শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় আঠারো লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে প্রায় আঠারো লক্ষ টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (০২ মে ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, মাদরা, সুলতানপুর, ভোমরা, পদ্মশাখরা ও চান্দুরিয়া বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, পাতার বিড়ি, নবরতœ তেল ও শাড়ি আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও গেড়াখালী হতে ১ লাখ ০৫ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার শ্মশান ঘাট আমবাগান হতে ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। সুলতানপুর বিওপির বিশেষ আভিযানে কলারোয়া থানার তালশাড়ি হতে ১ লাখ ০৫ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

 

ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার আনসারের মোড় হতে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার ঝাউডাঙ্গা হতে ১ লাখ ০১ হাজার ৭৫০ টাকার ভারতীয় পাতার বিড়ি ও নবরতœ তেল আটক করে। পদ্মশাখরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন শাখরা আশার মোড় হতে ৬ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেণুপোনা আটক করে।

এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার আমবাগান হতে ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।
আটক মালামালের সর্বমোট মূল্য ১৭ লাখ ৯২ হাজার ৫০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

Ads small one

খোলা কলাম/ সাংবাদিকদের জাহান্নাম যখন ডাক্তারের হাতে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
খোলা কলাম/ সাংবাদিকদের জাহান্নাম যখন ডাক্তারের হাতে!

এম. এম. হায়দার আলী

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের ফেসবুকে সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের বিতর্ক নয়; এটি প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ, পেশাগত শিষ্টাচার ও গণমাধ্যমের মর্যাদার প্রশ্ন।

গত ২০ অক্টোবর রাতে তাঁর ফেসবুক আইডিতে দেওয়া মন্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার (২৪ অক্টোবর) তালা প্রেসক্লাব ও উপজেলা প্রেসক্লাবের যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তিনি তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—কোনো সংবাদে ভুল থাকলে প্রতিবাদ, সংশোধনী কিংবা আইনগত প্রতিকারের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য কেন?

সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ। তাঁদের দায়িত্ব সমাজের বাস্তব চিত্র, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ জনসমক্ষে তুলে ধরা। আয়নায় নিজের মুখের দাগ দেখে আয়নাকে দোষারোপ করলে দাগ মুছে যায় না। তেমনি কোনো সংবাদে প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা কিংবা অনিয়মের অভিযোগ উঠে এলে প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান এবং ভুল থাকলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া।

অবশ্যই সাংবাদিকেরা ভুলের ঊর্ধ্বে নন। সংবাদে তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রতিবাদ জানাতে পারেন, সংশোধনী চাইতে পারেন কিংবা প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রতিকার নিতে পারেন। কিন্তু একটি পেশার মানুষকে সামগ্রিকভাবে হেয় করে বক্তব্য দেওয়া দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় বহন করে না। সরকারি পদমর্যাদা কাউকে সামাজিক শিষ্টাচারের ঊর্ধ্বে স্থান দেয় না; বরং দায়িত্ব যত বড়, আচরণে সংযমের প্রত্যাশাও তত বেশি।

স্বাস্থ্য বিভাগের মতো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতালের সেবার মান, রোগীদের ভোগান্তি কিংবা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার জবাব হওয়া উচিত তথ্য ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা, হাসপাতালের মালামাল বিক্রি এবং অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় অতিরিক্ত ৪০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ মানববন্ধনে উত্থাপন করেছেন বক্তারা। এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। অভিযোগ উঠলেই তা প্রমাণিত সত্য হয়ে যায় না, আবার তদন্ত ছাড়াই তা উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্য দ্রুত বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তার বক্তব্যকে অনেকে দায়িত্বশীল প্রশাসনিক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখেন। তাই মত প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি সংযম, শালীনতা ও দায়িত্ববোধও জরুরি।
ডা. মিজানুর রহমান পরবর্তী সময়ে তাঁর পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং কোনো গণমাধ্যমকর্মী কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বিরোধ নিরসনে এটি ইতিবাচক উদ্যোগ হতে পারে। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, দায়িত্বশীল আচরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার মানসিকতা।

অন্যদিকে সাংবাদিকদেরও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় তথ্যের নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে। অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অংশ। ভুল হলে সংশোধন করাও পেশাগত সততার পরিচয়। তবে সাংবাদিকদের ভুলের সম্ভাবনাকে অজুহাত করে তাঁদের সামগ্রিকভাবে অবমাননা করার সুযোগ নেই।

