শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

আশাশুনির বড়দলে আকস্মিক টর্নেডোয় চারটি কাঁচা ঘর লন্ডভন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
আশাশুনির বড়দলে আকস্মিক টর্নেডোয় চারটি কাঁচা ঘর লন্ডভন্ড

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে আকস্মিক টর্নেডো ঝড়ে চারটি কাঁচা বসতঘর লন্ডভন্ড হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে উত্তর বাইনতলা গ্রামে প্রবল বাতাসের সঙ্গে আকস্মিক এ ঝড়ের ঘটনা ঘটে। এতে চারটি বসতঘর, ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে হঠাৎ প্রচন্ড বেগে বাতাস শুরু হয়। একপর্যায়ে টর্নেডোর মতো ঝড়ে উত্তর বাইনতলা গ্রামের মৃত রহিম মোল্যার ছেলে দাউদ মোল্যা, আইয়ুব আলী মোল্যা, সাহেব আলী মোল্যা ও তার ছেলে নয়ন মোল্যার মোট চারটি কাঁচা বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের তান্ডবে ঘরের এলবেস্টারের ছাউনি ও বেড়া উড়ে যায়। একই সঙ্গে ঘরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে এবং ভেতরে থাকা আসবাবপত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে বড়দল ইউনিয়নের জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গফুর সানা ও চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম শরীফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরে আব্দুল গফুর সানা ও শরিফুল ইসলাম শরীফ নিজস্ব তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তারা।

এদিকে, টর্নেডো ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি জানতে লোক পাঠিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

 

Ads small one

একদিন পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার সুলতানপুরের নিখোঁজ শিশু ইব্রাহিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
একদিন পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরার সুলতানপুরের নিখোঁজ শিশু ইব্রাহিম

সংবাদদাতা: নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘন্টা পার হলেও উদ্ধার হয়নি সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের আব্দুল মতিন এর পুত্র ইব্রাহিম হোসেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টার দিক থেকে ইব্রাহিম হোসেনকে তার নিজ বাড়ির সামনে সুলতানপুর দক্ষিণপাড়া বায়তুল্লাহ জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দান এলাকা থেকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ইব্রাহিমের বয়স ১০ বছর। সে শহরের ইটাগাছা দারুল উলুম মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র। তার পরনে ব্লু কালারের প্যান্ট ও গেঞ্জি পরা ছিল।

পরিবারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজখবর করা অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে। সাধারণ ডায়রি নং ১৭১৭ তারিখ ২৫/০৯/২০২৬। তার কোন সন্ধান পাওয়া গেলে ০১৩২২৬৭৫১৭৪ অথবা ০১৯৩৯৫২৮৭৮৬ নং এ জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

 

 

 

 

ভোমরা বন্দরে দুইমাসে প্রায় ২২ হাজার টন টমেটো আমদানি, তারপরও কমছে না দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
ভোমরা বন্দরে দুইমাসে প্রায় ২২ হাজার টন টমেটো আমদানি, তারপরও কমছে না দাম

এম শফিকুল ইসলাম: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দুই মাসের (জুলাই-আগস্ট) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭২৩ টি ট্রাকে ২১ হাজার ৯১৪ মেট্রিকটন টমেটো আমদানি হয়েছে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভোমরা বন্দর থেকে খালাস হওয়া টমেটোর সিংহভাগ চালান সরাসরি দেশের অন্যান্য জেলায় চলে যাচ্ছে। ফলে সাতক্ষীরার স্থানীয় হাট-বাজার সরবরাহ তেমন বাড়েনি। উল্টো সরবরাহ ঘাটটির অজুহাতে পাইকারি ও খুচরা বাজারে টমেটোর দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

 

বাজার ঘরে দেখা গেছে, বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে প্রতি কেজির দাম ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা। পঁচনশীল পণ্য হওয়ায় বেশি দিন মজুদ রেখে বিক্রি করা সম্ভব হয় না বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পৌঁছে যাওয়ার আগেই বিক্রি করতে না পারলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

ভোমরা বন্দরের একজন আমদানিকারক জানান, দেশের বাজারে টমেটোর প্রচুর চাহিদা থাকায় সরকার আমদানির উপর ১৩ শতাংশ শুল্কায়ন নির্ধারণ করে দেয়। আগে প্রতি কেজি টমেটো আমদানিতে ২৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ ছিল। বর্তমানে প্রতি কেজিতে ১৪ শতাংশ শিল্প কমিয়ে ১৩ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সরকারের পক্ষ থেকে শুল্ক কমিয়ে আনার পথ থেকে আমদানি কারক ব্যবসায়ীরা টমেটো আমদানিতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।

 

অনুমোদনপ্রাপ্ত আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা প্রায় প্রতিদিন ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারত থেকে টমেটো আমদানি বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মিজানুর রহমান জানান, বাণিজ্য পরিচালনয়ে অগ্রগতি, উন্নয়ন ও সাফল্যের সমন্বয়ে ভোমরা স্থলবন্দর একটি ব্যবসা বান্ধব স্থান দখল করে নিতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অগ্রগতি দেশের অর্থনৈতিক পরিমন্ডলে নতুনভাবেই মূল্যায়িত হচ্ছে।

 

 

সিলেটের পাহাড়-নদী-পাথরের সৌন্দর্য উপভোগে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সদস্যরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
সিলেটের পাহাড়-নদী-পাথরের সৌন্দর্য উপভোগে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাহাড়-মেঘ, নদীর স্বচ্ছ জলরাশি, পাথর আর সবুজের মেলবন্ধনে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকনের মাধ্যমে সুন্দর অঞ্চলের সাথে সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য খুঁজতে সিলেট অঞ্চল ভ্রমণ করেছেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধি দল।

শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে শুক্রবার ও শনিবার সিলেটের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন তারা। এই সফরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি দেশের ভিন্ন অঞ্চলের পরিবেশ ও জনজীবন সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছেন তারা।

শুক্রবার সকালে সিলেট পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন। এরপর প্রথমেই নৌকায় করে লালাখালের সৌন্দর্য উপভোগ করেন তারা। লালাখালের স্বচ্ছ নীল জলধারা, পাহাড় ও সবুজের সমারোহ তাদের মুগ্ধ করে।

এরপর তারা যান জাফলংয়ে। খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ পানি ও পাথুরে সৌন্দর্য উপভোগ করেন সাংবাদিকরা। পরে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘আগুন পাহাড়’ দেখার পর হযরত শাহপরান (রহ.) ও হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন তারা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালেই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ সাদা পাথরে পৌঁছান। ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে নেমে আসা ধলাই নদীর স্বচ্ছ জলধারা এবং নদীর বুকে ছড়িয়ে থাকা সাদা পাথর আর মেঘালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যে মেতে ওঠেন তারা। প্রকৃতির এই বৈচিত্র‌্যময় রূপ সফরকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে। সাদা পাথর থেকে দুপুরে তারা যান গোয়াইনঘাটের রাতারগুল জলাবনে। নৌকায় করে জলাবনের নীরব প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করে সেখানে কিছু সময় কাটান তারা।

সফরকারীদের জেলা সাতক্ষীরার মানুষের জীবন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সেই উপকূল থেকে সিলেটের পাহাড়, নদী ও জলাবনের ভিন্ন পরিবেশে এই সফর সাংবাদিকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সদস্যরা জানান, শিক্ষা সফরের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রকৃতি, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে।

সফরকারী দলে নেতৃত্ব দেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক আহসান রাজীব (এখন টিভি/জাগোনিউজ), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী (এনপিবি/ঢাকাটাইমস), নির্বাহী সদস্য (অর্থ) বিপ্লব হোসেন (মানবজমিন), মোশারফ হোসেন (কালের কণ্ঠ), তানজির কচি (বাংলানিউজ), আসাদুজ্জামান (বাংলাট্রিবিউন), রাহাত রাজা (গ্লোবাল টিভি), হাবিবুর রহমান সোহাগ (স্বদেশ প্রতিদিন), রিজাউল করিম (দ্য এডিটরস), ইব্রাহিম খলিল (ঢাকাপোস্ট), মিলন রুদ্র (টাইমস টুডে), মৃত্যুঞ্জয় রায় (বার্তা টুয়েন্টিফোর), আলী মুক্তাদা হৃদয় (হৃদয় বার্তা) ও হাবিবুল হাসান (পত্রদূত)।