অনুষ্ঠিত এই প্রাণবন্ত আলোচনা ও নিখাদ আন্তরিকতা উপস্থিত গ্রামবাসীকে মুগ্ধ ও আপ্লুত করে তোলে। বিজয়ার সুরের মাঝেও এমন উষ্ণ আড্ডা মানুষকে কতটা কাছে টানতে পারে এবং সাধারণ এক দিনকে কতটা অসাধারণ করে তুলতে পারে, বাইনতলার এই মিলনমেলা তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।

Ads small one

গাবুরার মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক, জলদস্যু দমনের দাবী এলাকাবাসীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
গাবুরার মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক, জলদস্যু দমনের দাবী এলাকাবাসীর

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরার দৃষ্টিনন্দন এলাকায় চলমান মেগা প্রকল্পের কাজ ও গুণগত মান পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক জনাব কওসার আজিজ। এ সময় সুন্দরবনে জলদস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা, সুপেয় পানি ও শিক্ষাব্যবস্থাসহ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টায় ১৭৩ নং সোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জামান কনক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর শরীফ ফাহাদ, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাছুদুল আলমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাছুদুল আলম, মাস্টার আবু তালেব সাগর, আমজিয়াদ হোসেন ও ইকবাল হোসেন মন্টু। তাঁরা সুন্দরবনে জলদস্যুদের বেপরোয়া তৎপরতা, আত্মসমর্পণের পরও পুনরায় ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়া এবং জলদস্যু দমনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সুন্দরবন ও উপকূলীয় জনপদের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তাঁরা।

এ ছাড়া গাবুরার চলমান মেগা প্রকল্পের রাস্তার সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণ, সড়কের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের নকশা ও ডিজাইন জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান বক্তারা। প্রকল্পের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন, নিয়মিত তদারকি এবং নির্মাণকাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

সভায় সুপেয় পানি সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসাসুবিধা বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ, খেলার মাঠ সংরক্ষণ, ভূমিহীনদের বসতির ব্যবস্থা এবং দৃষ্টিনন্দন এলাকার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি অসমাপ্ত খাল খনন এবং মেগা প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের গুণগত মান নিয়েও আলোচনা হয়।

স্থানীয়দের বক্তব্য শোনার পর জেলা প্রশাসক কওসার আজিজ সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে গাবুরার সুপেয় পানির সংকট নিরসন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং এলাকায় পর্যাপ্ত স্কুল না থাকায় নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

চলমান মেগা প্রকল্পের সড়ক নির্মাণকাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও গুণগত মান বজায় রাখার বিষয়েও আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

 

 

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ গাজীপুর ও কুশখালি বিওপি টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মদ ও ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির বিশেষ আভিযানে কুশখালির আমতলা হতে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও, গাজীপুর বিওপির বিশেষ আভিযানে বেলতলা হতে ৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মদ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবির এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

চাম্পাফুলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
চাম্পাফুলে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান

সাতক্ষীরা জেলার চাম্পাফুল আ. প্র. চ. মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবসেবামূলক সংগঠন ‘আমরা’।

‘ফুলের মতো ফুটবে মোরা, আলোর ন্যায় ছুটবো। জ্ঞানের আলো সাথে নিয়ে দেশটাকে গড়বো’-স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক উপহার দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির সিনিয়র অফিসার তরুণ কুমার বিশ্বাস। এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার ঘোষ, সহকারী শিক্ষক আবু হাসান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও উপদেষ্টা আসাদুল্লাহ আল মাসুদ ও মুছান্না গালীব, সংগঠনটির সভাপতি পারভেজ মোশাররফ, সাধারণ সম্পাদক জিসান আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। গিফট স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ‘তারিক আইটি সার্ভিসে’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন শেখ নূর মোহাম্মদ।

এসময় বক্তারা বলেন, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ ধরে রাখতে হবে। অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।

প্রধান অতিথি তরুণ কুমার বিশ্বাস বলেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে বর্তমান শিক্ষার্থীরা আরও ভালো করার সুযোগ পাবে। এ ধরনের নেটওয়ার্ক জুনিয়রদের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ক্যারিয়ার গঠনে দিকনির্দেশনা দিতে পারে। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ফোকাস চ্যালেঞ্জ’ গেম অনুষ্ঠিত হয়। আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ আয়োজন কৃতী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি