মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের ভূমি অধিকার আদায়ে কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের ভূমি অধিকার আদায়ে কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা

জুলফিকার রায়হান, তালা (সাতক্ষীরা): ‎প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের ভূমি অধিকার নিশ্চিতকরণ, খাসজমি বন্দোবস্ত এবং জলমহাল ইজারা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎সাতক্ষীরার তালাস্থ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ-এর বাস্তবায়নে (FISHNET) Project-এর আওতায় এবং ওশান গ্রান্টস ও ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট-এর আর্থিক সহযোগিতায় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ।
‎সভায় পটুয়াখালী, বরগুনা, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলা ভূমি কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী, পাথরঘাটা, তালতলী, শরণখোলা, মোংলা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা, তালা ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ভূমি কমিটির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
‎
‎সভায় পটুয়াখালী জেলা ভূমি কমিটি প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিক মো. সাইদুর রহমান ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেন, বাগেরহাট জেলা ভূমি কমিটি প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান ও বেসরকারি সংস্থা জোয়ার বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুস সালাম, বরগুনা জেলা ভূমি কমিটি প্রতিনিধি আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর কবির মৃধা, খুলনা জেলা ভূমি কমিটি প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ ও অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা ভূমি কমিটি প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জ্জী, এম. কামরুজ্জামান, মিজানুর রহমান, অ্যডভোকেট মোস্তফা আসাদুজ্জামান, অ্যাড. মনির উদ্দীন, আলী নূর খান বাবুল, ফরিদা আক্তার বিউটি, সাংবাদিক জুলফিকার রায়হান ও ডুমুরিয়া উপজেলা ভূমি কমিটির সভাপতি সেলিম আক্তার স্বপন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
‎
‎সভার শুরুতে ভূমি অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রয়াত ভূমি কমিটির সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভা সঞ্চালনা করেন উত্তরণের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান জমাদ্দার। সভার উদ্দেশ্য ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন উত্তরণের প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনাব মোস্তাফিজুর রহমান।
‎এ সময় FISHNET প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। তিনি ভূমিহীন মৎস্যজীবীদের জন্য খাসজমি বন্দোবস্ত এবং জলমহাল ইজারা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি, চলমান উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
‎সভায় অংশগ্রহণকারীরা ভূমিহীন মানুষের ভূমি অধিকার প্রতিষ্ঠা, খাসজমি বন্দোবস্ত নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দাবিদাওয়া আদায়ের ক্ষেত্রে ভূমি কমিটির ভূমিকা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবিলার কৌশল নিয়েও বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
‎আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উত্তরণ ভূমিহীন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে। বিশেষ করে ১৯৯৭ সালে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলায় ভূমিহীনদের খাসজমির অধিকার আদায়ের আন্দোলন এ ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
‎সভায় আইনজীবী, সাংবাদিক ও সিভিল সোসাইটির স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে নবগঠিত বরগুনা, বাগেরহাট ও পটুয়াখালীর জেলা এবং উপজেলা কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভূমিহীন মৎস্যজীবীদের কৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত নিশ্চিত করতে ভূমি কমিটির কার্যকর ভূমিকা, সংগঠন শক্তিশালীকরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
‎সভায় বক্তারা বলেন, ভূমিহীন মৎস্যজীবীদের ভূমি অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমিহীন মৎস্যজীবীদের টেকসই জীবিকা, নিরাপদ আবাসন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রকাশনা উৎসব ও কাব্য আবৃত্তির সাহিত্যসন্ধ্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রকাশনা উৎসব ও কাব্য আবৃত্তির সাহিত্যসন্ধ্যা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য প্রকাশনা উৎসব, গল্পপাঠ, কবিতা আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে এক সাহিত্যসন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে কাব্যতীর প্রকাশনী, বিশ্বভরা প্রাণ ও প্রথম আলো বন্ধুসভা সাতক্ষীরার যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে এবং কবি শিরিন সাদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোর এম এম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, যশোর সরকারি সার্ভে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এম এম নজমুল হক, অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহি, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি শহীদুর রহমান, লেখক ও সম্পাদক কবি সৌহার্দ সিরাজ, অধ্যাপক কবি শুভ্র আহমেদ এবং সুরকার ও বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী আবু আফ্ফান রোজবাবু।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির প্রয়াত গুণিজনদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর গল্পগ্রন্থ ‘মাটির আর্তনাদ’, ‘গল্পপুঞ্জ’, কাব্যগ্রন্থ ‘শহর ছেড়ে শান্তিপুরে’, ‘সুতোয় বোনা কবিতা’, ‘কাব্যপুঞ্জ’, ‘কাব্যলিপি’, ‘হৃদয় পত্র’, ‘মেঘের খামে কবিতা’, ‘বুনো বাতাসের কবিতা’ এবং কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে লেখক শেখ সিদ্দিকুর রহমান, মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস ও শেখ মনিরুল ইসলামের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করা হয়। রাইন চৌধুরীর নেতৃত্বে সব্যসাচী আবৃত্তি পরিষদের শিশুরা, দিলরুবা রুবী ও কাব্য সাদী অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন।
আলোচনা পর্বে শিক্ষাবিদ ড. মিজানুর রহমান জানান, একসঙ্গে এতগুলো কাব্যগ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব সাতক্ষীরাবাসীর জন্য গৌরবের। অন্যান্য বক্তারাও নতুন লেখকদের সাহিত্যচর্চার প্রতি শুভকামনা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধারার শতাধিক কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়ায় মিথ্যা মামলায় ভ্যানচালক পরিবারসহ এলাকাছাড়া, বিচারের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় মিথ্যা মামলায় ভ্যানচালক পরিবারসহ এলাকাছাড়া, বিচারের দাবি

