মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

আইন আছে প্রয়োগ নেই: ২০ বছরেও ঘুচেনি উপকূলের নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
আইন আছে প্রয়োগ নেই: ২০ বছরেও ঘুচেনি উপকূলের নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য

পত্রদূত রিপোর্ট: দেশে সমান মজুরি আইন পাস হয়েছে প্রায় দুই দশক আগে। কিন্তু সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদে এর চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। একই সময়, একই শ্রম এবং সমপরিমাণ কাজ করেও নারী শ্রমিকেরা পুরুষদের তুলনায় মজুরি পাচ্ছেন অনেক কম। দীর্ঘ ২০ বছরেও ‘সমান কাজে সমান মজুরি’ আইনের সুফল পৌঁছায়নি সুন্দরবন উপকূলের এসব সংগ্রামী নারীর কাছে।

সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, কাঁকড়ার খামার, মাছের ঘের, নদীতে রেণু আহরণ, কৃষিকাজ ও রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করছেন নারীরা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে বিশেষ করে ‘সফটশেল’ কাঁকড়া চাষে নারী শ্রমিকের অংশগ্রহণ বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

স্থানীয় তথ্যানুযায়ী, যেখানে একজন পুরুষ শ্রমিক দিনে ৫০০ টাকা মজুরি পান, সেখানে নারী শ্রমিকদের দেওয়া হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। এমনকি মাসিক বেতনের ক্ষেত্রেও ব্যবধান দেড় থেকে দুই হাজার টাকা।
শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার কাঁকড়া খামারের শ্রমিক রিনা খাতুন বলেন, “সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কাজ করি। মাসিক বেতন পাই ৭ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ আমার সঙ্গে একই কাজ করে একজন পুরুষ সহকর্মী বেতন পান ৯ হাজার টাকা। কাজ সমান হলেও পুরুষ হওয়ায় তার কদর বেশি। বারবার বলে লাভ হয় না।”

একই অভিযোগ ধান কাটা শ্রমিক মুজি বেগমের। তিনি জানান, এক বেলা কাজ করলে একজন পুরুষ ৮০০ টাকা পেলেও নারীদের দেওয়া হয় ৫০০ টাকা। শ্রমিক কামরুল মল্লিক ও তার স্ত্রী ইটের কাজ করেন একসাথে। কামরুল বলেন, “আমরা একই কাজ করি, পরিশ্রমও সমান। কিন্তু মজুরির সময় আমার স্ত্রীকে কম টাকা দেওয়া হয়। এটা অন্যায়।”

বেসরকারি সংস্থা সিসিটিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রুপন মনে করেন, এই বৈষম্য দূর করতে সামাজিক আন্দোলন জরুরি। তিনি বলেন, “নারীরা শ্রমবাজারে বড় ভূমিকা রাখলেও ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও মালিকপক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এই বৈষম্য দূর করা সম্ভব নয়।”

এ বিষয়ে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিস্ আফরোজা আক্তার বলেন, “শ্রম আইন ও আন্তর্জাতিক সনদ অনুযায়ী নারী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। এই বৈষম্য নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, উপকূলীয় অঞ্চলে কাঁকড়া শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলেও এই মজুরি বৈষম্য টেকসই উন্নয়নের পথে বড় বাধা। নারীর শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে না পারলে এই সম্ভাবনাময় খাতটি পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

 

Ads small one

ঋশিল্পীতে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
ঋশিল্পীতে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি: “হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ, ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্বাসনে ফিজিক্যাল থেরাপির ভূমিকা”Ñএই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় ঋশিল্পীর স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্যোগে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার রিহ্যাবিলিটেশন হেলথ বিল্ডিংয়ের প্রশিক্ষণ কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঋশিল্পীর প্রেসিডেন্ট মনিকা তোজি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ খালেদ, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সেলিমুল ইসলাম, সিনিয়র ফিজিওথেরাপিস্ট ও হেড অব ফিজিওথেরাপি ইউনিট শংকর কুমার ঢালীসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারী, ফিজিওথেরাপিস্ট ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

আলোচনায় বক্তারা ঋশিল্পীর ফিজিওথেরাপি কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধে নিয়মিত শারীরিক কর্মকা-, ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি হৃদরোগ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা-পরবর্তী পুনর্বাসন, চলাফেরার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। আলোচনা শেষে মানুষের স্বাস্থ্য, শারীরিক সক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ঋশিল্পীর স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন কর্মসূচির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

কলারোয়ায় ১০০ কিলোমিটার সড়কে তালবীজ রোপণের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ১০০ কিলোমিটার সড়কে তালবীজ রোপণের উদ্যোগ

শেখ জিল্লু, কলারোয়া: বজ্রপাত প্রতিরোধ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১০০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলারোয়ার যুগিখালি গ্রামের তরুণ সিভিল প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল চয়ন সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় ২০২৪ সাল থেকে এ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছেন।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে উপজেলার যুগিখালী ইউনিয়নের প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে তালবীজ রোপণ করা হয়। এর মধ্যে রোপণ করা বীজের প্রায় ৭০ শতাংশ থেকে চারা গজিয়েছে। এ সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে এবার পুরো উপজেলায় বৃহৎ পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় বছরের মধ্যে কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রধান ও আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ১০০ কিলোমিটারজুড়ে পর্যায়ক্রমে তালবীজ রোপণ করা হবে। ইতিমধ্যে জয়নগর, সোনাবাড়িয়া, কুশোডাঙ্গা ও দেয়াড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কে তালবীজ রোপণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

উচ্চ ভবনে বজ্রপাতের ক্ষতি কমাতে যেমন লাইটনিং অ্যারেস্টার ব্যবহার করা হয়, তেমনি গ্রামীণ এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে তালগাছের বিস্তার ঘটিয়ে বজ্রপাতের ক্ষতিকর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। প্রতিবছর বজ্রপাতে মানুষ ও গবাদিপশুর প্রাণহানি ঘটে। দীর্ঘমেয়াদে তালগাছের একটি প্রাকৃতিক বলয় গড়ে তুলে জীবনের ঝুঁকি কমানোই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
এ উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দা, প্রবাসী এবং বিভিন্ন এলাকার গ্রামবাসী স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দিচ্ছেন। অনেকেই বিনামূল্যে হাজার হাজার তালবীজ দিয়ে সহযোগিতা করছেন। প্রতিদিনের কর্মসূচিতে স্থানীয় ভ্যানচালক, শ্রমজীবী মানুষ ও বিপুলসংখ্যক তরুণ স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তরুণ প্রকৌশলী আসিফ ইকবাল বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক ও নানা নেতিবাচক কর্মকা- থেকে দূরে রেখে সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কাজে সম্পৃক্ত করাও তাঁর এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে এলে কলারোয়ায় একটি সবুজ জনপদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম এ উদ্যোগকে প্রশংসনীয় সামাজিক কর্মকা- হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। উদ্যোগটি শুরুর আগেই আসিফ ইকবাল উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবহিত করেছিলেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কল্যাণমূলক উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসন ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।

ব্যক্তিগত অর্থায়ন, স্বেচ্ছাশ্রম এবং তরুণদের অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে কলারোয়ার সড়কগুলো সবুজে আচ্ছাদিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনলাইন জুয়ায় বাড়ছে দাম্পত্য কলহ ও সামাজিক অপরাধ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
অনলাইন জুয়ায় বাড়ছে দাম্পত্য কলহ ও সামাজিক অপরাধ!

এম শফিকুল ইসলাম: সর্বনাশা মোবাইল ফোনভিত্তিক অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটেছে সাতক্ষীরার গ্রাম থেকে শহরাঞ্চলে। এই ভয়াবহ অনলাইন জুয়ার থাবায় তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে।

সাতক্ষীরা সীমান্ত আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান বলেন, মোবাইল ফোনের পর্দায় কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই বড় অঙ্কের টাকা জেতার প্রলোভন দেখানো হয়। দ্রুত ধনী হওয়ার এই ফাঁদে পা দিয়ে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে নানা পেশার মানুষ নিঃস্ব হচ্ছেন। চক্রের এজেন্টরা রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেও সাধারণ মানুষ সর্বস্ব হারাচ্ছেন।

শাঁখড়া কোমরপুর আব্দুল গনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমেদ শরীফ ইকবাল উল্লেখ করেন, অনলাইন জুয়াকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে ছোটখাটো এজেন্টরা গ্রেপ্তার হলেও মূল পরিকল্পনাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যান। ফলে এজেন্ট পরিবর্তন হলেও অনলাইন জুয়ার দৌরাত্ম্য থামছে না। জুয়ায় হেরে সহায়-সম্পদ বিক্রি করেও অনেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারছেন না। এতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি পরিবারে অশান্তি, দাম্পত্য কলহ ও বিচ্ছেদ বাড়ছে। একই সঙ্গে জড়াচ্ছে নানা সামাজিক অপরাধে।

ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী বলেন, অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে বহু তরুণ ও যুবক। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জমজমাট জুয়া খেলা চলছে। ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও বেকার যুবকেরা এ নেশায় ঝুঁকছেন। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেকে অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন এবং মানসিক চাপে ভুগছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়াড়ি চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে মামলা করা হয়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সদর থানা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক মাস্টার এজেন্ট আটক করা হয়। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর মেহেরপুর জেলার শিবপুর গ্রামের জিনারুল ইসলামের ছেলে মুর্শিদ আলম (২৫) ও বামনডাঙ্গা গ্রামের মাসুদুল আলমের ছেলে মুসাই আলমকে সাতক্ষীরা থেকে আটক করে পুলিশ।

একই বছরের ২৯ অক্টোবর সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আতিয়ার সরদারের ছেলে ও মাস্টার এজেন্ট তৈয়ব হাসান (২৭) এবং আজিজুল সানার ছেলে তারেকুজ্জামান জুয়েলকে আটক করা হয়। এ ছাড়া শ্যামনগর, আশাশুনি, দেবহাটা ও তালা থানা এলাকা থেকে ১০ জন জুয়াড়িকে আটক এবং তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানেও অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের মাস্টারমাইন্ড এজেন্টসহ দুই সদস্য আটক হয়েছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, অনলাইন জুয়ার বিষয়ে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যেকোনো স্থান থেকে তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।