জ্বালানী নিতে গিয়ে সিন্ডিকেটের হাতে মারপিটের শিকার এনজিও কর্মকর্তা
শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মটর সাইকেলে জ¦ালানী নিতে যেয়ে আব্দুল্লাহিল মুনিম নামে এক এনজিও কমকর্তা মারপিটের শিকার হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে বংশীপুরের লস্কর ফিলিং স্টেশনে। উক্ত ফিলিং স্টেশনে ‘স্বেচ্ছাসেবী’ হিসেবে দায়িত্ব পালনরতদের অনিয়মের প্রতিবাদ করার জেরে গাড়ি ভেঙে দেয়ার পাশাপাশি তাকে বেধড়ক মারপিট করা হয়।
উক্ত ফিলিং স্টেশনের শৃঙ্খরা রক্ষা ও জ¦ালানী সরবরাহ কাজে সহযোগীতায় নিয়োজিত আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে উক্ত হামলা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তোভোগীর। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এঘটনায় মারপিটের শিকার ঐ কর্মকর্তা আব্দুল জলিলকে অভিযুক্ত করে শ্যামনগর থানায় এজাহার জমা দিয়েছে।
আব্দুল্লাহিল মুনিমের ভাষ্য তিনি রাত সাড়ে তিনটায় যেয়ে লাইনে দাড়িয়েছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার সিরিয়াল আসার পর তিনি দাপ্তিরিক কাজে দুর-দুরন্তে প্রতিনিয়ত দৌড়ানোর কথা বলে এক হাজার টাকার জ¦ালানী চেয়েছিলেন। এসময় আব্দুল জলিল তার সাথে খারাপ আচারণ করে গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে গালির প্রতিবাদ জানানোর চেষ্টা করলেও আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে আট/দশজন তাকে বেপরোয়া মারধর করে।
আব্দুল্লাহিল মুনিমের দাবি স্বেচ্চাসেবী হিসেবে উক্দ ফিলিং েিস্টশনে কাজ করেন আব্দুল জলিলসহ বিশেস একটি রাজিৈনতক দলের ঐ সদস্যরা। শৃঙ্খরার নামে তারা নিজেরা সিন্ডিকেট করে নিজেদের লোকদের লাইনে ঢুকিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ পরপর তেল সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত মটর সাইকেলে তেল নিয়ে পাশে সরিয়ে রাখছে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এসব মটর সাইকেল আবারও লাইনে দাড়াচ্ছে এবং সিন্ডিকেট সদস্যদের সুপারিশে তারা সিরিয়ালে এগিয়ে আসছে।
এভাবে তারা প্রতিদিন একাধিকবারে পর্যাপ্ত জ¦ালানী সংগ্রহ করে প্রকৃত ব্যক্তিদের জ¦ালানী সংগ্রহে নানাভাবে বিঘœ সৃষ্টি করছে। এমন ঘটনার প্রতিবাদ করার তাকে টার্গেট করে মারপিট করা হয়েছে। তিনি থানায় এজাহার জমা দিয়েছেন। অভিযোগের বিসয়ে জানতে আব্দুল জলিলের মুটোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।