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মানিকনগর গ্রামের শামছুল গাজীর ছেলে জিয়ারুল গাজী (৫০) নামে এক হতদরিদ্র ভ্যানচালক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলা দিয়ে এলাকাছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাড়িতে ফিরতে পারছেন না।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, মামলার বাদী আব্দুর রশিদ গাজীর মেয়ে ফাতেমা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে জিয়ারুলদের জমি দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এই মামলা করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে মারামারি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ফাতেমা খাতুন মামলাটি করেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানান, নিরাপত্তাহীনতার কারণে আসামিরা সাত মাস আগেই উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের খোর্দ গ্রামে গিয়ে বসবাস শুরু করেছেন। ঘটনার দিন তাঁরা এলাকায় ছিলেন না। কম মূল্যে জমি বিক্রি না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে স্থানীয় ব্যক্তিদের দাবি। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও হয়রানি বন্ধসহ দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মামলার সাক্ষী খোর্দ বাটরা গ্রামের বাসিন্দা কিনা মজুমদার এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে মামলার বাদী ফাতেমা খাতুন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে রওশন শেখের যাবজ্জীবন, ১ লাখ টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে রওশন শেখের যাবজ্জীবন, ১ লাখ টাকা জরিমানা

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের রায়
বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা উপজেলায় শারীরিক প্রতিবন্ধী সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে রওশন শেখ (৫৭) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদ- দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু বক্কর সিদ্দিক প্রকাশ্য আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রওশন শেখ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, পাটকেলঘাটার গণেশপুর গ্রামের ভ্যানচালক কামরুল শেখের ১৩ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী কন্যা খলিশখালী উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্কুলে যাতায়াতের পথে আসামি বিভিন্ন সময় খাবার দেওয়ার কথা বলে ওই শিশুর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের চেষ্টা করত বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
২০২৫ সালের ২২ মে বিকেলে প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে আসামি ৫ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিশুকে তার মুদি দোকানের পেছনে একটি পরিত্যক্ত মুরগির ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে পাটকেলঘাটা থানায় মামলা করা হয়।
মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ।

মামলার নথি অনুযায়ী, আসামি ঘটনার বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। অপরদিকে ভুক্তভোগী শিশুর বক্তব্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রেকর্ড করা হয়।

আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা, নথিপত্র ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে সিদ্ধান্তে পৌঁছে রওশন শেখকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদ- ভোগ করতে হবে।