বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সাইফের পর দ্রুত ফিরলেন সৌম্যও

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
সাইফের পর দ্রুত ফিরলেন সৌম্যও

দ্বিতীয় ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ৫ ওভারে ৩৪/২ (তানজিদ ১৭*, শান্ত ৪*; সাইফ ৮, সৌম্য ৮)

নিউজিল্যান্ড ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮/১০ (স্মিথ ১৮*; নিকোলস ১৩, ইয়াং ২, ল্যাথাম ১৪, আব্বাস ১৯, কেলি ৮৩, ক্লার্কসন ৬, ফক্সক্রফট ১৫, টিকনার ১২, লেনক্স ০, রুর্ক ৬)

১৯৯ রানের লক্ষ্যে শুরুতেই চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। ২১ রানের মধ্যে হারিয়েছে দুই উইকেট। প্রথম ওভারেই নাথান স্মিথের শেষ ডেলিভারিতে বোল্ড হন হাত খোলার চেষ্টায় থাকা ওপেনার সাইফ হাসান (৮)। তার পর একইভাবে আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন সৌম্য সরকারও। কিন্তু চতুর্থ ওভারের শেষ বলে ও’রুর্কের বলে আপার কাট করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ৮ রানে।

১৯৮ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দারুণ বোলিংয়ে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে গেছে নিউজিল্যান্ড। সিরিজে ফিরতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য এখন ১৯৯ রান।

বল হাতে মূল সর্বনাশটা করেছেন পেসার নাহিদ রানা। ৩২ রানে এক মেডেনে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। দুটি ৩২ রানে দুটি নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। তিনিও একটি মেডেন দিয়েছেন। একটি করে নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেন।

রানা তিনবার ওভারের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে প্রভাব ফেলেন। শুরুতে প্রথম পাওয়ারপ্লেতে নেন দুটি উইকেট, এরপর ২৯তম ওভারে আরেকটি। শেষদিকে তৃতীয় পাওয়ারপ্লেতে আরও দুটি উইকেট শিকার করে ইনিংস শেষ করেন।

ফিল্ডিংয়েও দারুণ পারফরম্যান্স দেখায় বাংলাদেশ। একাধিক সিঙ্গেল বাঁচানোর পাশাপাশি ডিপে কয়েকটি নিশ্চিত চার ঠেকিয়ে কিউইদের রান আটকেছে তারা। উইকেটকিপার লিটন দাস নেন দুটি চমৎকার ক্যাচ, আর তাওহীদ হৃদয় নেন তিনটি! যার মধ্যে ৪৯তম ওভারে লং-অনে ডাইভ দিয়ে নেওয়া ক্যাচটি ছিল নিউজিল্যান্ডের শেষ উইকেট।

ব্যাট হাতে একার লড়াইটা করেছেন ওপেনার নিক কেলি। ১০২ বলে ৮৩ রান করেছেন তিনি। বাকিরা সেভাবে বাংলাদেশের বোলিংয়ে দাঁড়াতেই পারেনি।

নাহিদের পঞ্চম শিকার লেনক্স

শুরু থেকে নাহিদ রানার পেস বিপদে ফেলেছে কিউইদের। শেষটাতে এসেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ৪৬তম ওভারে তার পঞ্চম শিকার হয়েছেন জেইডেন লেনক্স। নতুন ব্যাটারকে একেবারে বোল্ড করেছেন তিনি। নিউজিল্যান্ড নবম উইকেট হারায় ১৮৩ রানে। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার পাঁচ উইকেট পেলেন নাহিদ।

শরিফুলের আঘাতে পড়লো কিউইদের অষ্টম উইকেট

উইকেট পড়তে থাকায় রান বাড়িয়ে নেওয়ার তাড়া দেখা যায় ব্লেয়ার টিকনারের। কিন্তু তাতে সফল হতে পারেননি। ৪৪.৫ ওভারে শরিফুলের বলে মেরে খেলতে গেলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ১২ রানে। তাতে ১৮২ রানে অষ্টম উইকেট পড়েছে সফরকারীদের।

নাহিদ রানার চতুর্থ শিকার ফক্সক্রফট

দিনে টানা তৃতীয়বার প্রথম বলে আঘাত হেনে উইকেট নিলেন নাহিদ রানা। তাতে অবশ্য মোট চতুর্থবার উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনি। শেষ দিকে এসে ৪৩তম ওভারে তার শিকার হয়েছেন ডিন ফক্সক্রফট। পুল করতে গিয়ে ১৫ রানে হৃদয়ের হাতে ধরা পড়েছেন কিউই ব্যাটার। তাতে ১৬৪ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ডের।

কেলির আউটের পর ক্লার্কসনকে ফেরালেন রিশাদ

সতীর্থরা ব্যর্থ হলেও শুরু থেকে প্রান্ত আগলে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন ওপেনার নিক কেলি। ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন। এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকেও। ৩৭তম ওভারে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ানো কেলিকে থামিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। তাকে হৃদয়ের ক্যাচ বানান তিনি। কেলি আউট হন ৮৩ রানে। তার বিদায়ে ১৪৫ রানে পড়েছে পঞ্চম উইকেট। পাশাপাশি ভেঙেছে ফক্সক্রফটের সঙ্গে কেলির ৩৭ রানের জুটি।

পরের ওভারে নতুন নামা ক্লার্কসন রিশাদের বলে চার মারলেও থিতু হতে পারেননি। রিশাদের ঘূর্ণিতে ৬ রানে থেমেছেন কিউই ব্যাটার। মেহেদী হাসান মিরাজকে সহজ ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ৬ রানে। যার ফলে টানা দ্বিতীয় ওভারে আরও একটি উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

আব্বাসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন রানা

তৃতীয় উইকেট পতনের পর চাপে পড়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে ভালোই সামাল দিচ্ছিলেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। তাদের জুটিতেই স্কোর একশ ছাড়িয়েছে। চতুর্থ উইকেটে ৫৬ রান যোগ করেন তারা। ২৯তম ওভারে আবারও আক্রমণে এসে এই জুটি ভেঙে তৃতীয় উইকেট তুলে নিয়েছেন নাহিদ রানা। তার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে লিটনের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস। ফেরার আগে ৩৪ বলে ১৯ রান করেছেন তিনি।

কেলির ফিফটিতে একশ ছাড়িয়েছে নিউজিল্যান্ড

৫২ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর জুটি গড়েছেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে এই জুটি। যার মূল দায়িত্বটা সামলাচ্ছেন কেলি। ৬৬ বলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি। তাদের জুটিতে ভর করে ২৭ ওভারে একশ ছাড়িয়েছে নিউজিল্যান্ড।

ল্যাথামকে ফেরালেন সৌম্য

কিউইদের রানই নিতে দেয়নি বাংলাদেশ। ২৮ রানে দুই উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন ল্যাথাম ও কেলি। ২৪ রান যোগ করেন তারা। ১৮তম ওভারে দলীয় ফিফটির পরই সৌম্য সরকারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অধিনায়ক ল্যাথাম (১৪)। ৫২ রানে তৃতীয় উইকেটের পতনে আরও চাপে পড়েছে সফরকারী দল।

টানা দ্বিতীয় ওভারে নাহিদের আঘাত

অষ্টম ওভারের পর দশম ওভারে আবারও আঘাত হেনেছেন নাহিদ রানা। এবারও উইকেট নেন প্রথম বলে। তার গতি আর বাউন্সের কাছে পুরোপুরি পরাস্ত হন নতুন ব্যাটার উইল ইয়াং। বলটা সামলাতে পারেননি। ব্যাটে স্পর্শ করে চলে যায় সৌম্য সরকারের হাতে। ইয়াং বিদায় নেন ২ রানে। নিউজিল্যান্ড তাদের দ্বিতীয় উইকেট হারায় ২৮ রানে।

আক্রমণে এসেই নাহিদের উইকেট

টস জিতে ব্যাট করতে নামলেও কিউইদের দুই ওপেনারকে সহজে রান দেননি পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। নিখুঁত লাইন লেংথে বল করে সফরকারী ব্যাটারদের হতাশ করেছেন। তাতে ৭ ওভারে স্কোর ছিল বিনা উইকেটে ২৫। অষ্টম ওভারে প্রথম আক্রমণে এসে ব্রেক থ্রু এনে দেন পেসার নাহিদ রানা। ওপেনার হেনরি নিকোলসকে প্রথম বলেই এলবিডাব্লিউতে ফেরান তিনি। নিকোলস ২৬ বলে সাজঘরে ফিরেছেন ১৩ রানে। নিউজিল্যান্ড প্রথম উইকেট হারায় ২৫ রানে।

আবারও টস হেরেছে বাংলাদেশ, একাদশে সৌম্য

প্রথম ওয়ানডের মতো দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও টস ভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। টস জিতে আবারও ব্যাটিং নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তার মানে এই গরমে আবারও ফিল্ডিং করতে হবে স্বাগতিক বাংলাদেশকে। ম্যাচ যথারীতি শুরু হচ্ছে সকাল ১১টায়। দেখাবে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি।

প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশ ২৬ রানে হেরেছে। তাই এই সিরিজ বাঁচাতে এই ম্যাচ জিততে মরিয়া স্বাগতিকরা। তার ওপর এই ম্যাচটা আবার লিটন দাসের শততম ওয়ানডে।

প্রথম ওয়ানডেতে ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিংটা খুবই বাজে করেছে বাংলাদেশ। ৩৭ রানে হারিয়েছে শেষ ৬ উইকেট। গুটিয়ে যায় ২২১ রানে। এই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ভালো করার বিকল্প নেই।

একাদশে কারা

গত ম্যাচ থেকে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। বাদ পড়েছেন আফিফ হোসেন, তার জায়গায় এসেছেন সৌম্য সরকার। নিউজিল্যান্ড অবশ্য অপরিবর্তিত দল নিয়ে খেলছে।

বাংলাদেশ একাদশ: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন, লিটন দাস (উইকেটকিপার), তাওহীদ হৃদয়, সৌম্য সরকার, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।

নিউজিল্যান্ড একাদশ:
উইল ইয়াং, টম ল্যাথাম (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), হেনরি নিকোলস, নিক কেলি, মোহাম্মদ আব্বাস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার, উইলিয়াম ও’রুর্ক ও জেইডেন লেনক্স।

Ads small one

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে পৃথক চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় সাড়ে ১৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (১৭ জুন) সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপি ও বিশেষ ক্যাম্পের টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা, ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩৩ বিজিবির অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, সুলতানপুর, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের পৃথক আভিযানিক দলগুলো নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযানে নামে।


ভোমরা বিওপির একটি বিশেষ দল সীমান্ত পিলার ২/৬-এস থেকে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানার আনসারের মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা জব্দ করে।
কাকডাঙ্গা বিওপির দুটি পৃথক দল কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি এলাকা থেকে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করে।
মাদরা বিওপির দল উত্তর ভাদিয়ালি থেকে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং হিজলদী বিওপির দল বড়ালি এলাকা থেকে ১ লক্ষ ১২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল পার্টস উদ্ধার করে।
সুলতানপুর বিওপির সদস্যরা কলারোয়া থানার বর্মিতলা থেকে ৭০ হাজার টাকার ওষুধ এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের একটি দল সাতক্ষীরা সদরের কামারবাইশা এলাকা থেকে ৩ লক্ষ ৯০০ টাকা মূল্যের মোবাইল পার্টস জব্দ করতে সক্ষম হয়।


সব মিলিয়ে অভিযানে সর্বমোট ১৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল আটক করা হয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান (ওএসপি, পিএসসি) জানান, চোরাকারবারিরা শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এসময় বিজিবি সদস্যরা এসব মালামাল জব্দ করে।

শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফ্যামিলি কিটবক্স বিতরণ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বুধবার (১৭ জুন)উপজেলার সুবিধা বঞ্চিত ও কেস ম্যানেজমেন্টকৃত শিশু ও তার পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে চাইল্ড সেনসিটিভ সোসাইল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ ফেইজ-২ এর সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের একশত শিশু ও তার পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দোলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন সমাজে পিছিয়ে পড়া ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশুদের সুরক্ষা,শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো কাজ করছে। ফ্যামিলি কিট বক্স বিতরণের মাধ্যমে এসব পরিবারে প্রয়োজনীয় সহায়তার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা

সংবাদদাতা: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক ও জনবান্ধব করতে সাতক্ষীরা পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লেকভিউ রিসোর্টে উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে বুধবার সকালে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ২৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল পৌরসভার প্রতিনিধিদের রূপকল্প প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও বাজেট প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যাতে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ, টেকসই ও জনগণমুখী হয়ে ওঠে। কর্মশালায় পৌরসভার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রক্রিয়া, স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালার বাধ্যবাধকতা এবং বাস্তবায়ন কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি পরিস্থিতি বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদা নিরূপণ এবং তা উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট রঞ্জন কুমার ঘোষ এবং স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট এক্সপার্ট সাঈদ মাহাদি। তারা অংশগ্রহণকারীদের স্থানীয় সরকার কাঠামোর গুরুত্ব, আইনগত বিষয়াবলি, উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কর্মশালার সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন রূপান্তরের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কোঅর্ডিনেটর মোছা. জোহুরা খাতুন মীরা। দলীয় আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি প্রাণবন্ত ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম. এম. নুর আহমদ, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানসহ পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের প্রশাসনিক ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রূপকল্প প্রণয়নের প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও বাস্তবমুখী করা সম্ভব হবে।