শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় যুবলীগের মশাল মিছিল, ১৪ জনের নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেপ্তার-৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় যুবলীগের মশাল মিছিল, ১৪ জনের নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা, গ্রেপ্তার-৪

পত্রদূত ডেস্ক: নির্বাচিত সরকারকে বিপর্যস্ত করা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের স্বত্ব প্রচার করার করার লক্ষ্যে দা, লাঠি ও মশাল নিয়ে মিছিল করার অভিযোগে সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মিজানুর রহমান মোড়ল ও কেন্দ্রীয় নেতা অহিদ পারভেজসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৬০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক সৈকত পাড়ৈ বাদি হয়ে বৃহষ্পতিবার এ মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা সদরের আলীপুর সরদারপাড়ার আনারুল ইসলামের ছেলে সজীব হোসেন, একই উপজেলার বড়খামার গ্রামের মোমিন সরকারের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন রাজ, জোড়দিয়া গ্রামের একব্বর আলীর ছেলে আব্দুল মান্নান ও একই গ্রামের আব্দুল খালেক হাজীর ছেলে হাবিবুর রহমান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত পৌনে আটটার দিকে সাতক্ষীরা সদরের যোগরাজপুর থেকে বাইপাস রোডের শূন্য পয়েন্টের দিকে যাওয়ার পথে আব্দুর রহমানের ইট ভাটার সামনে ইটের সোলিং এর রাস্তার উপর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র লীগ ও আওয়ামী লীগের ৭০/৭৫জন নেতা কর্মী নির্বাচিত বর্তমান সরকারকে বিপর্যস্ত করতে ও নিষিদ্ধ দলের স্বত্বা প্রচার করতে দা, লাঠি ও মশাল নিয়ে মিছিল করছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ এজাহারভুক্ত চারজনকে বিভিন্ন এলাকা থেকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাহামুদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় উপপরিদর্শক সৈকত পাড়ৈ বাদি হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৬০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্তভার উপপরিদর্শক মোল্লা তৌহিদুল ইসলামের উপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক মোল্লা তৌহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চারনজনকে বুধবার রাতে গ্রেপ্তারের পর বৃহষ্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

Ads small one

পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২৫ বছরের দখলে থাকা জমিতে বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে উপজেলার ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেড়া ও ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগকারী সিরাজুল ইসলাম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফতেপুর গ্রামের মৃত মতলেব সরদারের ছেলে মঞ্জুরুল সরদার পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া ২৫ শতক জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। সেখানে তাঁর ভাই সিরাজুল ইসলামও থাকেন। এসএ ২৭ খতিয়ান, যা পরবর্তী সময়ে বিএস ৮৭ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেÑঐ খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে মোট ২ দশমিক ৫৬ একর জমি রয়েছে, যার মধ্যে ২৫ শতক জমি তাঁদের।

সিরাজুল ইসলামের দাবি, একই গ্রামের সাহেব আলী সরদারের ছেলে মঞ্জুরুল সরদার ও তাঁর ভাগনে আবু হানিফ বেশ কিছুদিন ধরে তাঁদের জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ অবস্থায় জমি দখলের আশঙ্কায় তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই ব্যক্তিকে বিবাদী করে একটি মামলা (নম্বর ১৯২/২৬) করেন।

মামলার পর আদালত সংশ্লিষ্ট জমিতে দখলের বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। তবে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে শনিবার ভোরে প্রতিপক্ষের লোকজন এসে ঐ জমির ৬ শতক নিজেদের দাবি করে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

পাইকগাছা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রবিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিপক্ষের ঘেরা-বেড়া ও ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং আদালতের আদেশ মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে জমির মালিকানা বিষয়ে মঞ্জুরুল সরদার জানান, নিজের জমির দলিল ও রেকর্ড থাকার কারণেই তিনি সীমানা ঘেরে দখল নিয়েছেন।

 

ভুল অস্ত্রোপচারে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
ভুল অস্ত্রোপচারে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় ভুল অস্ত্রোপচারে সাধন বিশ্বাস (৪৫) নামের এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে ‘তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর শারীরিক জটিলতায় প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত সাধন বিশ্বাস খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটি গ্রামের কার্তিক বিশ্বাসের ছেলে।

স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় এক মাস আগে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে সাধন বিশ্বাসকে তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আব্দুর রহমান তাঁর অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করেন। কয়েক দিন পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে ক্লিনিকের মালিক বিধান চন্দ্র রায় পুনরায় তাঁর দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করেন। এরপর অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তৃতীয় দফায় অস্ত্রোপচারের পর শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাধন বিশ্বাসের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ক্লিনিকের সামনে জড়ো হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ ও বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্লিনিকের সামনে উৎসুক মানুষ ও স্বজনরা জড়ো হলেও আইনশৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটে এমন কিছু হয়নি। এ বিষয়ে থানায় আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

ক্লিনিকের মালিক বিধান চন্দ্র রায় জানান, দুই পক্ষের সমঝোতায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা তদন্তে ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ক্লিনিকটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ সেপ্টেম্বর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আনিছুর রহমানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ সেপ্টেম্বর। ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ডা. মো. আনিছুর রহমান শিক্ষাবিদ ও দেশবরেণ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। তিনি কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, সাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এবং কাকডাঙ্গা সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগ এবং পরবর্তীতে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।