বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সংবাদদাতা: দেশব্যাপী নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও উস্কানিমূলক কর্মকা-ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে উপজেলা মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মাহমুদ ছট্টুর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুলের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রোকনুজ্জামান রোকন।
সমাবেশে অন্য বক্তারা দেশব্যাপী নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানান এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ মিছিলে মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ নাজমুল ইসলাম বাবু, রতনপুর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান আকাশ, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ গোলাম মোস্তফা, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওসমান ও সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমানসহ উপজেলা যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

Ads small one

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সমন্বিত প্রয়াস ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সমন্বিত প্রয়াস ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন

প্রকাশ ঘোষ বিধান

সড়ক দুর্ঘটনা বর্তমানে একটি জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এবং পরিবারগুলোকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। এ জন্য কেবল চালকদের দায়ী না করে পুরো সড়ক ব্যবস্থাকে নিরাপদ করার ওপর জোর দিতে হবে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য চালক, পথচারী, সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিশেষজ্ঞদের যৌথ অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে একটি সমন্বিত প্রয়াস এবং সুদূরপ্রসারী দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণহানি এবং পঙ্গুত্ব বরণের ঘটনা শুধু ব্যক্তি বা পরিবারের বিপর্যয় নয়, বরং এটি জাতীয় অর্থনীতির জন্যও একটি বড় ধাক্কা। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য কোনো একক পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; বরং সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যে সকল সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। লক্কড়ঝক্কড় ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে এবং নিয়মিত যানের পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ট্রাফিক আইন অমান্যকারী, বেপরোয়া চালক এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। রাস্তায় চলাচলকারী প্রতিটি যানবাহনের নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং লাইসেন্সবিহীন বা ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, আধুনিক এবং দুর্নীতিমুক্ত করা। গতিসীমা মানা, সিটবেল্ট ও হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং মদ্যপান বা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো রোধে আইন প্রয়োগ জোরদার করতে হবে।

সড়কে পর্যাপ্ত আলো, স্পষ্ট সাইনবোর্ড, জেব্রাক্রসিং এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সড়ক ও বাঁক নির্মাণ করতে হবে। নগর পরিকল্পনা ও গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করতে হবে যাতে অতিরিক্ত ঝুঁকি কমে। মহাসড়কের বিপজ্জনক মোড় বা ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কার করা এবং লেন বিভাজক (ডিভাইডার) স্থাপন করা। পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের জন্য পর্যাপ্ত ফুটওভার ব্রিজ, আন্ডারপাস এবং জেব্রা ক্রসিং তৈরি ও তা ব্যবহারে বাধ্য করা। দূরপাল্লার মহাসড়কগুলোতে ধীরগতির যানবাহন রিকশা, ভ্যান, নসিমন জন্য আলাদা সার্ভিসের লেনের ব্যবস্থা করা।

মহাসড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ এবং বেপরোয়া ড্রাইভিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে আইটিএস বা ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম চালু করা দীর্ঘমেয়াদে অত্যন্ত কার্যকর। গণপরিবহনে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম বাধ্যতামূলক করা উচিত। চালকদের জন্য নিয়মিত পেশাদার প্রশিক্ষণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা। চালকদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা জরুরি। দূরপাল্লার চালকদের একটানা অতিরিক্ত সময় গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ করা এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া জন্য মহাসড়কে বিশ্রামাগার তৈরি প্রয়োজন।

দুর্ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত রোগী স্থানান্তরের জন্য ডেডিকেটেড অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু রাখতে হবে। সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা বিনা প্রশ্নে দেওয়া আইনিভাবে বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।

বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই শিশুদের ট্রাফিক নিয়ম ও সড়ক সচেতনতা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া। টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা। সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে কেবল একটি নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নয়, বরং সরকার, চালক, যাত্রী এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন।

সড়ক নিরাপত্তা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। পরিবহন মালিক, শ্রমিক, যাত্রী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বয়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলেই কেবল সড়ক দুর্ঘটনা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা সম্ভব। জাতিসংঘের দ্বিতীয় দশক কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১-২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি একক কোনো কর্তৃপক্ষ বা নিয়মের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।

বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য অর্জনে একটি সুনির্দিষ্ট, কাঠামোগত এবং দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে একটি সমন্বিত উদ্যোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ কেবল বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে সড়কে স্থায়ী শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা অসম্ভব।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সমন্বিত প্রয়াস ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা একটি নিরাপদ ও আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য। সড়ক দুর্ঘটনা কেবল অসংখ্য মূল্যবান প্রাণ কেড়ে নেয় না, বরং এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতাকেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। তাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সব অংশীজনদের একত্রে কাজ করা এবং একটি সুনির্দিষ্ট কৌশলগত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

শার্শায় দুই কেজি ৯০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক পাচারকারী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
শার্শায় দুই কেজি ৯০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক পাচারকারী গ্রেপ্তার

বাগআঁচড়া (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় দুই কেজি ৯০ গ্রাম ওজনের ১৮ পিস স্বর্ণেরবার ও একটি সুজুকি মোটরসাইকেলসহ আলাউদ্দিন (৫২) নামে এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোরের নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন।

এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে দশটার দিকে শার্শা থানাধীন দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামস্থ প্রাইম ব্রিকস্ নামক ইটভাটা সংলগ্ন নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের উপর থেকে আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আলাউদ্দিন (৫২) উপজেলার হাড়িখালী যদুনাথপুর গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে।

পুলিশ জানায়, স্বর্ণের চালান পাচার হবে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম নাভারণ-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খাজুরা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তি আলাউদ্দিন গ্রেপ্তার করেন পুলিশ। এসময় অপর দুই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আসামির হেফাজতে থাকা ১৮ পিস স্বর্ণেরবার ও একটি সুজুকি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন জানান এঘটনায় চোরাচালান বিরোধী আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে, এবং পালাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান স্বর্ণের মান, আনুমানিক বাজার মূল্য নির্ধারণ ও যশোর ট্রেজারি শাখায় স্বর্ণেরবার গুলো জমা দেওয়ার বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘেœ উদ্যাপন নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। এ সময় তিনি পূজামন্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার সব পূজামন্ডপের প্রতিমা একযোগে বিসর্জন দেওয়ার নির্দেশনা দেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শারদীয় দুর্গাপূজার নবমীতে তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার সব্দালপুর সার্বজনীন দুর্গামন্দির, মহেশ্বরকাটি সার্বজনীন দুর্গামন্দিরসহ উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে দেখেন। তিনি পূজামন্ডপে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হয়, সে জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামন্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।”

তিনি আরও বলেন, “কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সবাইকে দুর্গোৎসব উদ্যাপন করতে হবে। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।”

প্রতিমা বিসর্জন প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার সব পূজামন্ডপের প্রতিমা একযোগে বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পূজা উদ্যাপন কমিটি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। বিসর্জন কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশ সুপার পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) বায়েজিদ ইসলাম, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিদুর রহমান, এসআই আব্দুর রউফ, এএসআই অমিত হাসান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্য এবং আশাশুনি থানার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।