বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

আশাশুনিতে ২০০ পরিবারের মধ্যে পানির ট্যাংক বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ২০০ পরিবারের মধ্যে পানির ট্যাংক বিতরণ

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: উপকূলীয় আশাশুনিতে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বেসরকারি সংস্থা ‘উত্তরণ’-এর উদ্যোগে ২০০ পরিবারের মধ্যে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ট্যাংক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার হাড়িভাংগা বাজারে ওয়াটার এইড-এর সহযোগিতায় ও ওয়াটার জাস্টিস ফান্ড (ডব্লিউজেএফ) প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি সদর বাজার কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন প্রিন্স ও প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক আসলাম লিংকন। উপকারভোগীদের পক্ষে বক্তব্য দেন সংগ্রাম নারী উন্নয়ন দলের সভানেত্রী শিউলি সরকার ও সৌহার্দ্য নারী উন্নয়ন দলের সভানেত্রী সুপ্রিয়া ম-ল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, উপকূলীয় এলাকায় পানিতে লবণাক্ততা বেশি থাকায় সুপেয় পানির সংকট প্রবল। উত্তরণ এই সংকট নিরসনে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। তবে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিশ্চিত না করলে এ প্রকল্পের সুফল ধরে রাখা সম্ভব হবে না।

প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর মনিরুজ্জামান জানান, উত্তরণ দীর্ঘ দিন ধরে জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূমিহীনদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। অনুষ্ঠানে ১০০ পরিবারের মধ্যে ২ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পানি সংরক্ষণ ট্যাংক ও প্রয়োজনীয় ফিটিংস সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।

 

Ads small one

মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী মাহমুদকাটীতে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান।
বুধবার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে অনির্বাণ লাইব্রেরি, ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন। অনির্বাণ লাইব্রেরির সহসভাপতি বাসুদেব রায়ের সভাপতিত্বে ও সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সহযোগী অধ্যাপক সফিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী প্রতিটি গাছের দেখভালের ওপর জোর দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘গার্ডিয়ানশিপ’ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

খুলনায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
খুলনায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস পালিত

খুলনা ব্যুরো: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বুধবার রাতে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন মানবদরদি, সমাজ সংস্কারক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁর সাহিত্য মানবিকবোধ জাগ্রত করে।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান এবং স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা কালচারাল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম।

 

সম্পাদকীয়/ সংকটে কেশবপুরের অবোলা ঐতিহ্য: দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ সংকটে কেশবপুরের অবোলা ঐতিহ্য: দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

যশোরের কেশবপুরের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান। অথচ প্রকৃতির এই সুন্দর সৃষ্টিগুলো আজ চরম খাদ্য সংকটে পড়ে অস্তিত্ব রক্ষায় দিশেহারা। লোকালয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওদের আনাগোনা কিংবা মানুষের দুয়ারে গিয়ে আহত হনুমানের চিকিৎসার করুণ আকুতি কেবল খাবারের অভাবকেই তুলে ধরে না, বরং প্রাণী সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার এক বড় দুর্বলতা স্পষ্ট করে তোলে।
বনজ সম্পদের দ্রুত হ্রাস এবং সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে অবোলা প্রাণীগুলো লোকালয়ে এসে নিয়মিত দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার শিকার হচ্ছে। সরকারিভাবে দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ কলা, পাউরুটি, বাদাম ও সবজি বরাদ্দ দেওয়া হলেও চার শতাধিক হনুমানের চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই অপ্রতুল। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো গণনা না হওয়ায় প্রয়োজনের সঠিক হিসাবও আড়ালে রয়ে যাচ্ছে। প্রাণী ও মানুষের সংঘাত এড়াতে অবিলম্বে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সেগুলো হলোÑ অবিলম্বে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে হনুমানের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী দৈনিক খাদ্য বরাদ্দ কয়েকগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। বসতবাড়ি ও ফলজ বাগান রক্ষায় নির্দিষ্ট অভয়ারণ্যে পর্যাপ্ত ফলদ গাছ রোপণ ও নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার। বিপজ্জনক বিদ্যুৎলাইন ও তারগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, যেন খাদ্যের খোঁজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আর কোনো হনুমানের প্রাণহানি না ঘটে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ টিম প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন। কেশবপুরের কালোমুখো হনুমান রক্ষায় বন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সময়মতো সঠিক উদ্যোগ না নিলে এই বিরল প্রজাতিটি আমাদের হাত থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে।