রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নূরনগর ইউনিয়ন নির্বাচনে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
নূরনগর ইউনিয়ন নির্বাচনে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: আসন্ন নূরনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফাকে নূরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে নূরনগরের তানভীর কনভেনশন সেন্টারে ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শেখ লিয়াকত হোসেন বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল, উপজেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক এস এম ফজলুল হক, মাওলানা মইনুদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সাঈদী হাসান বুলবুল এবং উপজেলা শুরা সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Ads small one

কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। এক দিন আগে বাড়ানোর পর এবার ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮৪৭ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০৭ টাকা।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

রবিবার সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ২০ হাজার ১৬০ টাকা গ্রাম

বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ২০ হাজার ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি হিসেবে এর দাম দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৭ টাকা।

এছাড়া ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৯ হাজার ২৫৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৬ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৩ হাজার ৫০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অলংকারের নকশা অনুযায়ী এর সঙ্গে মজুরি যোগ হবে।

রুপার দামও কমেছে

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৪৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক দিন আগে বাড়ানো হয়েছিল দাম

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বাড়তি দাম কার্যকর হয়।

তখন ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০ হাজার ৩৫০ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম ১৯ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৬ হাজার ৬৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১৩ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাজুস জানিয়েছিল, তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার দাম বেড়ে যাওয়ায় ওই দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল।

এর মাত্র এক দিন পরই তেজাবি স্বর্ণের দাম কমার কারণে আবারও নতুন দাম নির্ধারণ করলো সংগঠনটি।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তারও আগে ৩১ আগস্ট একই মানের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমানো হয়। ২৯ আগস্টও ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমেছিল ৭ হাজার ১১৫ টাকা।

ফলে আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে কয়েক দফা স্বর্ণের দাম কমার পর সেপ্টেম্বরের শুরুতে এক দফা বাড়ানো এবং আবারও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

বিক্রির ক্ষেত্রে আলাদা করে ভ্যাট নেওয়া যাবে না

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী নির্ধারিত মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

অলংকার বিনিময়ের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দেওয়ার পর ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এসব ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই নতুন দাম কার্যকর থাকবে।

ডিভোর্স হয়েছে সৃজিত-মিথিলার? ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতা নিজেই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
ডিভোর্স হয়েছে সৃজিত-মিথিলার? ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতা নিজেই

টলিউডের অন্যতম চর্চিত ও সফল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও বাংলাদেশি অভিনেত্রী মিথিলার দাম্পত্যকে কাঁটাতার আষ্টেপৃষ্ঠে ধরেছিল অনেক আগেই। এবার নাম না ধরেও সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিলেন পরিচালক নিজেই। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় টকশো অনুষ্ঠান ‘স্ট্রেইট আপ উইথ শ্রী’-তে উপস্থিত হয়ে নিজের অতীত সম্পর্ক, সাবেকদের সঙ্গে বর্তমান বন্ধুত্ব এবং নিজের একাকিত্ব নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বললেন পরিচালক।

সাক্ষাৎকারে এক প্রশ্নের জবাবে সৃজিত সরাসরি জানান, জীবনের এই বয়সে এসে তিনি ‘স্টেবল পার্টনারশিপ’ বা স্থায়ী সঙ্গীর অভাব বোধ করেন।

সৃজিত ও মিথিলার বিয়ের পর প্রায় ছয় বছর কেটেছে। সেভাবে গুছিয়ে সংসার কোনোদিনই করেননি দুজনে। গত তিন বছরে বারবার তাদের বিচ্ছেদ চর্চায় উঠে এসেছে। এদিন সরাসরি মিথিলার প্রসঙ্গ না উঠলেও জীবনে যে কোনও ‘স্থায়ী সঙ্গী নেই’ তা স্পষ্ট করলেন নির্মাতা নিজেই।

তবে কি সৃজিত আর মিথিলার সম্পর্ক আগেই ভেঙেছে? পরিচালকের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি অনুগামীদের মনে সেই সম্পর্কে চিড় ধরা বা পরোক্ষ বিচ্ছেদের জল্পনাকেই নতুন করে উসকে দিলো।

এ সময় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় কিংবা ঋতাভরী চক্রবর্তীর মতো সাবেকদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেও তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগের কথা স্বীকার করে নেন সৃজিত। এখানেই শেষ নয়, সৃজিতের কথায়- সুস্মিতা (চট্টোপাধ্যায়) একটা সময় তার খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। পরিচালকের সঙ্গে কি তার প্রেম ছিল? উত্তরে সৃজিত বলেন, ‘সব সম্পর্কের লেবেল হয় না। ও আমার খুব ঘনিষ্ঠ ছিল, আমরা এক্সট্রিমলি ক্লোজ ছিলাম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ঘনিষ্ঠতা মুছে গিয়েছে, এখন আর আমরা অতটা ক্লোজ নই। তবে একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে জীবন একটা জার্নি, অনেকে ট্রেন থেকে কয়েকটা স্টেশন পর নেমে যায়। সুস্মিতাও নেমে গিয়েছে, হয়তো অন্য কোনও ট্রেন ধরেছে’।

সম্পাদকীয়/ ডেঙ্গু ও সংক্রামক রোগের ব্যাপ্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ ডেঙ্গু ও সংক্রামক রোগের ব্যাপ্তি

দেশজুড়ে মশার উপদ্রব এবং ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব এখন আর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। রাজধানী থেকে শুরু করে তা গ্রাম ও দূরবর্তী প্রান্তিক অঞ্চলেও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সম্প্রতি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য ও আঞ্চলিক প্রতিবেদনের চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাতক্ষীরা জেলায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সাতজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং জেলাজুড়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৪ জন। অন্যদিকে খুলনার পাইকগাছায় কেবল ডেঙ্গুই নয়, পাশাপাশি হামের মতো মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধির প্রাদুর্ভাব একই সাথে দেখা দেওয়ায় সার্বিক জনস্বাস্থ্য নতুন এক সংকটের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। এই চিত্রগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে থাকা স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি স্পষ্ট পূর্বাভাস।

মৌসুম অনুযায়ী প্রতিবছরই আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। চলতি বছরেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি; বরং আগস্ট মাসে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙেছে। ডেঙ্গুর ঝুঁকি নিয়ে আগাম সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও তা মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপ এখনো গতানুগতিক পন্থায় সীমাবদ্ধ। লার্ভিসাইড ছেটানো কিংবা লোকদেখানো রাসায়নিকের ধোঁয়া প্রয়োগের যে পুরোনো চর্চা দেখা যায়, তা দিয়ে উড়ন্ত এডিস মশা ধ্বংস বা সংক্রমণ শৃঙ্খল ভাঙা পুরোপুরি অসম্ভব। ডেঙ্গুর সঙ্গে যখন হামের মতো উচ্চ সংক্রামক রোগ যুক্ত হয়, তখন বিশেষ করে প্রান্তিক ও নি¤œআয়ের পরিবারের শিশু ও রোগীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ে।

সংকট সমাধানে সরকারের প্রথম ও প্রধান কাজ হওয়া উচিত মশা নিধনে কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ বা ক্র্যাশ অভিযান পরিচালনা করা। পার্শ্ববর্তী দেশ বা অঞ্চলের সফল উদাহরণগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জনস্বাস্থ্যের এই জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপই সাফল্য এনে দিয়েছে। শুধু সরকারি স্বাস্থ্য খাত কিংবা স্থানীয় সরকারের কর্মীদের একক প্রচেষ্টায় এই প্রাদুর্ভাব থামানো সম্ভব নয়। প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রশাসনিক এলাকায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষকে যুক্ত করে এডিস মশার প্রজননস্থলÑযেমন জমে থাকা পানি, ডাবের খোসা ও টব নিয়মিত পরিষ্কারের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও সহজলভ্যতা। জটিলতা বাড়ার পর রোগীকে শহরের বড় হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রবণতা বন্ধ করতে হলে একদম প্রাথমিক পর্যায় অর্থাৎ ইউনিয়ন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বিনামূল্যে দ্রুত ডেঙ্গু ও হাম শনাক্তকরণের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেকেই পরীক্ষার খরচের ভয়ে কিংবা অজ্ঞতার কারণে সময়মতো চিকিৎসা নিতে আসেন না, যার ফলে শেষ মুহূর্তে জটিলতা নিয়ে এসে জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরি সার্ভিস বা বাড়ি বাড়ি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রাথমিক টেস্ট নিশ্চিত করা দরকার।

সর্বোপরি, এই স্বাস্থ্যসংকট সাধারণ ও নি¤œআয়ের মানুষের ওপর যে মারাত্মক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করছে, সেদিকে রাষ্ট্রকে মানবিক নজর দিতে হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, সংক্রামক রোগ বা আইসিইউভিত্তিক চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে বহু পরিবার সঞ্চয় হারিয়ে চূড়ান্ত ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্রে সংক্রামক রোগ ও মহামারিজনিত স্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতিতে নাগরিকদের চিকিৎসার দায়ভার সরকারের এড়ানো উচিত নয়।

উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে থাকা সমাজকল্যাণ দপ্তরের তহবিল থেকে দরিদ্র রোগীদের তাৎক্ষণিক পথ্য ও ওষুধ সরবরাহের আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে।
সেপ্টেম্বর পার হয়ে অক্টোবর-নভেম্বরে ডেঙ্গুর এই বিস্তার যাতে কোনোভাবেই আর ভয়াবহ ট্র্যাজেডিতে রূপ না নেয়, সে জন্য এখনই জরুরি ভিত্তিতে সমন্বিত মশক নিধন অভিযান এবং দোরগোড়ায় সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জোরালো তাগিদ দিচ্ছি। সময়মতো সচেতনতার বর্ম পরতে না পারলে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে আরও বড় মূল্যে এই গাফিলতির মাশুল দিতে হবে।