মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বর্ষায় পাইকগাছায় নার্সারিতে গাছের চারা বিক্রির ধুম পড়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
বর্ষায় পাইকগাছায় নার্সারিতে গাছের চারা বিক্রির ধুম পড়েছে

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বর্ষার অনুকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে খুলনার পাইকগাছায় নার্সারিগুলোতে গাছের চারা বিক্রির ধুম পড়েছে। বিশেষ করে গদাইপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ও খুচরা নার্সারিগুলোতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা কিনতে ভিড় করছেন দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বর্ষা মৌসুমে শত কোটি টাকার চারা বিক্রির আশা করছেন।

উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে তোলা নার্সারিগুলিতে বছরজুড়ে সব গাছের চারা পাওয়া যায়। এসব চারা বেচাকেনা হয় সব মৌসুমে। তবে চারা বিক্রির সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বর্ষাকালে। এই সময়টাতে রোপণ করা চারা শতভাগ জীবিত থাকে বলে চারারও চাহিদা বাড়ে দ্বিগুণ। অনেকে এই সময়টাতে তৈরি করেন ফলজ-বনজ বাগান। বেশির ভাগ মানুষ তাদের বসতবাড়িতে নানা প্রকারের চারা রোপণ করে থাকেন। এ বছরের আষাঢ়ের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়েছে। এ সুযোগে নার্সারিগুলো গাছের চারার ব্যাপক চাহিদা বিক্রির ধুম পড়েছে।

উপজেলার গদাইপুরে বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে উঠেছে তিন শতাধিক নার্সারি। তাছাড়া ১০ শতক থেকে এক বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক নার্সারি। গ্রামের চারদিকে যেন সবুজের সমাহার। গদাইপুরে ঢুকলে চোখে পড়ে ক্ষেতের পর ক্ষেত নার্সারি। বাড়ির সামনে-পেছনে ও আশপাশে নার্সারি গড়ে তুলেছেন সবাই। সব নার্সারির সামনে আছে সাইনবোর্ড লাগাানো। নানা রকমের ফুল, ফল ও মসলার চারা বাড়িগুলোর সামনে। বাড়ির ভেতরে গড়ে তোলা নার্সারিতে চারা কেনাবেচার দৃশ্যও নজর কাড়ে। গদাইপুর এলাকার তৈরী কলম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হচ্ছে।

নার্সারি মালিক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, কেবল বর্ষা মৌসুমেই গদাইপুরের কয়েক শত নার্সারিতে প্রায় শত কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়। আর সারা বছরের বিক্রি হয় প্রায় আড়াই শত কোটি টাকার বেশি। এসময় চারা ক্রয়, বিক্রি ও পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন মালিক-শ্রমিকরা। রজনীগন্ধা নার্সারির মালিক সুকনাথ পাল বলেন, বর্ষায় চারার চাহিদা ও বিক্রি ভালো হচ্ছে।

উপজেলার গদাইপুর গ্রামের মেইন সড়কের দুই পাশে নার্সারিতে নানা প্রজাতির গাছের চারার দৃশ্য নজর কাড়ে। রাস্তার পাশে যতদূর দৃষ্টি যায় ফুল, ফল, মসলা ও বনজের চারা দেখা যায়। দেশী প্রজাতির পাশাপাশি বিদেশী ফলের চারারও উৎপাদন হয়। এখানে স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, ড্রাগন, থাই পেয়ারাসহ ৩০-৪০ প্রজাতির বিদেশী ফলের চারা তৈরি হয়। এছাড়া দেশী প্রজাতির সকল ফলের চারা নার্সারিগুলোয় পাওয়া যায়। এসব ফলের প্যাকেট চারা বছরজুড়ে পাওয়া যায়। প্যাকেটে রোপণ করা চারার পাশাপাশি টবে লাগানো ফুল-ফলের চারাও এখানে বিক্রি হয়। চুই, লবঙ্গ, তেজপাতা, দারুচিনি, গোলমরিচ, এলাচসহ বেশ কয়েক প্রজাতির মসলার চারা উৎপাদন ও বিক্রি হয়।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, নার্সারি ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। কেউ পরিকল্পনা মাফিক নার্সারি করলে অনায়াসে তিনি স্বাবলম্বী হবেন। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্ষাকালে গাছের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। এসময় প্রচুর বৃষ্টি হয় এবং মাটির উর্বরা শক্তিবৃদ্ধি পায়। তাই এই সময়ে তিনি সবাইকে বৃক্ষরোপণ করার জন্য আহ্বান জানান।

 

 

Ads small one

বেনাপোলে ভারত থেকে এল কাঁচা মরিচ, এক দিনেই দাম কমল অর্ধেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বেনাপোলে ভারত থেকে এল কাঁচা মরিচ, এক দিনেই দাম কমল অর্ধেক

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): দেশে অতিবৃষ্টির কারণে সরবরাহ সংকটে কাঁচা মরিচের দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় গিয়ে ঠেকার পর দাম নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচবাহী একটি ট্রাক দেশে প্রবেশ করেছে।
আমদানির খবর ছড়াতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে স্থানীয় বাজারে মরিচের কেজিপ্রতি দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগের দামের প্রায় অর্ধেক। এতে বাজারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
বন্দর ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) দিয়েছে। আমদানিকৃত প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের ঘোষিত মূল্য প্রায় ২৪ টাকা এবং শুল্ক প্রায় ৪৫ টাকা। শুল্কসহ আমদানিমূল্য প্রায় ৭৮ টাকা পড়লেও পরিবহন, পোর্ট ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রকৃত ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান এবং পোর্ট ব্যবহারকারীরা জানান, আমদানি বাড়লে দাম আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, মরিচবাহী ট্রাকটি বন্দরে পৌঁছানোর পর দ্রুত প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাস করা হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিকারকেরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ, বিশেষ করে নাসিক থেকে এ আমদানি পরিচালনা করছেন।

পত্রদূতে সংবাদের জের: ভোমরা বন্দরের পার্কিংয়ে চাঁদাবাজি বন্ধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
পত্রদূতে সংবাদের জের: ভোমরা বন্দরের পার্কিংয়ে চাঁদাবাজি বন্ধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর পার্কিং ইয়ার্ডে ভারতীয় ট্রাকচালকদের কাছ থেকে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। ‘দৈনিক পত্রদূত’ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সরজমিনে তদন্ত চালিয়ে সত্যতা পেয়ে চাঁদা আদায় বন্ধে কড়া হুঁশিয়ারি জারি করা হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, পার্কিং ইয়ার্ডে পণ্য খালাস করা ভারতীয় ট্রাক থেকে দীর্ঘদিন ধরে চালকপ্রতি ৫০ টাকা করে আদায় করছিল আরডিএল কোম্পানির কিছু নিরাপত্তা প্রহরী। গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর ভোমরা স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদার তদন্তে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। পরবর্তীতে আরডিএলের প্রহরীদের সতর্ক করে জানানো হয়, পুনরায় এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, বন্দর এলাকা নিরাপদ রাখা ও যানজট মুক্ত করার লক্ষ্যে উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদারের নেতৃত্বে স্থলবন্দরের ১ নম্বর গেট সংলগ্ন প্রাচীরের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা একাধিক অবৈধ ভাসমান স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও ব্যবহারকারীরা এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

আশাশুনিতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশাশুনির আয়োজনে উপজেলা মডেল মসজিদ সড়কে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। পরে মডেল মসজিদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কু-ু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুস সোবহান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে খামারবাড়ী সাতক্ষীরার উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ও সিনিয়র মনিটরিং কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোসাদ্দেক হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য দেন।