বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় নদীকৃত্য দিবস পালিত দখল-দূষণমুক্ত জীবন্ত নদীর দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নদীকৃত্য দিবস পালিত দখল-দূষণমুক্ত জীবন্ত নদীর দাবি

সংবাদদাতা: “নদী বাঁচাও-প্রকৃতি ও মানুষ বাঁচাও” এবং “দখল-দূষণমুক্ত প্রবাহমান জীবন্ত নদী চাই”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব নদীকৃত্য দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরী হলরুমে দিবসটি উপলক্ষে এক সুধি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উন্নয়ন সংগঠন এএলআরডি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বেলা, স্বদেশ, হেড, সামস, সিডো, সুশীলন, উত্তরণ, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, অর্জন ফাউন্ডেশন, ক্রিসেন্ট, নবদিগন্ত ফাউন্ডেশন, সৃজনী মহিলা লোক কেন্দ্র, আশা লোককেন্দ্র, উদ্দীপ্ত মহিলা সংস্থা, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এবং সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির যৌথ আয়োজনে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন বাপা সাতক্ষীরার সাধারণ সম্পাদক ও ‘স্বদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত। অনুষ্ঠানে লিখিত ধারণা পত্র পাঠ করা হয়।

সভায় অতিথি ও মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডেইলি স্টার-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, বন কর্মকর্তা আও সফর রহমান, শিক্ষাবিদ কৃষ্ণপদ সরকার, প্রফেসর ইদ্রিস আলী এবং পরিবেশ কর্মকর্তা আশরাফ আলী। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আবু জাফর সিদ্দিকী, বজলুর রহমান, আব্দুস সামাদ, মফিজুল ইসলাম, যুব নেতা আব্দুর রহমান, আনিস নূর খান বাবুল প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নদী একটি দেশের ভূপ্রকৃতি, পরিবেশ, অর্থনীতি ও জীবন-জীবিকার অবিচ্ছেদ্য অংশ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সাতক্ষীরায় কপোতাক্ষ, বেতনা, মরিচ্চাপ, খোলপেটুয়া, ইছামতি, কালিন্দী, কাকশিয়ালী ও রায়মঙ্গলসহ বহু নদ-নদী প্রবহমান। কিন্তু অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ, পলি জমা, দখল, দূষণ, তীব্র জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার কারণে এসব নদী ও জলপ্রবাহের স্বাভাবিক গতিপথ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এর ফলে স্থানীয় কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও সামগ্রিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সভায় নদী ও পরিবেশ রক্ষায় ৮ দফা সুপারিশ উত্থাপন করা হয়: নদী ও খালকে অতিদ্রুত দখলমুক্ত করা। নদী ও জলপ্রবাহকে দূষণমুক্ত রাখা। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধার করা। জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা। নদী, খাল ও জলাভূমির পরিবেশগত ভূমিকা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় নদীকেন্দ্রিক অভিযোজন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। নদী রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। নদী ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ জোরদার করা।

অতিথি বক্তারা বলেন, “সাতক্ষীরার নদী শুধু একটি জলপ্রবাহ নয়, এটি এ অঞ্চলের প্রকৃতি ও মানচিত্রের প্রাণস্পন্দন। নদীকে বাঁচানোর অর্থ তার তীর, সংযোগ খাল, জীববৈচিত্র্য ও নদীনির্ভর মানুষের জীবনকে রক্ষা করা। দখল ও দূষণমুক্ত জীবন্ত নদী নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সাতক্ষীরার নদী বাঁচলে, বোন পরিবেশ প্রাণ ও প্রকৃতি বাঁচবে, বাঁচবে সাতক্ষীরার ভবিষ্যৎ।”

 

Ads small one

খুলনায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
খুলনায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

উপআঞ্চলিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ (বুধবার) সকালে খুলনা জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

প্রধান অতিথি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি একটি মেধাবী ও সুস্থ জাতি গঠনে শিক্ষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ক্রীড়া ও স্বাস্থ্য শিক্ষা। শারীরিক সুস্থতা ও সুন্দর দেহ গঠনের পাশাপাশি মানুষের মন এবং মস্তিষ্ককে সচল ও প্রাণবন্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তাই তরুণ সমাজকে সুনাগরিক ও আগামী দিনের যোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে পড়ালেখার পাশাপাশি মাঠের ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার বাছাইকৃত ক্রীড়াবিদরা অংশ নিয়েছেন। এখান থেকে যারা সফল ও বিজয়ী হবেন, তারা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় খেলার যোগ্যতা অর্জন করবেন। খুলনা অঞ্চল ক্রীড়াবিদ তৈরির একটি উর্বর ভূমি। এখানে অনেক দক্ষ ক্রীড়াবিদ রয়েছেন এবং এই আয়োজন থেকে আগামীতে দেশের জন্য আরও বড় বড় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বেরিয়ে আসবে। একই সাথে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সকল ক্রীড়াবিদকে নিজেদের সর্বোচ্চ নৈপুণ্য ও প্রতিভা প্রকাশ করার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান ও জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালক মো: কামরুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। বিভাগের ১০ জেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় থেকে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

কলারোয়ার খোরদো বাওড়ে গাছের চারা রোপণ করলেন জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার খোরদো বাওড়ে গাছের চারা রোপণ করলেন জেলা প্রশাসক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কপোতাক্ষ খোরদো বাওড় এলাকায় এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গাছের চারা রোপণ করেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিস কাউসার আজিজ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চারা রোপণ কার্যক্রমে অংশ নেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।

বৃক্ষরোপণকালে জেলা প্রশাসক মিস কাউসার আজিজ বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা এবং প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। খোরদো বাওড় এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য সুন্দর রাখতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম বাওড় এলাকাসহ সমগ্র উপজেলায় সবুজায়ন প্রসারে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজ নিজ উদ্যোগে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করার আহ্বান জানান। উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, বাওড় পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। জুলফিকার আলী কলারোয়া থেকে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজে পরিস্কার-পরিছন্ন অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজে পরিস্কার-পরিছন্ন অভিযান

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় “নিজ আঙ্গিনা পরিস্কার রাখি,সবাই মিলে সুস্থ থাকি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিরোধে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের উদ্যোগে কলেজের আঙ্গিনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্ধোধন করা হয়েছে।

বুধবার সকালে উক্ত উদ্বোধনী কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বিশিষ্ট ডাঃ আব্দুল মজিদ। সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ।

এছাড়াও বিএনপি নেতা তুষার কান্তি মন্ডল, সেলিম রেজা লাকী, কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুসফেকা হুমায়ুন কবির পিন্টু, মোঃ শফিকুল ইসলামসহ সকল শিক্ষকবৃন্দ। উক্ত উদ্বোধনী কার্যক্রমে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন।

এ সময় প্রধান অতিথি ডাঃ আব্দুল মজিদ বলেন, পাইকগাছায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি ঘটছে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের সকালের বাড়ী- ঘর ও পরিবেশ পরিস্কার পরিছন্ন রাখতে হবে। প্রসঙ্গত, কার্যক্রম উদ্বোধনীর মধ্যে দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের চারপাশ পরিস্কার পরিছন্ন করা হয়।