রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

ঘরের সরিষায় ঘরের তেল : সাতক্ষীরার মাটিতেই মিটবে চাহিদা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
ঘরের সরিষায় ঘরের তেল : সাতক্ষীরার মাটিতেই মিটবে চাহিদা

আখলাকুর রহমান

আমাদের শৈশবের সেই শীতের সোনালী দুপুরগুলোর কথা মনে পড়ে, যখন উঠোনজুড়ে রোদের ওমে মা-চাচিরা কড়া ঝাঁঝালো সরিষার তেল মেখে দিতেন শরীরে, আর রান্নাঘর থেকে ভেসে আসত খাঁটি তেলের ফোড়নের এক অবিনাশী সুবাস। সরিষার তেল কেবল আমাদের রসনাবিলাসের অনুষঙ্গ নয়, ওটা আমাদের মাটির ঘ্রাণ, আমাদের শেকড়ের এক পরম স্মৃতিমেদুর আত্মিক সন্তুষ্টি। অথচ আধুনিক করপোরেট বিজ্ঞাপনের মোড়কে এসে আজ সয়াবিন আর পাম তেলের মতো কৃত্রিম চর্বি আমাদের রান্নাঘর দখল করেছে, যা পুষ্টিগুণের দিক থেকে আমাদের সুস্থতাকে বিন্দুমাত্র তৃপ্তি দিতে পারছে না।

 

চিকিৎসাবিজ্ঞান স্পষ্টাক্ষরে বলছে, খাঁটি সরিষার তেলে থাকা ওমেগা-থ্রি এবং ওমেগা-সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখে এবং শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। আজ যখন এই ভোজ্য তেলের বাজারে কৃত্রিমতার আগ্রাসন দেখি, তখন আমাদের নিজেদের উর্বর জেলা সাতক্ষীরার দিগন্তজোড়া হলুদ সরিষা ক্ষেতগুলোর দিকে তাকালে এক অপার সম্ভাবনা এবং একই সাথে চরম আত্মবিস্মৃতির গল্প মনে পড়ে।

একটি সাধারণ গাণিতিক হিসাব ও কৃষি গবেষণার দিকে নজর দিলে এই মাটির আসল শক্তি টের পাওয়া যায়। সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১২ থেকে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে উন্নত জাতের দেশী সরিষা চাষ হয়, যা থেকে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে একজন সুস্থ মানুষের বছরে গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ লিটার ভোজ্য তেল গ্রহণ করা উচিত এবং সেই হিসাবে সাতক্ষীরার প্রায় বাইশ লাখ মানুষের জন্য বছরে তেলের মোট চাহিদা দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ২২ থেকে ২৪ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ, আমরা যদি আমাদের উৎপাদিত এই বিপুল পরিমাণ দেশী সরিষাকে আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে শতভাগ দেশী প্রযুক্তিতে পুরোপুরি প্রক্রিয়াজাত বা ক্রাসিং করতে পারি, তবে বাইরের কোনো আমদানিকৃত সয়াবিনের মুখাপেক্ষী না হয়েই সাতক্ষীরার সিংহভাগ মানুষের বার্ষিক তেলের চাহিদা এই নিজেদের মাটি থেকেই পূরণ করা সম্ভব।

 

কিন্তু এই বিপুল সম্ভাবনা আজ মার খাচ্ছে সঠিক বিপণন, প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক অভাব এবং আমাদের নিজেদের অবহেলার কারণে। আমাদের স্থানীয় প্রশাসন এবং উদ্যোক্তাদের উচিত খ-িত চিন্তার বৃত্ত থেকে বের হয়ে সাতক্ষীরার এই খাঁটি সরিষাকে কেন্দ্র করে একটি সুসংগঠিত উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে কোনো রাসায়নিকের ভেজাল ছাড়াই ঘানির সেই আদিম ও খাঁটি ঝাঁঝ অক্ষুণ্ন থাকবে।

 

ইসলামে খাঁটি ও হালাল রিজিকের ওপর বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে এবং নিজের হাতের উপার্জনকে সর্বোত্তম বলা হয়েছে, যা আমাদের এই দেশী কৃষিভিত্তিক আত্মনির্ভরতার দর্শনকেই সমর্থন করে। করপোরেট সয়াবিনের ক্ষতিকর চর্বিতে নিজেদের লিভার আর হার্টকে বিপন্ন না করে, আমাদের আবার সেই মাটির খাঁটি ঐতিহ্যের কাছেই ফিরে যেতে হবে।

 

এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের যুগে সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষের মুখে এবং পত্রিকার পাতায় এই কঠিন সত্যটিই উচ্চারিত হওয়া প্রয়োজন যে, মাটির সোনা মাটিতে রেখে পরমুখাপেক্ষী হওয়ার চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কিছু হতে পারে না; আমাদের ঘরের সরিষা আর ঘানির যুগলবন্দিতেই লুকিয়ে আছে সাতক্ষীরার মানুষের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক মুক্তির আসল মহাকাব্য।

লেখক : উদ্যোক্তা ও স্বপ্নদ্রষ্টা : আসিফা

 

Ads small one

আশাশুনির রেস্টুরেন্টগুলোতে লাগাম টানবে কে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির রেস্টুরেন্টগুলোতে লাগাম টানবে কে?

