বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

অস্কারে এআই-নির্ভর নির্মাণে কঠোর বার্তা, নিয়মে বড় পরিবর্তন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
অস্কারে এআই-নির্ভর নির্মাণে কঠোর বার্তা, নিয়মে বড় পরিবর্তন

চলচ্চিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের বিস্তার নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস অস্কার পুরস্কারের নিয়মে নতুন পরিবর্তন এনেছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অভিনয় বিভাগে শুধুমাত্র মানুষের প্রকৃত পারফরম্যান্সই অস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এআই বা ডিজিটালভাবে তৈরি কোনো পারফরম্যান্সকে “সিন্থেটিক পারফরম্যান্স” হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

একইভাবে চিত্রনাট্য বিভাগেও মানব-লিখিত কনটেন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এআই ব্যবহার করা গেলেও মূল সৃজনশীলতার কর্তৃত্ব থাকতে হবে মানুষের হাতে।

একাডেমি জানিয়েছে, চলচ্চিত্র নির্মাণে সহায়ক টুল হিসেবে এআই ব্যবহারে কোনো বাধা নেই, তবে সেটি যেন মূল সৃজনশীল প্রক্রিয়াকে প্রতিস্থাপন না করে।

এছাড়া নতুন নিয়মে অভিনয় বিভাগে একজন শিল্পীর একই ক্যাটাগরিতে একাধিক মনোনয়ন পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম বিভাগেও সাবমিশন নীতিতে শিথিলতা আনা হয়েছে, যাতে একাধিক আন্তর্জাতিক উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রও মনোনয়নের যোগ্যতা পেতে পারে।

টেকনিক্যাল বিভাগ ও ভোটিং প্রক্রিয়াতেও কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাডেমি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন অস্কারে এআই-এর প্রভাব নিয়ন্ত্রণ এবং মানব সৃজনশীলতার গুরুত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি স্পষ্ট বার্তা।

Ads small one

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন শুরু

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন (পরীক্ষা) আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। প্রথম দিন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৭ মে) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বাংলা এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

শনিবার (৯ মে) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রাথমিক গণিত এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির বাংলা পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ ছাড়া রোববার (১০ মে) তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক গণিত, সোমবার (১১ মে) একই শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান ও ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, জেলার ১ হাজার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, “প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়নের পাশাপাশি সব বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীর বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে দক্ষতা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, ক্লাস্টারভিত্তিক উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা বিদ্যালয়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনাও প্রস্তুত করেছেন।

উল্লেখ্য, এবারের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ক্ষেত্রে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পরিচালিত বিষয়ে ৫০ শতাংশ ধারাবাহিক এবং ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন রাখা হয়েছে। আর যেসব বিষয়ে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার ভিত্তিতে পাঠদান হয়, সেসব ক্ষেত্রে শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ক্ষেত্রে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকাভিত্তিক বিষয়ে ৩০ শতাংশ ধারাবাহিক এবং ৭০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকাভিত্তিক বিষয়ে থাকবে শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা, পরীক্ষাকক্ষে শৃঙ্খলাপূর্ণ আসন বিন্যাস এবং উত্তরপত্র অন্তত এক বছর সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের সুযোগও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির পাঠদান স্বাভাবিক থাকবে এবং নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী মূল্যায়ন কার্যক্রম চলবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

পানি বাণিজ্য ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
পানি বাণিজ্য ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশে পানির গল্প এখন আর কেবল নদী, খাল বা বৃষ্টির নয়; এটি ক্রমেই হয়ে উঠছে এক জটিল জনস্বাস্থ্য ও নীতিগত সংকটের প্রতিচ্ছবি। একদিকে নিরাপদ পানির তীব্র চাহিদা, অন্যদিকে নিয়ন্ত্রণহীন বাণিজ্যÑএই দুইয়ের সংঘাতে সারা দেশে তৈরি হয়েছে এক নীরব বিপদ, যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু শরীরে বহন করতে হয় বছরের পর বছর। শহর থেকে গ্রামÑসবখানেই এখন “বিশুদ্ধ পানি” নামের একটি বাজার গড়ে উঠেছে। প্লাস্টিকের জার, বোতল বা পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা এই পানি অনেকের কাছে জীবনের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু এই পানির গুণগত মান কতটা নিশ্চিতÑসে প্রশ্নের জবাব আজও অস্পষ্ট।

 

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা, উত্তরাঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়া, এবং বিভিন্ন এলাকায় আর্সেনিক দূষণÑসব মিলিয়ে নিরাপদ পানির সংকট একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। এই প্রেক্ষাপটে মানুষ বিকল্প খুঁজতে গিয়ে ঝুঁকছে বাণিজ্যিক পানির দিকে। ফলে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত গড়ে উঠেছে হাজার হাজার পানি পরিশোধন প্লান্ট। কিন্তু এগুলোর একটি বড় অংশই নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর বাইরে পরিচালিত হচ্ছে।

 

বাংলাদেশে পানি পরিশোধন ও বাজারজাতকরণের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এই খাতের মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, অধিকাংশ ছোট ও মাঝারি পানির প্লান্ট কোনো অনুমোদন ছাড়াই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত পরিদর্শন, নমুনা পরীক্ষা বা লাইসেন্সিং কার্যক্রমÑসবই সীমিত এবং অনেক ক্ষেত্রে কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। ফলে বাজারে “বিশুদ্ধ পানি” নামে যা বিক্রি হচ্ছে, তার একটি বড় অংশই অজানা মানের।

 

রিভার্স অসমোসিস (আরও) প্রযুক্তি এখন বাংলাদেশের পানি পরিশোধন খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত। এটি পানির ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে সক্ষম হলেও এর একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলোÑএটি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানও সরিয়ে দেয়।ফলে আরও প্রযুক্তিতে পরিশোধিত পানি অনেক সময় “ডেড ওয়াটার”-এ পরিণত হয়, যেখানে শরীরের জন্য দরকারি ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম বা পটাশিয়ামের অভাব থাকে। দীর্ঘদিন এই পানি পান করলে শরীরে খনিজের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এছাড়া, ফিল্টার বা মেমব্রেন সময়মতো পরিবর্তন না করলে তা জীবাণুর উৎসে পরিণত হয়। ফলে বিশুদ্ধ করার বদলে পানি আরও দূষিত হয়ে পড়তে পারে।

 

এই নিয়ন্ত্রণহীন পানির বাজার সরাসরি কোনো তাৎক্ষণিক বিপর্যয় তৈরি না করলেও এর প্রভাব ধীরে ধীরে শরীরে জমা হয়। খনিজের ঘাটতি, ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি সমস্যা, শিশুদের শারীরিক বিকাশে প্রভাব এসব ঝুঁকি এখনো অনেকাংশে অদৃশ্য, কারণ এগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়ে না। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো পানির মান যাচাইয়ের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নন। তাদের কাছে স্বচ্ছ ও স্বাদে মিষ্টি পানি মানেই ভালো পানি।

 

এই ধারণা ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ বাজার তৈরি করেছে। অন্যদিকে, বিকল্পের অভাবও একটি বড় কারণ। অনেক এলাকায় নিরাপদ নলকূপ বা পাইপলাইনের পানি না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে বাজারজাত পানির ওপর নির্ভর করছে। প্রথমত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। পর্যাপ্ত জনবল, প্রযুক্তি ও লজিস্টিক সুবিধা না থাকায় তারা কার্যকর তদারকি করতে পারছে না। দ্বিতীয়ত, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা দুর্বল। অনেক প্রতিষ্ঠান কোনো নিবন্ধন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। তৃতীয়ত, সমন্বয়ের অভাব।

 

বিভিন্ন সংস্থা আলাদাভাবে কাজ করলেও একটি সমন্বিত কাঠামো নেই। চতুর্থত, জনসচেতনতা কার্যক্রম অপর্যাপ্ত। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা: শেখার সুযোগ বিশ্বের অনেক দেশে বোতলজাত ও প্রক্রিয়াজাত পানির ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। নিয়মিত পরীক্ষার পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়া, সংরক্ষণ এবং বিতরণÑসবকিছুই নজরদারির আওতায় থাকে। বাংলাদেশেও এই ধরনের কাঠামো আংশিকভাবে থাকলেও তার কার্যকর বাস্তবায়ন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের সব পানির প্লান্টকে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের আওতায় আনতে হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর পানির নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

 

আরও প্রযুক্তিতে পরিশোধিত পানিতে প্রয়োজনীয় খনিজ যোগ করা নিশ্চিত করতে হবে গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, উন্নত নলকূপ এবং পাইপলাইন পানি সরবরাহ বাড়াতে হবে। বাংলাদেশে পানি এখন এক অদ্ভুত দ্বৈত বাস্তবতার মুখোমুখিÑএকদিকে এটি মৌলিক অধিকার, অন্যদিকে এটি লাভজনক পণ্য। এই দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।নিয়ন্ত্রণহীন বাজারের ওপর নির্ভর করে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন শক্তিশালী নীতিমালা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক সদিচ্ছা। নইলে “বিশুদ্ধ পানি” নামের এই নীরব ব্যবসা একদিন বড় জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নেবেÑযার মূল্য দিতে হবে পুরো জাতিকেই।

লেখক: সংবাদ কর্মী

হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
হাম-রুবেলাসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে

হাম-রুবেলা ও ওরাল পোলিওসহ ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে পৌঁছেছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে টিকার এই চালান গ্রহণ করেন।

বুধবার বেলা পৌনে ১২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এই নতুন চালান পৌঁছায়।

হাম-রুবেলা-ওরাল পোলিও ছাড়াও এই চালানে বিসিজি, পেন্টাভ্যালেন্ট, পিসিভি ও টাইফয়েড টিকাও রয়েছে।

চালান গ্রহণ শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ১৫ লাখ ডোজ হামের টিকা দেশে পৌঁছেছে। আগামীতে টিকার আর কোনো সংকট তৈরি হবে না।

তিনি আরো বলেন, মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে এসব টিকা দেশে এনে ইতিহাস গড়েছে সরকার। আগামী ১০ মে’র মধ্যে হামসহ আরো ১০ ধরনের ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসবে।