রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় নবনির্মিত কবরস্থানের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নবনির্মিত কবরস্থানের উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদরের মাছখোলায় ফাতেমা দারুস সালাম কবরস্থানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) বিকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কবরস্থানটির উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-২ (সদর -দেবহাটা) আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহরের মেয়র প্রার্থী প্রভাষক ওমর ফারুক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদ হাসান, ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ এবং সদর উপজেলা মিডিয়া বিভাগের সভাপতি আনিছুর রহমান।

আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান, জাকির হোসেন লস্কর শেলী, শোকর আলী, ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য ডাঃ মিজানুর রহমান, নবজান, ঝুটিতলা বাজার কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি এবং এলাকাবাসী।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মৃত মুসলমানদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ফাতেমা দারুস সালাম কবরস্থান ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মুসল্লিদের দীর্ঘদিনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কবরস্থানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা কবরস্থানের সার্বিক উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার আহ্বান জানান।

একসময় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির হোসেন লস্কর শেলী সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি করে বলেন অত্রালাকার জনচলাচলল অনুপযোগী রাস্তা যাহাতে সংস্কার করা হয় তাহার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।
সংসদ সদস্য রাস্তা সংস্কারের আস্বাস দেন।

 

 

 

Ads small one

বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

দেশের বাজারে বিক্রি হয়, এমন ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই (৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ) মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সংস্থাটির গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। এ অবস্থায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের জন্য জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন এবং কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

রবিবার (২৬ জুলাই) গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইএসডিও।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আগে কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বা নিয়মিত নজরদারি ছিল না। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। এতে ভোক্তা জরিপ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রক ও বৈজ্ঞানিক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গবেষণায় দেশের বিভিন্ন এলাকার ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানো হয়। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই)’ ল্যাবরেটরিতে ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি (এফটিআইআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীক্ষা করা হয়।

এসডোর দাবি, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাকি আটটি নমুনায় কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

ইএসডিও
ইএসডিওর গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান

গবেষণায় পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলো বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত। চারটি দেশের উৎপাদিত টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে, ভারতের পাঁচটির মধ্যে একটিতে, থাইল্যান্ডের দুইটির মধ্যে একটিতে এবং ভিয়েতনামের দুইটির দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। একটি টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে সর্বোচ্চ ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

উদ্বেগের বিষয় হিসেবে ইএসডিও জানিয়েছে, শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া ছয়টি টুথপেস্টের মধ্যে চারটিতেই (৬৬ দশমিক ৭ শতাংশ) মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এসব টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে ২০ থেকে ১৪০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। বাকি দুটি নমুনায় কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, পরীক্ষা করা কোনো টুথপেস্টের মোড়ক বা লেবেলে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা কৃত্রিম পলিমার ব্যবহারের তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে ভোক্তারা যেমন জানতে পারছেন না তারা কী ব্যবহার করছেন, তেমনি নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্যও এসব পণ্য কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

এ ছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় সবাই নিয়মিত টুথপেস্ট ব্যবহার করলেও ৪১ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ জানতেন না যে টুথপেস্টের মতো মুখের পরিচর্যার পণ্যেও মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে। মাত্র ২৬ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে সচেতন বলে জানিয়েছেন।

ইএসডিও জানিয়েছে, এই গবেষণার উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা নয়। বরং বাংলাদেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে জাতীয় মানদণ্ড, গ্রহণযোগ্য সীমা, পরীক্ষার নির্দেশিকা বা লেবেলে তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা না থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি বৈজ্ঞানিকভাবে তুলে ধরাই ছিল গবেষণার মূল লক্ষ্য।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, দেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় মানদণ্ডের অভাব, নিয়মিত বাজার তদারকির সীমাবদ্ধতা এবং পরীক্ষাগারের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। এসব ঘাটতি দূর করতে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক বিষয়টি যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইএসডিও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রস্তুতকারক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি বিজ্ঞানভিত্তিক জাতীয় মানদণ্ড প্রণয়ন, নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যের লেবেলে উপাদানের স্বচ্ছ তথ্য নিশ্চিত করা এবং এ বিষয়ে আরও গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে।

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

পদত্যাগের দুদিন পর সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ছাড়লেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন গ্রিন ভিলার উদ্দেশে রওনা হন। পরে বিকাল ৩টার কিছুক্ষণ আগে তিনি তার বাসভবনে পৌঁছান।

এদিন বঙ্গভবনের আশপাশেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দুপুরের দিকে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তাবেষ্টনীতে সরকারি গাড়িবহর নিয়ে বেরিয়ে যান দুদিন আগে পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর ‘দায়মুক্তি’ নিয়ে যা আছে সংবিধানেরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর ‘দায়মুক্তি’ নিয়ে যা আছে সংবিধানে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। অর্থাৎ দুই বছরের বেশি সময় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে অন্তত ছয় মাস দায়িত্ব পালন করে পদত্যাগ বা মেয়াদ শেষে পদ ছাড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আজীবন অবসরভাতা পাওয়ার অধিকারী হন। মো. সাহাবুদ্দিন যেহেতু ছয় মাসের অনেক বেশি সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন, তাই তিনি ২০১৬ সালের ‘রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন’ অনুযায়ী আজীবন অবসরভাতা পাওয়ার অধিকারী। এ ছাড়া আইন নির্ধারিত অন্যান্য সুবিধাও তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

 

তবে পদত্যাগের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি কী ধরনের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল, নিরাপত্তা, সরকারি গাড়ি বা এসকর্ট সুবিধা পাবেন, তা সরাসরি অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা-সংক্রান্ত আইনে নির্ধারিত নেই। এসব বিষয়ে প্রযোজ্য সরকারি বিধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রটোকল-সংক্রান্ত নির্দেশনা বা সরকারের পৃথক সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় সাত লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও তলুইগাছা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার চান্দা হতে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, তলুইগাছা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার তলুইগাছা হতে ৩ লাখ ৮১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।