রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’: সাতক্ষীরায় দেড় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজের নবযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’: সাতক্ষীরায় দেড় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবুজের নবযাত্রা

এসএম শহীদুল ইসলাম

ঋতুচক্রে এখন বর্ষাকাল। আকাশজুড়ে মেঘের আনাগোনা আর রিনিঝিনি বৃষ্টির শব্দে চারদিকের তপ্ত প্রকৃতি শান্ত রূপ নিয়েছে। প্রকৃতির এই নতুন রূপ কেবল দেখার আনন্দই দেয় না, বরং পরিবেশকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়ও এটি। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণের জন্য বর্ষার চেয়ে ভালো সময় আর হতেই পারে না। এই রূপান্তরকে আরও অর্থবহ করতে আজ সোমবার বেলা দুইটায় সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে শুরু হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ কর্মসূচি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (লেইস) প্রকল্পের অধীনে এই কর্মসূচি আয়োজিত হচ্ছে। জেলার প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের দেড় হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই সবুজায়ন অভিযান পালিত হবে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, জেলার প্রায় এক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৫০ হাজার বৃক্ষচারার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব চারা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

অন্যদিকে, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবীর জানান, জেলায় প্রায় ৫০০ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় কমপক্ষে একটি ফলজ, একটি বনজ ও একটি ভেষজ উদ্ভিদ রোপণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করতে র‌্যালি, সেমিনার, আলোচনাসভা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা ও দেয়ালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রোপণের পর গাছের সঠিক যতœ ও পরিচর্যার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গাছ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অক্সিজেন সরবরাহ, জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গাছের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমরা নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হচ্ছি। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হলো ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ। বর্ষাকালে মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকায় এবং বৃষ্টির পানির কারণে চারা গাছের শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করতে পারে। এ সময় প্রখর রোদ না থাকায় চারা মরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে এবং বাড়তি সেচেরও প্রয়োজন হয় না। ফলে প্রকৃতি নিজেই চারা গাছকে পরম যতেœ বড় করে তোলে।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশসচেতনতা ছড়িয়ে দিতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচিটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিশুর মাঝে গাছ লাগানোর মানসিকতা তৈরি করা, যেন তারা নিজেদের চারপাশকে সবুজ করে তুলতে উদ্বুদ্ধ হয়।

বর্তমান সময়ে এই সবুজায়নের অভিযান আরও বেগবান করা জরুরি। বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে, পতিত জমি কিংবা ছাদবাগানেÑযেখানেই সুযোগ আছে, সেখানেই অন্তত একটি করে গাছ লাগানো উচিত। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে আমরা যেমন নিজেদের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক চাহিদা মেটাতে পারি, তেমনি পরিবেশকেও বাঁচাতে পারি বিপর্যয়ের হাত থেকে। আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি গাছ লাগানো মানে কেবল একটি জীবন বাঁচানো নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাওয়া।

এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বেশ কিছু প্রেরণাদায়ী স্লোগান তুলে ধরা হয়েছে। যেমন: ‘বন্যা-ঘূর্ণিঝড় করবো জয়, জলবায়ু সচেতনতায় নেই ভয়।’ ‘লেইস প্রকল্পের অঙ্গীকার, সবুজ হবে বিদ্যালয় আমাদের সবার।’ ‘গাছ লাগিয়ে ভরবো দেশ, তৈরি হবে সবুজ বাংলাদেশ।’ ‘একটি গাছ একটু যতœ, লেইসের সবুজায়ন স্বপ্ন’, ‘সবুজ স্কুল সুন্দর মন, লেইস প্রকল্পের আয়োজন’, ‘শিক্ষাঙ্গনে সবুজের বার্তা, সবুজ বাংলাদেশের নবযাত্রা’, এবং ‘আজকের বৃক্ষরোপণ, আগামীর জলবায়ু সুরক্ষা’।

আসুন, এই বর্ষায় আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে চারা গাছ লাগাই এবং সেটির সঠিক যতœ নেওয়ার শপথ নিই। আপনার সামান্য একটু উদ্যোগই পারে এই পৃথিবীকে আরও সবুজ ও সুন্দর করে তুলতে। লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক পত্রদূত, সাতক্ষীরা

 

Ads small one

আশাশুনির রেস্টুরেন্টগুলোতে লাগাম টানবে কে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির রেস্টুরেন্টগুলোতে লাগাম টানবে কে?