সম্পাদকীয়

আশাশুনিসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকান। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের বাইরে খাওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক বিশাল বাণিজ্যিক পরিম-ল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আশাশুনির বুধহাটা, সদর বাজার, প্রতাপনগর কিংবা গুনাকরকাটির মতো জনবহুল এলাকার অধিকাংশ রেস্টুরেন্টেই এখন চলছে ভোক্তার পকেট কাটা এবং স্বাস্থ্য ধসের এক নীরব উৎসব। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অভাব এবং একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর অতিমুনাফার লোভের কারণে এখানকার সাধারণ ভোক্তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উপজেলার অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড শপের রান্নাঘর চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। ফ্রিজে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও রান্না করা মাছ-মাংস একসাথে ফেলে রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো, পোড়া তেল বারবার ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে হরেক পদের ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড। মেন্যুর আকর্ষণীয় নামের আড়ালে নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহার এবং আকাশচুম্বী দাম আদায় এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি বহু প্রতিষ্ঠানের বৈধ ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ফুড গ্রেড সনদ পর্যন্ত নেই।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, এই ধরনের বাসি, পচা এবং পোড়া তেলে ভাজা খাবার শরীরে এক প্রকার বিষের মতো কাজ করে। এটি শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্যে বিষক্রিয়া বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যবস্থাপনাই নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে লিভার নষ্ট হওয়া, হৃদরোগ এবং ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি ডেকে আনে। অর্থাৎ, টাকার বিনিময়ে আশাশুনির মানুষ আসলে রোগ কিনে বাড়ি ফিরছেন।

নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য পাওয়া নাগরিকের কোনো বিলাসিতা নয়, এটি সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে কোনো ব্যবসাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে দেওয়া যায় না।

অধিকাংশ ব্যবসায়ী সততার সাথে ব্যবসা করতে চাইলেও, এই গুটি কয়েক অসাধু চক্রের কারণে পুরো খাদ্য খাতের ওপর মানুষের আস্থা চিরতরে উঠে যাচ্ছে। এই অচলাবস্থা ভাঙতে হলে উপজেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে কেবল কাগজের দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। আশাশুনির প্রতিটি ছোট-বড় বাজারে আকস্মিক ও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।

 

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পেলেই শুধু জরিমানা নয়, প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান সিলগালা ও কারাদ-ের মতো কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি, ভোক্তাদেরও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন দেখলেই তা বর্জন করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানানো নাগরিক দায়িত্ব। আশাশুনির মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের রুখে দিতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান এখন সময়ের দাবি।

শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালিত

পত্রদূত রিপোর্ট: শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় খুলনা অঞ্চলের সাহসী সাংবাদিকতার বাতিঘর এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর ২২তম হত্যাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার বিকেলে দৈনিক জন্মভূমি ভবনে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ হুমায়ূন কবীর বালুকে দল-মতের ঊর্ধ্বে থাকা এক কিংবদন্তি সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের আসল আশ্রয়স্থল হিসেবে অভিহিত করেন।

দৈনিক জন্মভূমির যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে এবং উপ-সম্পাদক সোহরাব হোসেনের পরিচালনায় এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, শহীদ হুমায়ূন কবীর বালু ছিলেন একজন সদালাপী, বন্ধুবৎসল ও মহানুভব মানুষ। পেশাগত জায়গায় তিনি সাংবাদিকদের নিজের পরিবারের সদস্যের মতো আগলে রাখতেন। যেকোনো বিপদে সবার আগে ছুটে যেতেন। শাসন করার পর আবার পরম মমতায় বুকে টেনে নিতেন।

কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা আরও বলেন, তৎকালীন সময়ে এই অঞ্চলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনসমূহ এবং কুখ্যাত অপরাধী এরশাদ শিকদারের নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে তাঁর সম্পাদিত ‘দৈনিক জন্মভূমি’ ও ‘দৈনিক রাজপথের দাবী’ পত্রিকায় সাংবাদিকেরা নির্ভীকভাবে লিখতেন। এই সাহসী সাংবাদিকতার পেছনে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

পেশাগত পরিচয়ের বাইরে হুমায়ূন কবীর বালু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। এ ছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খুলনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে যে নাগরিক কমিটি গঠিত হয়েছিল, তিনি ছিলেন তার আহ্বায়ক। বক্তারা তাঁর এই বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সাহসিকতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্য নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, মকবুল হোসেন মিন্টু, এস এম জাহিদ হোসেন, মোতাহার রহমান বাবু, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, ‘আমার একুশে’ পত্রিকার সম্পাদক আতিয়ার পারভেজ, মাহমুদুল হাসান সোহেল, নাগরিক নেতা বাবুল হাওলাদার এবং নাজমুল করিম তুষার।

অনুষ্ঠানে দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, মহেন্দ্রনাথ সেন, রকিবউদ্দীন পান্নু, ‘খুলনা প্রতিদিন’-এর সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, এইচ এম শামীমুজ্জামান, সুনীল দাস, বিমল সাহা, নুরুল আমিন, রাজু আহম্মেদ, রামিম, আবুল বাশার, বিধান রায়, এস এম মারুফ হোসেন এবং ওমর ফারুক কচিসহ জন্মভূমি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সাতক্ষীরায় চরমোনাইয়ের ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় চরমোনাইয়ের ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরে ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার স্থানীয় একটি ময়দানে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে বয়ান পেশ করেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

 

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুফতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি