শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’

বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম (গাজী নজরুল ইসলাম) সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আজ চতুর্থ দিন বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তার জন্য লিখিত প্রশ্ন ছিল উত্থাপনের জন্য।

নির্ধারিত সময় প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানানোর সময় দেখেন তিনি নেই। এ সময় স্পিকার বলেন, জিএম তো নাই। এরপর হাসি দেন স্পিকার। সংসদে অন্যদের মধ্যে অনেককে হাসতে দেখা গেছে।

তার অনুপস্থিতির কারণে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নটি উত্থাপিত হলো না বলে উল্লেখ করেন স্পিকার।

প্রশ্নোত্তর পর্বের ওই কপি যেটা সাংবাদিকদের হাতে এসেছে, তাতে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের প্রশ্নটি ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর কাছে। তার লিখিত প্রশ্নে ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলবেন কি, বর্তমানে দেশে শ্রম আদালতের সংখ্যা কত, ওইগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত। ওই আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কত? ওই মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে?

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর জবাব দেওয়ার কথা ছিল, ‘বর্তমানে দেশে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪টি শ্রম আদালতসহ মোট ১৫টি শ্রম আদালত রয়েছে। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে অবস্থিত।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নদী ও জলাশয় রক্ষায় চাই কঠোর পদক্ষেপ

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা নিয়ে গভীর উদ্বেগের চিত্র ফুটে উঠেছে দুটি সাম্প্রতিক ঘটনায়। একদিকে সদর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বেতনা নদীতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে খননকাজ চালানোর পর পলি জমে নাব্যতা হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বেআইনি আড় জালের জন্য। অন্যদিকে শ্যামনগরের অন্তাখালী খালে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয়েছে ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী ও বুলেট নেট জাল, যা পরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। ঘটনা দুটি ভিন্ন উপজেলার হলেও তাদের মূল সংকট অভিন্নÑআইন অমান্য করে ক্ষতিকর জালের অবাধ ব্যবহার এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস সাধন।

বেতনা নদী সাতক্ষীরা অঞ্চলের নিষ্কাশন ব্যবস্থার অন্যতম মূল ধমনি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নদীটি খনন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল জোয়ার-ভাটা স্বাভাবিক রাখা এবং এলাকাকে দীর্ঘমেয়াদি জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করা। কিন্তু সদর উপজেলার বিনেরপোতা, শাল্যে, মাছখোলা ও কামারডাঙ্গা এলাকায় নদীর এক তীর থেকে অন্য তীর পর্যন্ত আড়াআড়িভাবে আড় জাল পেতে রাখা হচ্ছে। এর ফলে পানির গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দ্রুত পলি জমে তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই প্রবণতা রোধ করা না গেলে স্লুইসগেট দিয়ে বিলের পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারবে না, যার খেসারত দিতে হবে পুরো সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে।

অন্যদিকে, ক্ষুদ্র ফাঁসের চায়না দুয়ারী কিংবা বুলেট জালের মতো প্রাণঘাতী জালের সয়লাব দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য এক নীরব মহামারি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কেবল বড় মাছই ধরা পড়ে না, রেনু পোনা থেকে শুরু করে জলজ সব কীটপতঙ্গ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যায়। শ্যামনগরে মৎস্য বিভাগের অভিযানে এই ক্ষতিকর জাল জব্দ ও ধ্বংস করার ঘটনা ইতিবাচক ও প্রশংসনীয়। কিন্তু সাময়িক অভিযান চালিয়ে এমন ভয়াবহ প্রবণতা স্থায়ীভাবে থামানো কঠিন।

নদী বা খাল পুনঃখননে যে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়, অসচেতনতা ও গুটিকয়েক সুযোগসন্ধানী লোকের প্রভাবে যদি তার সুফল নষ্ট হয়, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কেবল প্রথাগত অভিযানে সীমাবদ্ধ না থেকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। সেগুলো হলোÑ বেতনা নদীসহ স্পর্শকাতর নদ-নদীগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল জোরদার করতে হবে। নদীতে অবৈধভাবে জাল স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী বা অন্যান্য নিষিদ্ধ জাল বাজারে বেচাকেনা ও প্রস্তুত বন্ধে এর উৎসমুখ ও কারখানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। নদী রক্ষা ও মাছের প্রজনন সুরক্ষায় ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সচেতনতা বাড়িয়ে পাহারাদার কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা নিশ্চিত করে নদী ও জলাশয়গুলোকে দখল ও ক্ষতিকর ফাঁদের হাত থেকে মুক্ত রাখা এখনই সময়ের বড় দাবি।

 

সাতক্ষীরায় ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা’বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা’বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের আয়োজনে এক সপ্তাহ মেয়াদি ‘জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট এ এস এম হাফিজুর রহমান কর্মসূচির সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ সদস্যদের জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও কৌশল বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ আয়োজন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনানুগভাবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

খুলনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক সম্প্রীতি, মানবাধিকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খুলনায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আয়োজনে এবং ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ’ প্রকল্পের সহযোগিতায় ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলার জন্য আয়োজিত এ কর্মশালায় পবিত্র মোহন দাসের নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায়ের ২০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

সাতক্ষীরা থেকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, ফরিদা আক্তার বিউটি, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, লেখক শেখ সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ভারতেশ্বরী বিশ্বাস, জেলা নাগরিক কমিটির নেতা আলী নূর খান বাবুল, ধর্মীয় নেতা শেখ মাহবুব রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হেনরী সরদার, অ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার প্রমুখ। হাঙ্গার প্রজেক্টের জ্যেষ্ঠ কর্মসূচি কর্মকর্তা রুবিনা আক্তার, সুশান্ত রায় ও রাজু জোবেদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি