ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম
* ব্রাশ করার পর সঙ্গে সঙ্গে কিছু খাবেন না।
* ব্রাশ করা হয়ে গেলে কিছুক্ষণ দাঁতকে বিশ্রাম দিয়ে তারপর খাবার খাবেন।
* ব্রাশ করার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না, সময় নিয়ে যত্ন করে ব্রাশ করুন।
আপনার মুখের ভিতরের অংশটিকে চারটি ভাগে ভাগ করুন এরপর প্রত্যেকটি ভাগকে ৩০ সেকেন্ড করে সময় দিন। শক্ত ব্রাশের তুলনায় নরম ব্রাশ পচ্ছন্দ করুন কারণ শক্ত ব্রাশ আপনার দাঁতের এনামেল ও গামের প্রচুর ক্ষতি করতে পারে। তাই নরম আঁশ যুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করাই ভালো। আপনার দাঁতের প্রতিটি গামলাইনকে সুন্দর করে ব্রাশ করুন একটি লাইনকেও ছেড়ে যাবেন না।
আপনি যে টুথব্রাশটি ব্যবহার করবেন সেটি যেন পরিষ্কার থাকে। ব্রাশ করার পর আপনার টুথব্রাশটি কোন কভারের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখুন না হলে নোংরা টুথব্রাশ থেকে আপনার দাঁতে নতুন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে।
কখনো ভুলবেন না রেশমের ফেঁসোর কথা আর মাউথওয়াশ নিয়ে কোন চিন্তা করবেন না। দাঁতের ফাঁক থেকে ময়লা বার করার জন্য যে মোমের সুতো ব্যবহার করা হয়, এই পদ্ধতিটি ব্রাশ করার মতোই গুরুতপূর্ণ। মাউথওয়াশ আমাদের স্বাস প্রশ্বাসে সুগন্ধ নিয়ে এলেও আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন করে না।
ব্রাশ করার সময় খুব বেশি দাঁতের ওপর চাপ দেবেন না।
আপনি আপনার তর্জনী ও অঙ্গুষ্ঠ ব্যবহার করতে পারেন ব্রাশ করার সময়। কখনোই এই দুটি অংশ ছাড়া বাকি হাতের অংশ ব্যবহার করবেন না । তার ফলে দাঁতের উপর অধিক চাপ পড়তে পারে।
খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করবেন না। এর ফলে আপনার দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হতে পারে।
সব সময় উন্নতমানের টুথব্রাশ ব্যবহার করুন। সস্তা বা দামি এই দুটি শব্দ কখনই টুথব্রাশের গুণমান নির্ধারণ করে না, গুণমান নির্ধারণ করে – ব্রাশ এবং অবশ্যই প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর একবার আপনার ব্রাশ পাল্টে নেবেন।









