বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কোয়েল মল্লিক কত টাকার মালিক, জানা গেলো হলফনামায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
কোয়েল মল্লিক কত টাকার মালিক, জানা গেলো হলফনামায়

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একের পর এক ধামাকা দিয়ে চলেছেন টলিউড কুইন কোয়েল মল্লিক । তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা দেওয়ার পর সোমবার (৫ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-তে যোগ দিয়েছেন তিনি। ঠিক তার আগের দিনই (রবিবার) বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তাকে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে (মনোনয়নপত্রে নাম রুক্মিণী মল্লিক)।

এদিকে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে কোয়েল ও তার প্রযোজক স্বামী নিসপাল সিং রানের বিপুল সম্পত্তির পরিমাণ।

মনোনয়নপত্রের হলফনামা অনুযায়ী, কোয়েলের আয়ের প্রধান মাধ্যম অভিনয়, ব্যবসা এবং ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের সুদ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে কোয়েলের বাৎসরিক আয় ছিল প্রায় ৩ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা। শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যাংকে বিপুল বিনিয়োগসহ তার মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা।

তার কাছে প্রায় ২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার সোনা ও রত্নের গয়না রয়েছে। এছাড়া ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল ‘রোলেক্স’ (Rolex) ব্র্যান্ডের ঘড়ি রয়েছে তার সংগ্রহে।

আলিয়া-সঞ্জয় লীলা বানসালির নতুন পরিকল্পনা, ‘ইনশাআল্লাহ’ ফিরছেআলিয়া-সঞ্জয় লীলা বানসালির নতুন পরিকল্পনা, ‘ইনশাআল্লাহ’ ফিরছে
প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হয়ে দিল্লিতে পাড়ি দিয়েছিলেন কোয়েল। তবে ভোটের পরেই আচমকা পদত্যাগ করেন। কয়েক মাসের ব্যবধানে আবার বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া এবং পদ্ম শিবিরে নাম লেখানোয় নেটিজেনদের একাংশ তাকে ‘দলবদলু’ বলে খোঁচা দিচ্ছেন। মমতার দলের সাংসদ মহুয়া মিত্র তো সরাসরি কোয়েলকে ‘গদ্দার’ বলে কটাক্ষ করেন।

Ads small one

দুর্যোগ আসার আগেই প্রস্তুতি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় নতুন উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ আসার আগেই প্রস্তুতি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় নতুন উদ্যোগ

এসএম বিপ্লব হোসেন: দুর্যোগ আঘাত হানার পর তৎপরতার পাশাপাশি পূর্বাভাসের ভিত্তিতে আগাম প্রস্তুতি ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় প্রত্যাশা প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ। সভাপতিত্ব করেন উত্তরণের লিগ্যাল অ্যাডভাইজর অ্যাডভোকেট মো. মনিরউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

সভায় অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার (এসিএফ)-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার হুমায়ূন কবীর সুমন, সিনিয়র কমিউনিকেশন অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট অফিসার শাহনাজ রহমান, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, আবহাওয়া, পরিবেশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সিপিপির কর্মকর্তাসহ সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. রেজওয়ান উল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।

সভায় প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল তুলে ধরে বলা হয়, দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর নির্ধারিত ট্রিগারের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। এ জন্য আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দুর্যোগের আগেই পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অংশীজনরা সাতক্ষীরার স্থানীয় দুর্যোগঝুঁকি তুলে ধরে সরকারি দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, এনজিও, গণমাধ্যম ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করেন।

উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ জেলা সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম পদক্ষেপের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা সভায় উঠে আসে।

পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধার অভিযান শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধার অভিযান শুরু

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধারে অভিযান শরু হয়েছে। খুলনার হোসেনের ডুবুরি দল কার্গোটি উদ্ধারে অভিযান শরু করেছে। জোয়ারের সময় নদে ভরে থাকে, সে জন্য ভাটার সময় ডুবুরি দল উদ্ধারের কাজ করছে।

জানা গেছে, ৩ অক্টোবর শনিবার ৩টার দিকে বালি ভর্তি কার্গোটি কপোতাক্ষ নদের বোয়লিয়া ব্রিজের প্লিয়ারে সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। কার্গোটির মালিক পাইকগাছার রাড়ুলি ইউনিয়ানের রজব আলী গাজীর। তিনি জানান, কার্গোটি কপোতাক্ষ নদে আসার পর ইঞ্জিনই বিকল হয়ে যায়, তখন কার্গোটি নিয়ন্ত্রণ করা যাইনি।

 

ভাসতে ভাসতে কার্গোটি বোয়লিয়া ব্রিজের প্লিয়ারে সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে গেছে। এসময় কার্গোটি বালি ভর্তি ছিলো। খুলনার ডুবুরি হোসেনকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিতে হবে কার্গোটি উদ্ধারের জন্য। ৩ দিন ধরে উদ্ধার কাজ চলছে। বৃহস্পতিবার কার্গোটি পানির নিচ থেকে উদ্ধার হতে পারে।

কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধার করার কাজ দেখতে শত শত লোক নদের দুই তির ও ব্রিজের উপর ভিড় করছে। বিপুল সংখ্যাক লোকের উপস্থিতি দেখলে মনে হবে মেলা বসেছে।

 

শ্যামনগরে ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা, জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা, জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাগদা চিংড়ির রেণু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওশান হ্যাচারিতে ২৫০ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের শুভ সূচনার যাত্রা শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) শ্যামনগরের বাগদা চিংড়ির রেণু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা শুরু করা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে যৌথভাবে সাইমার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ও জেনিক্সগ্রিন বাংলাদেশ।

সাইমা পাওয়ার টেকনোলজি ও সাইমা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক (অপারেশনস) সাইমা সাজেদুল করিম বলেন, শ্যামনগরের ওশান সি হ্যাচারির সঙ্গে আমাদের ২৫০ কিলোওয়াটের হাইব্রিড সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি হয়েছে। বাগদা চিংড়ির হ্যাচারিতে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশে এই প্রথম। এখানে এমন একটি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে সৌর প্যানেলগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী একপাশে ভাঁজ করে সরিয়ে নেওয়া যাবে। ফলে হ্যাচারির ট্যাংক শুকানোর সময় জায়গাটি সম্পূর্ণ খালি করা সম্ভব হবে।’

হ্যাচারি মালিক আব্দুল আজিজ বলেন, আমরা এখানে ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করছি। এতে নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারব। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি আর্থিকভাবে লাভবান হবে বলে আশা করছি। এই প্রকল্পে আমাদের প্রায় ১ কোটি ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে। আগে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে হ্যাচারির ছাউনি খুলে পুকুর ও ট্যাংকগুলো রোদে শুকাতে হতো। নতুন প্রযুক্তির সৌর প্যানেল ব্যবহারের ফলে সেই কাজ সহজ হবে এবং হ্যাচারির কার্যক্রমও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আজিজুর রহমান বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে। বড় প্রতিষ্ঠান ও কারখানাগুলো নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবে। সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে ওই বিদ্যুৎ কিনবে।

ওশান হ্যাচারিতে স্থায়ী সৌর প্যানেলের পরিবর্তে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রয়োজনের সময় প্যানেলগুলো একপাশে সরিয়ে হ্যাচারির পুকুর ও ট্যাংকে সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছানোর ব্যবস্থা থাকবে। শ্যামনগরের অন্যান্য হ্যাচারিতেও এ ধরনের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বিশেষ প্যানেল স্থাপন পদ্ধতি, হ্যাচারির উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমন্বয়, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কারিগরি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ওশান হ্যাচারি পরিদর্শনে চায়না জেনিক্সগ্রিনের পরিচালক ডন, সাইমার পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রকৌশলী দল, জেনিক্সগ্রিন বাংলাদেশের প্রধান প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আজিজুর রহমান, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) সাতক্ষীরা অঞ্চলের কর্মকর্তা সোয়াইব হোসেন, সাইমা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মীর মো: গোলাম মোস্তফা, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা, শ্যামনগরের এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের চিংড়ি হ্যাচারি ও মৎস্য খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। একই সঙ্গে হ্যাচারি শিল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি অনুসরণযোগ্য মডেলও তৈরি হতে পারে।