প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক প্রতিদ্বন্দ্বিতার নয়; জনস্বার্থে সহযোগিতার। সাংবাদিকেরা প্রশাসনের শত্রু নন, আবার প্রশাসনের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করাও তাঁদের দায়িত্ব নয়। যেখানে ভালো কাজ হবে, সেখানে প্রশংসা থাকবে; অনিয়মের অভিযোগ উঠলে প্রশ্নও থাকবে। সেই প্রশ্নের জবাব তথ্য দিয়ে দেওয়াই দায়িত্বশীলতার পরিচয়।

আমি প্রত্যাশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবেন। অভিযোগের সত্যতা ও প্রযোজ্য বিধিবিধান অনুযায়ী অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলোরও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

আমার এই দাবি প্রতিহিংসার নয়; ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির। কাউকে আগাম দোষী সাব্যস্ত করা নয়, বরং সত্য উদ্ঘাটন ও প্রমাণিত অপরাধের যথাযথ প্রতিকারই হোক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য। কারণ, সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষা করা মানে শুধু একটি পেশার সম্মান রক্ষা করা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সত্য প্রকাশের স্বাধীনতা, জনগণের জানার অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি।

মনে রাখতে হবে, সরকারি পদ সাময়িক, কিন্তু দায়িত্বশীল আচরণের দৃষ্টান্ত দীর্ঘদিন মানুষের মনে থাকে। সাংবাদিকের কলমকে অবজ্ঞা করে নয়, সত্যের মুখোমুখি হওয়ার সাহস দিয়েই একজন কর্মকর্তা তাঁর যোগ্যতার পরিচয় দেন। তাই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপই এখন প্রত্যাশা। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

 

বিক্ষোভের শঙ্কায় ইতালিতে বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের হানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
বিক্ষোভের শঙ্কায় ইতালিতে বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের হানা

 

চলমান অস্থিরতার মাঝে নতুন করে বড় ধরনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ইতালির মিলানসহ একাধিক শহরে ১৫০টি বাড়িতে একযোগে অভিযান চালিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিক্ষোভের নামে সহিংসতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে ৫১ জন অপ্রাপ্তবয়স্কসহ একাধিক সন্দেহভাজনের বাড়িতে এ তল্লাশি চালানো হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

 

‘১৭ অক্টোবর মুভমেন্ট’-এর ব্যানারে শনিবার বিকেলে মিলান, তুরিন, রোম, বোলোনিয়া, নেপলসভিসহ দেশটির ছোট-বড় বিভিন্ন শহরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। জিনিসপত্রের উচ্চমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব এবং ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থনসহ নানা দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

 

 

এর আগে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচিগুলোতে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে মিলান শহরের প্রাণকেন্দ্রে মুখে কাপড় বাঁধা একদল যুবক দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

 

ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েনফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন

গত সপ্তাহের সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ও নতুন করে গোলযোগের আশঙ্কায় মিলান ও নেপলসহ বিভিন্ন শহরের বহু ব্যবসায়ী নিজ নিজ দোকানপাটের জানালা কাঠের তক্তা দিয়ে ঢেকে ঢেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করেছেন।

 

প্রতাপনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াছাত আলীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
প্রতাপনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াছাত আলীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলীর পক্ষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় প্রতাপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়।

এ উপলক্ষে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা প্রার্থীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে মোটরসাইকেলের বহরটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শোভাযাত্রার আগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জামায়াতে ইসলামীর পেশাজীবী বিভাগের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি গাজী মোস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রফেসর শাহজাহান হোসেন ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলী।

বক্তব্যে গাজী মোস্তফা কামাল বলেন, স্থানীয় সরকার থেকে জাতীয় নির্বাচন—সব ক্ষেত্রেই ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে হবে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রিয়াছাত আলী বলেন, “আজকের এই শোভাযাত্রা ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়; বরং ইসলামী আন্দোলন ও সাংগঠনিক স্বার্থে। জামায়াতে ইসলামী আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করায় আমি কৃতজ্ঞ। প্রতাপনগর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

এ সময় প্রতাপনগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মাওলানা অহিদুজ্জামান, সেক্রেটারি মাওলানা আল আমিন, নায়েবে আমির মাওলানা শফিকুল ইসলাম, বাইতুলমাল সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সেক্রেটারি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, মৎস্যজীবী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।