সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

তালায় ক্রয়কৃত জমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
তালায় ক্রয়কৃত জমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় ক্রয়কৃত জমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধা এবং প্রতিপক্ষের সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তালা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও খলিলনগর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি এস এম নুরুল ইসলাম।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় তালা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে এস এম নুরুল ইসলাম বলেন, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেনের দখলীয় তালা মৌজার ১০৭ নম্বর এসএ খতিয়ানের ৫১৩ নম্বর দাগের ৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ জমির মধ্যে ২০২৬ সালে ২৬৯১ নম্বর দলিলের মাধ্যমে তিনি ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে জমিটি নিজের নামে নামজারি করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ক্রয়কৃত জমিতে দোকানঘর নির্মাণের কাজ শুরু করতে গেলে মৃত জালাল ডাক্তারের ছেলে শহিদুলসহ কয়েকজন ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে এসে কাজে বাধা দেন। এ সময় তারা ঘেরাবেড়া ভাঙচুর এবং তাঁর লোকজনকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে দাবি করেন নুরুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে তালা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরামর্শ দেয়। এ সময় ক্রয়কৃত জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নুরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, মৃত জালাল ডাক্তার মুক্তিযুদ্ধের সময় শান্তি কমিটির ভয় দেখিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষের জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর দাবি, ওই সময় তাঁর স্ত্রীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির নামে এই জমিসহ অন্যান্য জমি নিয়ে ছয়টি কথিত জাল দলিল তৈরি করা হয়েছিল, যা আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, কথিত দলিলগুলো ইসলামকাটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পুরোনো নথির অন্তর্ভুক্ত। এসব দলিলের দাগ নম্বর, সৃষ্টির তারিখ এবং দাতা-গ্রহীতার নাম কাটাকাটি করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে তালা থানায় একাধিকবার আলোচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জমির মালিকানা প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম বলেন, তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন মৃত সৈয়দ আব্দুস সাত্তারের ওয়ারিশ সৈয়দ আবু নসুর, সৈয়দ আবু আলম, সৈয়দ আবু আয়ুব ও সৈয়দ আব্দুল জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে ১০ দশমিক ৮০ শতক জমি ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছিলেন। তাঁর দাবি, বিক্রেতারা ওই জমি কখনো সরাসরি দখলে রাখেননি।
তিনি বলেন, ন্যায্য মূল্যে চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেনের ভোগদখলীয় জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সঠিক পাওয়ার পর তিনি ওই জমির মধ্য থেকে ৪ শতক জমি ক্রয় করেন। পরে সরদার জাকির হোসেন জনসম্মুখে তাঁকে জমির দখল বুঝিয়ে দেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি সম্প্রতি প্রতিপক্ষের করা সংবাদ সম্মেলনে তাঁর জমি ও দখল নিয়ে প্রকাশিত বক্তব্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

Ads small one

যৌন হয়রানির অভিযোগে মনিরামপুরে শিক্ষক আটক, ছাত্রীদের গণ-অনশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
যৌন হয়রানির অভিযোগে মনিরামপুরে শিক্ষক আটক, ছাত্রীদের গণ-অনশন
মামুনুর রশিদ খান, মনিরামপুর (যশোর):  যশোরের মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকরামুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে গণ-অনশন শুরু করে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করলে পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক ইকরামুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হলে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হতো। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী বিষয়টি প্রকাশ করতে ভয় পেত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিষয়টি একাধিকবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
সোমবার সকালে ইকরামুল ইসলাম বিদ্যালয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা তাকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। এরপর তারা ক্লাস বর্জন করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণ-অনশন শুরু করে। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে যান মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সম্রাট হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন, মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সাইদ এবং ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অনশন প্রত্যাহার করে। পরে পুলিশ ইকরামুল ইসলামকে আটক করে।
এ ঘটনায় মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মফিজুর রহমানের ছোট ছেলে এনজেল পারভেজ রিফাত বাদী হয়ে ইকরামুল ইসলামের বিরুদ্ধে মনিরামপুর থানায় মামলা করেন।
মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সম্রাট হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের অবরুদ্ধ করে রাখা ও অনশনের খবর পেয়ে তাঁরা বিদ্যালয়ে যান। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বক্তব্য শুনে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সাইদ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন।

শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন, দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন, দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা

মো. সোহাগ হোসেন, বাগআঁচড়া (শার্শা): যশোরের শার্শা উপজেলার বাজারগুলোতে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। গত বছরের তুলনায় এবার মণপ্রতি প্রায় এক হাজার টাকা বেশি দামে পাট বিক্রি করছেন কৃষকরা। এছাড়া এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে, পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার জন্য পানির অভাবও হয়নি।

