রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিলেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটাই হুটহাট সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং উপদেষ্টাদের পরামর্শ এড়িয়ে চলছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে তিনি যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্প মূলত ইরানের কতগুলো লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে, সেসব কৌশলগত হিসাব নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ইরানের অভ্যন্তরে বড় কোনও বিস্ফোরণের ফুটেজ দেখতে তিনি পছন্দ করতেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইরানের আকাশসীমায় দুটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার খবর জানার পর ট্রাম্প কয়েক ঘণ্টা ধরে তার সহযোগীদের ওপর চিৎকার করেছেন। একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টকে সিচুয়েশন রুম থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। কারণ তার অস্থিরতা পরিস্থিতির উন্নয়নে কোনও কাজে আসবে না বলে মনে করতেন তারা।

দ্বিতীয় বিমানচালক উদ্ধার হওয়ার পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ধারাবাহিক হুমকি দিতে শুরু করেন। ইস্টার সানডের সকালে অশ্রাব্য ভাষায় তিনি হুমকি দিয়েছিলেন। ওই পোস্টের শেষে তিনি লিখেছিলেন, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইস্টার ডে-র দিনে প্রেসিডেন্টের মুখে অশ্লীল ভাষা এবং মুসলিম শব্দবন্ধ ব্যবহারের কারণে রিপাবলিকান সিনেটর ও খ্রিস্টান নেতারা হোয়াইট হাউসে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে ট্রাম্প এক উপদেষ্টাকে বলেছিলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করতে তিনি নিজেই এই ‘আল্লাহ’ লাইনটি লিখেছিলেন, যাতে তাকে অস্থির ও অনিশ্চিত মনে হয়। কয়েক দিন পর ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে’ বলে তিনি যে হুমকি দিয়েছিলেন, সেটিও উপদেষ্টাদের সঙ্গে কোনও সমন্বয় ছাড়াই হুট করে দেওয়া হয়েছিল। ইরানকে ভয় পাইয়ে দিয়ে চুক্তিতে রাজি করানোর জন্যই এটি করা হয়েছিল বলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানান।

ট্রাম্পের চুক্তি করার আগ্রহের পেছনে অন্যতম বড় কারণ হলো হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা অবাক হয়েছিলেন যে, ইরান কত দ্রুত ও সহজে এই জলপথটি বন্ধ করে দিতে পেরেছে। ট্রাম্প নিজেও অবাক হয়ে বলেছেন, ‘ড্রোন হাতে একজন মানুষ কত সহজে হরমুজ বন্ধ করে দিতে পারে!’। জ্বালানি কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীরা জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। জ্বালানি বাজারের এই অস্থিরতা ট্রাম্পকে মাঝেমধ্যে চাপে রাখলেও, কখনও কখনও তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘন ঘন ফোন সাক্ষাৎকার তার প্রেস টিমের সঙ্গে সমন্বয় করা ছিল না। প্রেস টিম তাকে মিডিয়াতে কথা কমানোর পরামর্শ দিলেও তিনি তা শোনেননি। তার উপদেষ্টারা তাকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পরামর্শ দিলে তিনি তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, ‘তিনি কী বলবেন? তিনি তো জয় ঘোষণা করতে পারছিলেন না। পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিজেও জানতেন না।’ শেষ পর্যন্ত ১ এপ্রিল তিনি ভাষণ দিলেও যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে বা জনসমর্থন বাড়াতে খুব একটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি।

ইরানকে আলোচনায় আসার সময়সীমা দেওয়ার পরও ট্রাম্পের মনোযোগ ছিল ইন্ডিয়ানার নির্বাচন, মধ্যবর্তী নির্বাচন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির দিকে। দূত স্টিভ উইটকফসহ শীর্ষ উপদেষ্টাদের তিনি কেবল ইরানকে চুক্তিতে রাজি করানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসের বলরুম সংস্কার এবং আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের মতো বিষয়গুলোতে মনোযোগ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

Ads small one

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্য: সহকারী শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্য: সহকারী শিক্ষককে কৈফিয়ত তলব

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (মেসেঞ্জার গ্রুপে) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আব্দুল খালেক উপজেলার ৭৪ নম্বর নলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

তিনি ‘নলতা ক্লাস্টার, কালিগঞ্জ’ নামের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে গত ১৭ ও ১৮ এপ্রিল একাধিক পোস্টে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ, অমর্যাদকর ও অপমানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই গ্রুপটি সরকারি তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ এপ্রিল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ উপলক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনভিজিলেটরদের ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে ব্যঙ্গ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন ওই শিক্ষক। পাশাপাশি কালিগঞ্জের একটি তেল পাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অপ্রাসঙ্গিক ও অপমানজনক মন্তব্য করেন এবং তেল পাম্প ঘেরাওয়ের আহ্বান জানান, যা শিক্ষকদের ফৌজদারি অপরাধে প্ররোচিত করার শামিল বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এসব কর্মকা- সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ লঙ্ঘনের শামিল। পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০২৩ অনুযায়ীও তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী কেন তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- সে বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব তিন কর্মদিবসের মধ্যে দাখিল করতে হবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আব্দুল খালেকের বক্তব্য জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

শ্যামনগরে এবার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার্থী ২৯৭৮ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে এবার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার্থী ২৯৭৮ জন

 

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় চলতি বছরে ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭৩১ জন। দুটি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১০১জন ও দুটি কেন্দ্রে ভকেশনাল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪৬ জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, এসএসসি মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৯২২জন ও ছাত্রী ৮০৯জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষার্থী ৬২০জন, মানবিক বিভাগে পরীক্ষার্থী ৯৬৫জন ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষার্থী ১৩৬ জন।
কেন্দ্র অনুযায়ী নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ৬৪১জন, নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ৪৪৯জন ও নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৬৪১ জন।
দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র অনুযায়ী শ্যামনগর কেন্দ্রিয় দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৭০৬জন ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষ্মী কাদেরিয়া ফাজিল(ডিগ্রী) মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ৩৯৫জন।
ভকেশনাল পরীক্ষার্থী কেন্দ্র অনুযায়ী শ্যামনগর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে মোট পরীক্ষার্থী ৬৪জন ও নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৮২জন।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কক্ষ পরিদর্শকদের প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি, দাখিল ও ভকেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: দুর্ভোগের নাম মরিচ্চাপ নদী; শুধু আশ্বাস নয়, প্রয়োজন টেকসই সমাধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: দুর্ভোগের নাম মরিচ্চাপ নদী; শুধু আশ্বাস নয়, প্রয়োজন টেকসই সমাধান

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বাঁকড়া এলাকায় জোয়ারের স্রোতে কাঠের সাঁকো ভেসে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গত শুক্রবার দুপুরে বাঁকড়া ও কুন্দুড়িয়া গ্রামের সংযোগকারী এই একমাত্র পারাপার ব্যবস্থাটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় ১০টি গ্রামের মানুষ এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ শ্রমজীবীÑসবার যাতায়াত এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
উল্লেখ্য যে, এখানে ইতিপূর্বে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে একটি কংক্রিট সেতু ছিল। কিন্তু তিন-চার বছর আগে নদী খননকালে সেটি ধসে পড়ে। এরপর থেকে এলাকাবাসীর ভাগ্য ঝুলে ছিল একটি নড়বড়ে কাঠের সাঁকোতে। সেই সাঁকোটিও এখন নেই। প্রশ্ন জাগে, একটি জনগুরুত্বপূর্ণ পথে বছরের পর বছর কেন একটি স্থায়ী ও মজবুত সেতু নির্মিত হলো না? স্থানীয় বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে পড়েছে। জরুরি চিকিৎসায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া এখন প্রায় দুঃসাধ্য। বুধহাটা, পাইথালী ও ব্যাংদহার মতো বড় বাজারগুলোর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে সময় ও খরচÑউভয়ই দ্বিগুণ বেড়েছে, যা নি¤œআয়ের মানুষের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।
শনিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় কাঠের সাঁকো তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই, কারণ সাময়িকভাবে জনদুর্ভোগ কমাতে এর বিকল্প নেই। তবে বাস্তবতা হলো, জোয়ার-ভাটার এই উত্তাল নদীতে কাঠের সাঁকো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। যে কোনো সময় এটি আবারও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। তারা কেবল জোড়াতালির সংস্কার চান না, বরং একটি টেকসই কংক্রিট সেতু চান। এলজিইডি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে কেবল ব্যয়ের হিসাব জমা দিলেই চলবে না, বরং দ্রুততম সময়ে একটি আধুনিক ও মজবুত সেতু নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।
সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে লড়াই করে চলে। সেখানে প্রশাসনিক অবহেলার কারণে যাতায়াত ব্যবস্থার এমন বেহাল দশা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা আশা করি, এমপির দেওয়া এক সপ্তাহের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে এবং অতি দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের কান্নার অবসান ঘটবে।