শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

কলারোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শফিউল আলম শফির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শফিউল আলম শফির মতবিনিময়

কলারোয়া প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব ও ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী শফিউল আলম শফি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলারোয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শফিউল আলম বলেন, দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে চন্দনপুর ইউনিয়নকে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মাদকমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে কাজ করবেন। সব দল ও মতের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করাই তাঁর লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও ক্রীড়া কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম জোরদার করে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। সভায় কলারোয়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ সাজেদসহ সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

সম্পাদকীয়/ আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

১৯৭১ সালে অগুণতি আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, তার মূল চেতনা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। কিন্তু স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই দেশজুড়ে তৈরি হয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থব্যবস্থার স্থবিরতা এবং সহিংস মেরুকরণে যখন জাতীয় অস্তিত্বই হুমকির মুখে, ঠিক তখনই ইতিহাসের বাঁক বদলে সামনে আসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নম্বরের ভূমিকা কোনো সাময়িক ঘটনার ফ্রেমে বন্দী নয়; বরং এটি ছিল দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী এক যুগান্তকারী মুহূর্ত। ৩ নভেম্বরের সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেনাবহিনী ও রাষ্ট্রের ভেতরে যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভাবনীয় ঐক্যের মাধ্যমে তার অবসান ঘটে। খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল আবু তাহেরের রাজনৈতিক সমীকরণ ও কৌশলের বিপরীতে সাধারণ সিপাহি ও জনগণের আস্থার ঠিকানা হয়ে ওঠেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এ দিন দেশবাসী যেন নিজেদের হারানো বিশ্বাস ও স্বকীয়তা পুনর্র্নিধারণের পথ খুঁজে পায়।

৭ নভেম্বরের মাধ্যমে ক্ষমতার দৃশ্যপটে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশে সূচনা হয় এক অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্যের। তৎকালীন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়—ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা দীর্ঘকাল লৌহকপাট শাসনের বন্দিদশায় রেখেছিলেন নিজ নিজ দেশকে। কিন্তু সামরিক পথ ধরে দায়িত্বে এসেও জিয়াউর রহমান ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি অতি দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে রাষ্ট্রকে গণতন্ত্রের সুগম পথে চালিত করেন এবং রাজনীতিকে সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেন।

জিয়াউর রহমানের এই যুগান্তকারী যাত্রায় অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও আসে বিরাট পরিবর্তন। উদার উন্মুক্ত বাজার অর্থনীতির দুয়ার খুলে দেওয়া হয়। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ, বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও ক্ষুদ্রঋণের প্রচার-প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হয়। এতে একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণু অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসে, অন্যদিকে দেশের আর্থ-সামাজিক চিত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে।

রাজনীতির ক্ষেত্রেও তিনি প্রদর্শন করেন এক অনন্য প্রজ্ঞা। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর পতাকাতলে সবাইকে একতাবদ্ধ করে ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন জাতি গঠনে সবাইকে যুক্ত করেন। বাকশালে নিষিদ্ধ ও বিলুপ্ত রাজনৈতিক দলগুলো আবার প্রকাশ্যে রাজনীতি চর্চার সুযোগ পায়, যা বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশকে ত্বরান্বিত করেছিল।

মূলত, ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ আবারও যে একটি ইস্পাতদৃঢ় রাজনৈতিক ও জাতীয় ঐক্যে শামিল হতে পেরেছিল, তা সম্ভব হয়েছিল ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক সংহতির কারণেই। সার্বভৌমত্ব রক্ষা, আত্মমর্যাদাশীল অর্থব্যবস্থা গঠন এবং প্রকৃত গণতন্ত্রের ভিত পুনর্নির্মাণের যে সূচনা সেদিন হয়েছিল, তা-ই আজকের আধুনিক বাংলাদেশের শক্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোর মূল ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে বিবেচিত।

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

দুধে ধোয়া মুখ
মোঃ রহমত আলী
তারা কেন আয়না দেখবে?
তারা তো আয়না দেখবে না!
তারা শুধু অন্যকেই আয়না দেখাবে।
তাদের কাজ তো অনেক! তবে অন্যতম
হলো এক আঙুল অপরকে দেখিয়ে চলা!
অথচ তিন আঙুল কিন্তু নিজের দিকেই।

তারা কেন আয়নার মুখোমুখি দাঁড়াবে!
তাদের তো আর জবাবদিহির চিন্তা নেই,
কোনো পরিকল্পনাও নেই।
তাই তারা কেন আয়না দেখবে?
তারা তো শুধু আয়নাই দেখাবে;
নিজের দুধে ধোয়া মুখ গঙ্গা জলে দেখবে।

ক থেকে কবি
মোঃ রহমত আলী
ঠিকঠাক শব্দার্থই জানি না,
জানবোই বা কী করে!
এখনো যে শব্দের সঠিক উচ্চারণই শিখিনি।
বাক্যগঠন তো দূরের কথা,
ক থেকে কবিতা, ক থেকে কবি হয়ে যাই।
ব থেকে বোকা, ব থেকে বকবক করে যাই।
ত থেকে তালহীন তার ছেঁড়া তানপুরা বাজাই।
আর কাব্য, সে তো অনেক সুদূরের কথা,
বাগধারাটাও যা আমার আয়ত্তে মোটেও নেই।

বর্ণমালাগুলো তো ঠিকই ছিল,
কিন্তু ব্যাকরণ অতটা সহজ ছিল না;
সারাংশ আমার বুঝে আসেনি,
আর ভাবসম্প্রসারণ এমনিতেই গুলিয়ে ফেলি।
কখনো রামায়ণ পড়িনি, তবে শুনেছি,
শোনা কথা কী আর খুলে বলা যায়!
যদিও রাজমহলে কোনোদিন যাইনি,
তবে রাজার রাজ্যে আছি, প্রজা আমিও।

নিন্দুক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
নিন্দুক

গৌতম মন্ডল
নিন্দুকেরা নিন্দা করে,
সুযোগ পেলেই কথা বলে।
অন্যের সুখ সহ্য হয় না,
হিংসার আগুন অন্তরে জ্বলে।

নিজের ঘরে অন্ধকার,
অন্যের ঘরে খোঁজে দোষ।
পরের সুখে জ্বলে তারা,
মনে জমে আক্রোশ।

ওরা কারা? যারা সর্বদা
পরের সমালোচনায় ব্যস্ত?
ওরাই নিন্দুক, ওরাই বোঝে
অন্যের জীবন নিয়ে তুষ্ট।

নিন্দুকেরা নিন্দা করুক,
আমি চলব আপন পথে।
সত্য ও সততা থাকুক সঙ্গী,
জীবন কাটুক সম্মানেতে।