বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ (ইউআরসিসি) এর নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ আবারোও সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ ছাতা প্রতিকে-৪৯ ভোট পেয়ে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোঃ আব্দুল খালেক চেয়ার প্রতীকে-৩২ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। উপজেলার ৮৩ টি সমবায় সমিতির মধ্যে ৮১টি সমিতির প্রতিনিধিরা ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচনে ৩ নম্বর ব্লকে এক জন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর মধ্যে মোঃ রেজাউল করিম- ৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। অপরপ্রার্থী ইকবাল হোসেন ৫ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সহ-সভাপতি পদে আবু সালেহ মোঃ ইকবাল ও বিভিন্ন ব্লকের সদস্য পদে সুধীর চন্দ্র দাশ, এসএম লুৎফর রহমান, দীপক চন্দ্র সরকার, দিপংকর সানা ও প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল পুনঃ নির্বচিত হয়েছেন।

২২ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০ টা হতে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলে। ভোট গণনাকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ হুমায়ূন কবির, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওয়াহিদ মুরাদ, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ও সমবায় দপ্তরের পরিদর্শক মোঃ আমির হোসেন।

এদিকে প্রাণকৃষ্ণ দাশ পুনরায় সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার তিনি সকল সমিতির সভাপতি-সম্পাদক, প্রতিনিধি ভোটার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, গণমাধ্যম কর্মিসহ বিভন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

Ads small one

উৎসবের আমেজে আজ সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
উৎসবের আমেজে আজ সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি: উৎসবের আমেজে আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির (২০২৬-২০২৭ মেয়াদের) দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে আদালতপাড়াজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের কাছে ভোটারদের কদরও বেড়েছে, চলছে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মোট ১৩টি পদের বিপরীতে ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে কোষাধ্যক্ষ পদে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ায় নরেশ মল্লিককে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে বাকি ১২টি পদের বিপরীতে ২৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুল মান্নান বাবলু ও গোলাম নবী। সহ-সভাপতি (২টি পদ) পদে প্রার্থী হয়েছেন আব্দুর রহমান, এসএম ইয়াহিয়া আলম, কাজী শাহাদাত হোসেন মাসুম ও মো. এনায়েত করিম।

সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন সাইফুল ইসলাম বাবু, মো. কামরুল ইসলাম ও এম. শফিকুল ইসলাম। যুগ্ম সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দেবাশীষ সরকার ও আবু সাঈদ। সহ-সম্পাদক পদে রয়েছেন বিধান চন্দ্র ম-ল ও মেহেদী হাসান।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুস সাত্তার ও ইসমাইল হোসেন। এছাড়া সদস্য পদে ৫টি আসনের বিপরীতে ৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন মো. আবু রায়হান, মো. খুরশিদুজ্জামান লাবু, আরাফাত হোসেন, রবিউল ইসলাম, গোলাম হোসেন লিমন, রেজাউল করিম, হারুন অর রশিদ ও মনিরুল ইসলাম।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. আব্দুস সবুর জানান, ২৩ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সমিতির দ্বিতীয় তলায় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আইনজীবী সহকারীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

 

 

শ্যামনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে মঞ্চস্থ সামাজিক যাত্রাপালা ‘সাত পাকে বাঁধা’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে মঞ্চস্থ সামাজিক যাত্রাপালা ‘সাত পাকে বাঁধা’

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর দাসকাটি হরি মন্দির প্রাঙ্গণে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মঞ্চস্থ হলো বর্ণাঢ্য সামাজিক যাত্রাপালা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৯টা থেকে শুরু হয়ে বুধবার ভোর ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলা এই আয়োজন স্থানীয়দের মাঝে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।

 

সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মহিষাডাঙ্গা তরুণ নাট্য সংস্থা’র পরিবেশনায় ওপার বাংলার নটনাট্যকার রঞ্জন দেবনাথ রচিত “সাত পাকে বাঁধা” শিরোনামের যাত্রাপালাটি মঞ্চস্থ হয়। এতে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেন জনপ্রিয় গায়ক ও নায়ক কুমার দেবু এবং যাত্রা লক্ষ্মী বাসন্তী রানী সাহা। তাদের প্রাণবন্ত অভিনয়, তীক্ষè সংলাপ এবং চমৎকার সংগীত পরিবেশনা পুরো রাতজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখে।

যাত্রাপালা উপলক্ষ্যে হরি মন্দির সংলগ্ন মাঠে বসেছিল হরেক রকমের গ্রাম্য মেলা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সকল বয়সের নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে এলাকাটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। গ্রামীণ সংস্কৃতির এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন কেবল বিনোদনই নয়, বরং এলাকাবাসীর মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য বার্তা পৌঁছে দেয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু মহাদেব চন্দ্র মন্ডল। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত রাখা হবে।” অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

পুরো অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করতে শ্যামনগর থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো, যার ফলে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়। সব মিলিয়ে, নূরনগর দাসকাটি হরি মন্দির প্রাঙ্গণের এই সামাজিক যাত্রাপালাটি এলাকাবাসীর জন্য এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় রাত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

শ্যামনগরে জমিজমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১৪জন আহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জমিজমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১৪জন আহত

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ১৪জন আহত হয়েছে। বুধবার সকালে পৌরসভার গোমানতলী এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতরা হলো গুমানতলী গ্রামের মো. আজিজুল গাজী, আজবাহার গাজী, আকবর আলী গাজী, সিদ্দিক গাজী, জাহানারা বেগম, তাসলিমা খাতুন, আজগার আলী, আমেনা খাতুন, ফজলুর রহমান, নাছিম হোসাইন ও আবু ইছা। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিরা শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায় আজিজুল গাজী ও তার প্রতিবেশী নজরুল গাজীর পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। তার জেরে বুধবার সকালে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে আইজুল গাজীদের পক্ষের ১১জন নজরুল গাজীদের পক্ষের ৩জন গুরুতর আহত অবস্থায় শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

আহত ফজলু গাজী বলেন, নজরুল গাজী ও মোশারাফসহ দেশীয় অস্ত্রধারী ১০-১২ জনের একটি দল আকবর গাজী ও সিদ্দিক গাজীকে গুমানতলি গাজী বাড়ি মসজিদের সামনে ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এরপর রাস্তার উপর এসে আজিজুল গাজী ও আজবাহার গাজীকেও ব্যাপক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় হাত ভেঙে দেয়। সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে এবং পর্যায়ক্রমে ১১জনকে মারধর করে। দা, সাবল, চায়নিচ কুরাল দিয়ে ৫ জনের মাথায় কোপানোর পাশাপাশি কয়েক জনের হাত ভেঙ্গে দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত ডাঃ স্নিগ্ধা বলেন, মারামারি সংক্রান্ত ১৪জন রোগী ভর্তি হয়েছিল। গুরুতর অবস্থা হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মর্জিনা ও মোশাররফ বাদে অন্যদের কয়েজনের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে। বাকি ৪জন এখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

এবিষয়ে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. খালেদুর রহমান বলেন, জমি জমা সংক্রান্ত মারামারির বিষয়টি শুনেছি এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।