রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটাই হুটহাট সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং উপদেষ্টাদের পরামর্শ এড়িয়ে চলছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে তিনি যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্প মূলত ইরানের কতগুলো লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে, সেসব কৌশলগত হিসাব নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ইরানের অভ্যন্তরে বড় কোনও বিস্ফোরণের ফুটেজ দেখতে তিনি পছন্দ করতেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইরানের আকাশসীমায় দুটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার খবর জানার পর ট্রাম্প কয়েক ঘণ্টা ধরে তার সহযোগীদের ওপর চিৎকার করেছেন। একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টকে সিচুয়েশন রুম থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। কারণ তার অস্থিরতা পরিস্থিতির উন্নয়নে কোনও কাজে আসবে না বলে মনে করতেন তারা।

দ্বিতীয় বিমানচালক উদ্ধার হওয়ার পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ধারাবাহিক হুমকি দিতে শুরু করেন। ইস্টার সানডের সকালে অশ্রাব্য ভাষায় তিনি হুমকি দিয়েছিলেন। ওই পোস্টের শেষে তিনি লিখেছিলেন, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইস্টার ডে-র দিনে প্রেসিডেন্টের মুখে অশ্লীল ভাষা এবং মুসলিম শব্দবন্ধ ব্যবহারের কারণে রিপাবলিকান সিনেটর ও খ্রিস্টান নেতারা হোয়াইট হাউসে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে ট্রাম্প এক উপদেষ্টাকে বলেছিলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করতে তিনি নিজেই এই ‘আল্লাহ’ লাইনটি লিখেছিলেন, যাতে তাকে অস্থির ও অনিশ্চিত মনে হয়। কয়েক দিন পর ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে’ বলে তিনি যে হুমকি দিয়েছিলেন, সেটিও উপদেষ্টাদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় ছাড়াই হুট করে দেওয়া হয়েছিল। ইরানকে ভয় পাইয়ে দিয়ে চুক্তিতে রাজি করানোর জন্যই এটি করা হয়েছিল বলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানান।

ট্রাম্পের চুক্তি করার আগ্রহের পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা অবাক হয়েছিলেন যে, ইরান কত দ্রুত ও সহজে এই জলপথটি বন্ধ করে দিতে পেরেছে। ট্রাম্প নিজেও অবাক হয়ে বলেছেন, ‘ড্রোন হাতে একজন মানুষ কত সহজে হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে!’। জ্বালানি কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীরা জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা ট্রাম্পকে মাঝেমধ্যে চাপে রাখলেও, কখনও কখনও তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘন ঘন ফোন সাক্ষাৎকার তার প্রেস টিমের সঙ্গে সমন্বয় করা ছিল না। প্রেস টিম তাকে মিডিয়াতে কথা কমানোর পরামর্শ দিলেও তিনি তা শোনেননি। তার উপদেষ্টারা তাকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পরামর্শ দিলে তিনি তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, ‘তিনি কী বলবেন? তিনি তো জয় ঘোষণা করতে পারছিলেন না। পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিজেও জানতেন না।’ শেষ পর্যন্ত ১ এপ্রিল তিনি ভাষণ দিলেও যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে বা জনসমর্থন বাড়াতে খুব একটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি।

ইরানকে আলোচনায় আসার সময়সীমা দেওয়ার পরও ট্রাম্পের মনোযোগ ছিল ইন্ডিয়ানার নির্বাচন, মধ্যবর্তী নির্বাচন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির দিকে। দূত স্টিভ উইটকফসহ শীর্ষ উপদেষ্টাদের তিনি কেবল ইরানকে চুক্তিতে রাজি করানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসের বলরুম সংস্কার এবং আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

Ads small one

কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
কপিলমুনিতে হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

oplus_0

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনির কাশিমনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামি মহিদুল গাজীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কাশিমনগর বাজারের প্রধান সড়কে মানববন্ধন, পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাজসেবক এম বুলবুল আহমেদের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য দেন পাইকগাছা উপজেলা মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মাজেদা পারভীন, মাওলানা আবু মুসা, গোলাম মোস্তফা গাজী ও তাসমিরা খাতুন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও নিজের ভাবিকে হত্যাকারী মহিদুল গাজীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চাচা মহিদুল গাজী আমার মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল জামিনে বেরিয়ে আসার পর থেকে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা উল্টো তাদের ও মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। এই পরিস্থিতিতে তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেন।

২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
২৩ শতক জমি নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবি

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের ঘরচালা মাঠপাড়া গ্রামে প্রায় ২৩ শতক জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। উভয় পক্ষই নিজেদের জমির বৈধ মালিক দাবি করে আসায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালত ও ভূমি প্রশাসনের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বল্লী ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মৌজার সাবেক ২৪৮, ২৮৪, ২৮৭ সহ কয়েকটি দাগের অন্তর্ভুক্ত ২৩ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। বাদীপক্ষের মাসুরা খাতুন ও উজির আলী ফকির বিএস খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধনের আবেদনসহ সায়েদ আলী মোড়লের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে বিবাদী সায়েদ আলী মোড়ল দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জমির নামজারি (মিউটেশন) তার নামে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করছেন। আবেশ আলী সরদারের কাছ থেকে তিনি জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ তাকে জমিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। তবে অন্য অংশীদার আবু তালেব ফকির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, সায়েদ আলীর কাগজপত্র জাল। জমিটি বর্তমানে তাদের দখলে রয়েছে এবং এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে তারা সহকারী জজ ভূমি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
মাসউকের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র (মাসউক) সাতক্ষীরার উদ্যোগে ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ২০২৫-২০ছঞ মেয়াদের প্রশিক্ষকদের তিন দিনব্যাপী ‘প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ’ (টিওটি) কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে লোহাগড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
এর আগে নড়াইল মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালমা জামান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির লোহাগড়া শাখা ব্যবস্থাপক মো. আলমগীর ফারুক এবং মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জীবন দক্ষতামূলক ও আয়বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন মডিউলের ওপর বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র রায় এবং মাস্টার ট্রেইনার মো. গিয়াসউদ্দিন। প্রশিক্ষণে মোট ১০জন প্রশিক্ষক অংশ নেন। সমাপনী দিনে মাসউকের হলরুমে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শিরিনা খাতুন।