সম্পাদকীয়

আশাশুনিসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকান। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের বাইরে খাওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক বিশাল বাণিজ্যিক পরিম-ল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আশাশুনির বুধহাটা, সদর বাজার, প্রতাপনগর কিংবা গুনাকরকাটির মতো জনবহুল এলাকার অধিকাংশ রেস্টুরেন্টেই এখন চলছে ভোক্তার পকেট কাটা এবং স্বাস্থ্য ধসের এক নীরব উৎসব। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অভাব এবং একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর অতিমুনাফার লোভের কারণে এখানকার সাধারণ ভোক্তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উপজেলার অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড শপের রান্নাঘর চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। ফ্রিজে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও রান্না করা মাছ-মাংস একসাথে ফেলে রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো, পোড়া তেল বারবার ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে হরেক পদের ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড। মেন্যুর আকর্ষণীয় নামের আড়ালে নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহার এবং আকাশচুম্বী দাম আদায় এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি বহু প্রতিষ্ঠানের বৈধ ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ফুড গ্রেড সনদ পর্যন্ত নেই।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, এই ধরনের বাসি, পচা এবং পোড়া তেলে ভাজা খাবার শরীরে এক প্রকার বিষের মতো কাজ করে। এটি শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্যে বিষক্রিয়া বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যবস্থাপনাই নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে লিভার নষ্ট হওয়া, হৃদরোগ এবং ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি ডেকে আনে। অর্থাৎ, টাকার বিনিময়ে আশাশুনির মানুষ আসলে রোগ কিনে বাড়ি ফিরছেন।

নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য পাওয়া নাগরিকের কোনো বিলাসিতা নয়, এটি সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে কোনো ব্যবসাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে দেওয়া যায় না।

অধিকাংশ ব্যবসায়ী সততার সাথে ব্যবসা করতে চাইলেও, এই গুটি কয়েক অসাধু চক্রের কারণে পুরো খাদ্য খাতের ওপর মানুষের আস্থা চিরতরে উঠে যাচ্ছে। এই অচলাবস্থা ভাঙতে হলে উপজেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে কেবল কাগজের দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। আশাশুনির প্রতিটি ছোট-বড় বাজারে আকস্মিক ও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।

 

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পেলেই শুধু জরিমানা নয়, প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান সিলগালা ও কারাদ-ের মতো কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি, ভোক্তাদেরও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন দেখলেই তা বর্জন করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানানো নাগরিক দায়িত্ব। আশাশুনির মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের রুখে দিতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান এখন সময়ের দাবি।

শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালিত

পত্রদূত রিপোর্ট: শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় খুলনা অঞ্চলের সাহসী সাংবাদিকতার বাতিঘর এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর ২২তম হত্যাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার বিকেলে দৈনিক জন্মভূমি ভবনে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ হুমায়ূন কবীর বালুকে দল-মতের ঊর্ধ্বে থাকা এক কিংবদন্তি সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের আসল আশ্রয়স্থল হিসেবে অভিহিত করেন।

দৈনিক জন্মভূমির যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে এবং উপ-সম্পাদক সোহরাব হোসেনের পরিচালনায় এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, শহীদ হুমায়ূন কবীর বালু ছিলেন একজন সদালাপী, বন্ধুবৎসল ও মহানুভব মানুষ। পেশাগত জায়গায় তিনি সাংবাদিকদের নিজের পরিবারের সদস্যের মতো আগলে রাখতেন। যেকোনো বিপদে সবার আগে ছুটে যেতেন। শাসন করার পর আবার পরম মমতায় বুকে টেনে নিতেন।

কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা আরও বলেন, তৎকালীন সময়ে এই অঞ্চলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনসমূহ এবং কুখ্যাত অপরাধী এরশাদ শিকদারের নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে তাঁর সম্পাদিত ‘দৈনিক জন্মভূমি’ ও ‘দৈনিক রাজপথের দাবী’ পত্রিকায় সাংবাদিকেরা নির্ভীকভাবে লিখতেন। এই সাহসী সাংবাদিকতার পেছনে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

পেশাগত পরিচয়ের বাইরে হুমায়ূন কবীর বালু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। এ ছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খুলনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে যে নাগরিক কমিটি গঠিত হয়েছিল, তিনি ছিলেন তার আহ্বায়ক। বক্তারা তাঁর এই বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সাহসিকতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্য নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, মকবুল হোসেন মিন্টু, এস এম জাহিদ হোসেন, মোতাহার রহমান বাবু, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, ‘আমার একুশে’ পত্রিকার সম্পাদক আতিয়ার পারভেজ, মাহমুদুল হাসান সোহেল, নাগরিক নেতা বাবুল হাওলাদার এবং নাজমুল করিম তুষার।

অনুষ্ঠানে দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, মহেন্দ্রনাথ সেন, রকিবউদ্দীন পান্নু, ‘খুলনা প্রতিদিন’-এর সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, এইচ এম শামীমুজ্জামান, সুনীল দাস, বিমল সাহা, নুরুল আমিন, রাজু আহম্মেদ, রামিম, আবুল বাশার, বিধান রায়, এস এম মারুফ হোসেন এবং ওমর ফারুক কচিসহ জন্মভূমি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সাতক্ষীরায় চরমোনাইয়ের ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় চরমোনাইয়ের ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরে ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার স্থানীয় একটি ময়দানে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে বয়ান পেশ করেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

 

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুফতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি