বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক, এক বিশাল শক্তির আধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক, এক বিশাল শক্তির আধার

প্রকাশ ঘোষ বিধান
মা পৃথিবীর মধুরতম ডাক। সবচেয়ে প্রিয় একটি শব্দ। পৃথিবীতে যতগুলো শব্দ আছে তার মধ্যে মধুর শব্দটি মা। ছোট্ট একটি শব্দ মা, কিন্তু তার বিশাল পরিধি, যেমন মমতা জড়ানো, তেমনি হৃদয় ছোয়া এক বিশাল শক্তির আধার।
মা দিবস কেবল একটি নির্দিষ্ট দিন উদযাপন করা নয়, বরং মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ এবং গুরুত্বকে হৃদয়ে লালন করা। মা শব্দটির মধ্যেই লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় আর অকৃত্রিম মমতা। মা হলেন সংসারের হৃৎস্পন্দন, যার অভাব আর কেউ পূরণ করতে পারে না।

মা দিবস কেবল একটি বিশেষ দিন নয়, বরং বছরের প্রতিটি দিনই মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উপলক্ষ। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ এবং মমতায় গড়ে তোলা জীবনের আধার হলেন মা। এই দিনে বড় কোনো উপহারের চেয়ে মায়ের সাথে সময় কাটানো, তার যতœ নেওয়া এবং তাকে ভালোবেসে আগলে রাখাই শ্রেষ্ঠ উপহার। দিনটি মাতৃত্ব, মাতৃসত্তা এবং সমাজে মায়েদের অবদান ও ত্যাগকে সম্মান জানাতে পালন করা হয়।

আধুনিক মা দিবসের প্রবর্তন করেন মার্কিন নারী আনা জার্ভিস। ১৯০৫ সালে তার মা মারা যাওয়ার পর, সকল মায়ের প্রতি সম্মান জানাতে তিনি এই দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেন। ১৯১৪ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। আনা জারভিস আমেরিকায় মা দিবসের প্রচলন করেন, যা মায়ের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। মায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য প্রতি বছর সারা বিশ্বে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালিত হয় আন্তর্জাতিক মা দিবস।

ভালোবাসা যেন একদিনের জন্য সীমাবদ্ধ না হয়, কারণ মায়ের ত্যাগ প্রতিদিনের। দামি উপহারের চেয়ে মা’র সাথে কিছুক্ষণ কথা বলা, একসাথে খাওয়া বা তার শখের কোনো কাজ করা তাকে বেশি খুশি করবে। ছোটবেলায় মা যেমন আমাদের খেয়াল রেখেছেন, এখন আমাদের দায়িত্ব তার যতœ নেওয়া এবং তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসার স্বীকৃতি দেওয়া। শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের রান্নার গল্প বা পুরনো অ্যালবাম দেখে সময় কাটানো সম্পর্ককে আরো গভীর করে। একটি হাতে লেখা কার্ড বা একটি ভালোবাসার চিঠি যা আপনি কতটা ভালোবাসেন তা বুঝিয়ে বলবে, তা অন্য যে কোনো উপহারের চেয়ে মূল্যবান। সন্তানরা এই দিনে মায়েদের ফুল, শুভেচ্ছা কার্ড, উপহার ও ভালোবাসার বার্তা দিয়ে আনন্দিত করেন। তবে মায়েদের কাছে সবচেয়ে বড় উপহার হলো সন্তানের সময় ও সঙ্গ।

মা দিবস মূলত একটি উপলক্ষ মাত্র। প্রকৃত ভাবনা হলো বছরের প্রতিটি দিনই মাকে ভালোবাসা এবং সম্মান করা। শৈশবে মা যেমন আমাদের শখ পূরণ করেছেন, এখন আমাদের দায়িত্ব মায়ের ছোট ছোট ইচ্ছাগুলোর খেয়াল রাখা। এই দিনে সব মাকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।