রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী: বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের নিভৃতচারী কারিগর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী: বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের নিভৃতচারী কারিগর

তারিক ইসলাম

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত বাঙালি মুসলমানের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণে নিভৃতে অবদান রেখেছেন অনেক দূরদর্শী চিন্তাবিদ। তাঁদের জীবন ও সাধনা জাতীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এই মনীষীদের অন্যতম সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজচিন্তক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী। ১৯৫৪ সালের ৮ নভেম্বর প্রয়াত এই চিন্তাবিদ স্বচ্ছ চিন্তা, যুক্তিনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি ও সহজ-সরল গদ্যশৈলীর মাধ্যমে সমকালীন সমাজে বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ওয়াজেদ আলীর কাছে সাহিত্য কেবল বিনোদন বা অলংকারের বিষয় ছিল না; বরং সমাজকে চেনা ও জাগিয়ে তোলার মাধ্যম ছিল। তিনি বিশ্বাস করতেন, একটি সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে তার ইতিহাস, আদর্শ ও আত্মপরিচয়ের শিকড় অনুসন্ধান করতে হবে। বাংলা ভাষায় মুসলমানদের চিন্তা ও সাহিত্যচর্চার পরিসর বিস্তৃত করা এবং নবপ্রজন্মকে নিজেদের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত করানোর ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

সাতক্ষীরার বাঁশদহ গ্রামের এক পল্লিচিকিৎসক পরিবারে জন্ম নেওয়া ওয়াজেদ আলীর জীবন গড়ে উঠেছিল মুক্তবুদ্ধি ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। তাঁর বাবার চিকিৎসালয়টি কেবল চিকিৎসার স্থান ছিল না, সমকালীন সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে আলোচনা-বিতর্কেরও একটি কেন্দ্র ছিল। পরবর্তী সময়ে কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে অধ্যয়নকালে ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি টানেন। তবে শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি তাঁর জ্ঞানচর্চায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। রাজনৈতিক আন্দোলন ও সমাজবাস্তবতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তাঁর সাহিত্য ও চিন্তাকে আরও গভীর করে তোলে।

কর্মজীবনে সাংবাদিকতাকে প্রধান মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন তিনি। ‘মোহাম্মদী’, ‘নবযুগ’, ‘সওগাত’, ‘খাদেম’, ‘দি মুসলমান’ ও ‘দৈনিক সেবক’-এর মতো পত্রপত্রিকায় কাজ করেছেন। তাঁর সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য ছিল ঘটনার অন্তর্নিহিত সামাজিক বাস্তবতা ও মানসিকতা তুলে ধরা। মুসলিম সমাজের দুর্বলতা ও সংকট তিনি সাহসিকতার সঙ্গে চিহ্নিত করেছেন, পাশাপাশি উত্তরণের পথও দেখিয়েছেন। তাঁর লেখায় সাংবাদিকতা নিছক সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; হয়ে উঠেছিল সমাজসচেতনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের হাতিয়ার।

সাহিত্যেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। ‘মরুভাস্কর’, ‘মহামানুষ মুহসিন’, ‘ছোটদের হজরত মুহাম্মদ’, ‘সৈয়দ আহমদ’ ও ‘মোহাম্মদ আলী’সহ বিভিন্ন গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি বাংলা সীরাত সাহিত্য ও ইতিহাসচর্চায় অবদান রাখেন। বিশেষ করে ‘মরুভাস্কর’ গ্রন্থে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সাবলীল বাংলায় তুলে ধরে তিনি পাঠকের কাছে তা সহজবোধ্য করে তোলেন। তাঁর লেখায় ধর্মীয় অনুরাগ, ইতিহাসচেতনা ও যুক্তিনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় লক্ষ করা যায়। পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে বাঙালি পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দিতে তিনি ‘স্মার্ণানন্দিনী’ ও ‘ডন কুইজসোটের গল্প’ অনুবাদ করেন।

তাঁর চিন্তা ও সাধনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল বাংলা ভাষাকে বাঙালি মুসলমানের জ্ঞানচর্চার প্রধান মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত শক্ত না হলে কোনো জাতির পক্ষে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। জীবনের শেষভাগে কলকাতা ছেড়ে জন্মভূমি বাঁশদহে ফিরে এলেও তাঁর মননশীল চর্চা থেমে থাকেনি।

আজ বাঙালি মুসলমানের ইতিহাস, বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের সংকট-সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার সময় মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর জীবন ও সাহিত্য নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। তাঁর স্বচ্ছ চিন্তা, যুক্তিনিষ্ঠ অবস্থান ও সমাজসচেতন সাহিত্যসাধনা জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। একই সঙ্গে তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

লেখক: তারিক ইসলাম, সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

Ads small one

পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এলপিজির গাড়ি আটকে নির্ধারিত দামে বিক্রি করলো বিএনপি

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪৪০ টাকা বেশি দরে ১২ কেজির বসুন্ধরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা গ্যাসবাহী পিকআপ আটকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি প্রতিহত করেন। পরে পিকআপে থাকা ১১০টি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত ২ হাজার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

গত শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজারের দিনবন্ধু সাধুর দোকানে বসুন্ধরা এলপিজির পাঁচটি সিলিন্ডার বিক্রি করতে যান কলারোয়ার শিমুল স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি রাজিব হোসেন। দোকানদারের কাছে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু, সাধারণ সম্পাদক রকিব সরদার এবং পাটকেলঘাটা বাজার বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলামসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসবাহী পিকআপটি আটকে দেন। পরে পিকআপে থাকা সিলিন্ডারগুলো নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়।

দোকানদার দিনবন্ধু সাধু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাস কিনলে খুচরা পর্যায়ে কত দামে বিক্রি করবেন, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বেশি দামে কিনে ক্রেতাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করতে চাননি বলেও জানান তিনি।

বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মকবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কোম্পানির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শিমুল স্টোরের শহিদুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না। সম্প্রতি কিছু সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও সেগুলো বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এ কারণে তাঁদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশিদুল হক রাজু বলেন, কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। গত শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা গ্যাসের একটি গাড়ি বাজারে আসার পর সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ টাকা বেশি নেওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে যান। পরে ১১০টি সিলিন্ডার নির্ধারিত দামে বিক্রির ব্যবস্থা করেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও করেন তিনি।

আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা দুটি মাতিবিল খাল পুনঃখননের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের সাতক্ষীরা জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাজিরুল ইসলাম।

আবেদনে নাজিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, শোভনালী ইউনিয়নের ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখালী ও বালিয়াপুর গ্রামের মাতিবিল নামের খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এর মধ্যে ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আংশিক বাঁশখালী গ্রামের মাতিবিল খালটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে খনন করা হয়েছিল। অপর খালটি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াপুর গ্রাম হয়ে ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মরিচ্চাপ নদীর সুইচগেটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দুটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন। এগুলো দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়বে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আবেদনকারীর দাবি, খাল দুটি পুনঃখনন করা হলে প্রায় ১০ হাজার বিঘা জমি মাছ চাষ ও ধান আবাদের উপযোগী হবে। পাশাপাশি অতিবৃষ্টিতে শোভনালী ইউনিয়নসহ আশপাশের চারটির বেশি ইউনিয়নে সৃষ্ট বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে। এ অবস্থায় খাল দুটি পুনঃখননে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বণ্টনের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে সরকারি খাসজমি বণ্টন, বেদখল জমি উদ্ধার এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন জেলা শাখা।

গত শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম গাজী। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আব্দুস সাত্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অ্যাডভোকেট খগেন্দ্রনাথ ঘোষ এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মো. আহম্মদ আলী।

সভায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পৌর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লাভলু, দপ্তর সম্পাদক মো. লাভলু, আব্দুল জব্বার, মনিরুজ্জামান মনি, মো. রাজু হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম ও মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহারসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য খাসজমি বরাদ্দ এবং ব্যারাক নির্মাণের কার্যক্রম চললেও অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার এখনো এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঁচ বিঘার বেশি খাসজমির নামে যেসব ডিসিআর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বণ্টনের দাবি জানান তাঁরা।

সভায় বেদখলে থাকা সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, এতে ভূমিহীনদের আবাসনের সুযোগ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্বও বাড়বে।

এ ছাড়া খুলনা থেকে সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ সরকারি পরিকল্পনা ও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দ্রুত শেষ করার দাবি জানানো হয়। সড়কের দুই পাশে বসবাসকারী ভূমিহীন ও সাধারণ মানুষকে যথাযথ পুনর্বাসন, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর নিরাপদ আশ্রয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প বাজারের ব্যবস্থা করারও দাবি তোলেন বক্তারা।