গত বছরের শুরুতে নতুন পাট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে। এবার কৃষকরা শুরুতে নতুন পাট বিক্রি করেছেন মণপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে বর্তমানে দাম বেড়ে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এবার প্রতি মণে বাড়তি পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, অনুকূল আবহাওয়া আর দো-আঁশ মাটির গুনাগুণের কারণে শার্শায় এবার পাটের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। গত বছর যেখানে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫০৩ হেক্টরে। অর্থাৎ, এক বছরে আবাদ বেড়েছে ৫০৩ হেক্টর। তাছাড়া গত বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় পাট জাগ দেওয়া নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কৃষকরা। কিন্তু এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় পাট জাগ দিতে তেমন পরিস্থিতি হয়নি।

কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার পাট উৎপাদন খরচ বেড়েছে। বিশেষ করে এবার শ্রমিক প্রতি খরচ বেশি পড়েছে। গত বছর ৪০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেছে, কিন্তু এবার পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও ছাড়ানো বাবদ শ্রমিকপ্রতি বেশি মজুরি দিতে হচ্ছে। এতে গত বছরের তুলনায় এবার পাটচাষের খরচ প্রতি মণে ২০০-৩০০ টাকা বেড়েছে।

উপজেলার কোটা গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান বলেন, এবার পাটের ফলনও ভালো হয়েছে আবার দামও ভালো পাচ্ছি। গত বছরের তুলনায় নতুন পাট বেচে মণে হাজার ১২০০ টাকা লাভ পাচ্ছি। শার্শার বাগআঁচড়া বাজারে পাট কিনতে আসা ব্যবসায়ী শিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি এখানকার হাট থেকে পাট কিনে ফরিদপুর খুলনা, বগুড়া ও কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মোকামে পাঠান।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহা বলেন, আবহাওয়া, ফলন ও দাম অনুযায়ী এবার কৃষক পাট চাষে লাভজনক অবস্থায় আছেন। সরকারি প্রণোদনা, বিনামূল্যে উন্নত মানের বীজ বিতরণ এবং কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শে চাষিরা লাভবান হয়েছেন। আগামীতেও চাষিরা পাট চাষে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশাবাদী।

কেশবপুরে দুই যুগ ধরে বিনা ভাড়ায় ব্যবসা করছে ২৮ দোকানদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে দুই যুগ ধরে বিনা ভাড়ায় ব্যবসা করছে ২৮ দোকানদার

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে প্রাণকেন্দ্র থানার মোড় সংলগ্ন আজাদ মার্কেটে দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে ২৮ জন ব্যবসায়ী দোকান পাতিয়ে ব্যবসা করলেও তাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি কোন ভাড়া। যার ফলে অসচ্ছল ওই ব্যবসায়ী পরিবারগুলো আর্থিক ভাবে পাচ্ছে বাড়তি সুবিধা। আর এই মানবিক এবং মহৎ কাজটি করছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর আজাদ মার্কেটটি আনুমানিক ৪০ শতক জমির উপর প্রায় ২৫ বছর ধরে ২৮জন দোকানদার গড়ে তুলেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠন। আর এই জায়গার মালিক কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমিটি উন্মুক্ত রেখে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দোকান পরিচালনার সুযোগ দিয়েছেন।

মার্কেটটিতে মোট ২৮টি দোকান রয়েছে। এসব দোকানে পোশাক জামাকাপড়ের ব্যবসা পরিচালিত হলেও দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দোকান ভাড়া নেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী স্বল্প খরচে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন।

স্থানীয়দের মতে, সাধারণত বাণিজ্যিক মার্কেটে দোকান ভাড়া, অগ্রিম ও অন্যান্য খরচ ব্যবসায়ীদের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আজাদ মার্কেটে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া না নেওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা তুলনামূলক স্বস্তিতে রয়েছেন। এ উদ্যোগকে অনেকে মানবিকতা ও সামাজিক কাজের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। ভাড়া না নেওয়ার কারণে ব্যবসা পরিচালনায় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায় এবং নিজেদের পুঁজি ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

ব্যবসায়ীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিনা ভাড়ায় ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। বর্তমান সময়ে এমন উদর মানসিকতার মানুষের খুব অভাব।

আমাদের কাছ থেকে জায়গা ভাড়া না নেওয়ায় কম লাভে মালামাল বিক্রি করতে পারছি। ফলে একদিকে যেমন আমারা উপকৃত হচ্ছি তেমনি ক্রেতারাও লাভবান হচ্ছে।