রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

ধর্মের নামে রাজনীতি: আদর্শের মুখোশ নাকি ক্ষমতার লোভ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
ধর্মের নামে রাজনীতি: আদর্শের মুখোশ নাকি ক্ষমতার লোভ?

মুক্তমত

‎‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎বাংলাদেশের মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে। এ দেশের ধর্মীয় চেতনা, মূল্যবোধ ও সামাজিক সংস্কৃতির সঙ্গে ইসলাম গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ফলে যারা নিজেদের ইসলামী আদর্শের ধারক-বাহক হিসেবে পরিচয় দেন এবং ইসলামের নামে রাজনীতি করেন, তাদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশাও স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। মানুষ আশা করে, ইসলামের কথা যারা বলবেন, তারা নিজেদের ব্যক্তি, সংগঠন ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও ইসলামের শিক্ষা ও বিধানের প্রতিফলন ঘটাবেন।

‎কিন্তু বাস্তবতায় কিছু মৌলিক প্রশ্ন বারবার সামনে আসে। একদিকে ইসলামী রাষ্ট্র, শরিয়াহভিত্তিক সমাজব্যবস্থা এবং ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়; অন্যদিকে রাজনৈতিক কর্মকান্ডের বহু ক্ষেত্রে এমন কিছু চিত্র দেখা যায়, যা ঘোষিত আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয় না। ফলে সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে এটি কি আদর্শ বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা, নাকি আদর্শকে রাজনৈতিক প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাখ্যা করার প্রবণতা?

‎বিশেষত পর্দা ও শালীনতার প্রশ্নে এই বিতর্ক আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ইসলামে পর্দা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান হিসেবে বিবেচিত। অথচ ইসলামী পরিচয়ে পরিচালিত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল, সমাবেশ ও প্রচারণায় নারীদের প্রকাশ্য অংশগ্রহণ, মিশ্র পরিবেশ এবং অনেক ক্ষেত্রে বেপর্দা উপস্থিতি নিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন উত্থাপন করে আসছে। তারা জানতে চায়, যদি ইসলামের প্রতিটি বিধান বাস্তবায়নের দাবি করা হয়, তবে সেই দাবির প্রথম প্রতিফলন কি নিজেদের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে দৃশ্যমান হওয়া উচিত নয়?

‎মসজিদের ব্যবহার নিয়েও সমাজে আলোচনা রয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে মসজিদ কেবল ইবাদতের স্থান নয়; এটি শিক্ষা, দাওয়াত, সমাজসেবা ও নৈতিক নেতৃত্বেরও কেন্দ্র ছিল। সে অর্থে ইসলামী আদর্শভিত্তিক কোনো সামাজিক বা ধর্মীয় কর্মকান্ডে মসজিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে আপত্তির অবকাশ কম। কিন্তু প্রশ্ন তখনই সৃষ্টি হয়, যখন একই সঙ্গে ইসলামের কঠোর বিধান প্রতিষ্ঠার দাবি করা হয়, অথচ নিজেদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে সেই বিধানের পূর্ণ প্রতিফলন দেখা যায় না।

 

যদি কোনো সংগঠন সত্যিকার অর্থে ইসলামী আদর্শের প্রতিনিধিত্বের দাবি করে, তাহলে জনগণ স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা করবে যে তাদের বক্তব্য, কর্মপদ্ধতি ও সাংগঠনিক সংস্কৃতির মধ্যে আদর্শগত সামঞ্জস্য থাকবে। আদর্শের শক্তি স্লোগানে নয়, বরং তার বাস্তব প্রয়োগে নিহিত। জনগণ শুধু ইসলামের নাম শুনতে চায় না; তারা ইসলামের শিক্ষা ও নৈতিকতার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায়। সততা, ন্যায়বিচার, আমানতদারি, শালীনতা, আত্মসমালোচনা এবং জবাবদিহিতা এসবই ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। কিন্তু যখন কথার সঙ্গে কাজের ফারাক সৃষ্টি হয়, তখন মানুষের মনে প্রশ্ন ও সংশয় জন্ম নেওয়া স্বাভাবিক।

 

আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ধর্মীয় আবেগকে কেন্দ্র করে জনসমর্থন অর্জনের প্রবণতা দৃশ্যমান। কিন্তু ইসলাম কেবল আবেগের বিষয় নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নৈতিক ও আদর্শিক জীবনব্যবস্থা। তাই ইসলামের নাম ব্যবহারের চেয়ে ইসলামের শিক্ষা অনুসরণ করাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হবে তাদের ঘোষিত আদর্শ ও বাস্তব কর্মকান্ডের মধ্যে কতটা সামঞ্জস্য রয়েছে তার ভিত্তিতে। কারণ আদর্শের প্রকৃত মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয় কথায় নয়, কর্মে; দাবিতে নয়, বাস্তব প্রয়োগে।

 

 

Ads small one

আশাশুনির রেস্টুরেন্টগুলোতে লাগাম টানবে কে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির রেস্টুরেন্টগুলোতে লাগাম টানবে কে?

সম্পাদকীয়

আশাশুনিসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকান। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষের বাইরে খাওয়ার প্রবণতা যেমন বেড়েছে, তেমনি একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক বিশাল বাণিজ্যিক পরিম-ল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আশাশুনির বুধহাটা, সদর বাজার, প্রতাপনগর কিংবা গুনাকরকাটির মতো জনবহুল এলাকার অধিকাংশ রেস্টুরেন্টেই এখন চলছে ভোক্তার পকেট কাটা এবং স্বাস্থ্য ধসের এক নীরব উৎসব। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অভাব এবং একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর অতিমুনাফার লোভের কারণে এখানকার সাধারণ ভোক্তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উপজেলার অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড শপের রান্নাঘর চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। ফ্রিজে দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও রান্না করা মাছ-মাংস একসাথে ফেলে রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো, পোড়া তেল বারবার ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে হরেক পদের ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড। মেন্যুর আকর্ষণীয় নামের আড়ালে নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহার এবং আকাশচুম্বী দাম আদায় এখন নিত্যদিনের ঘটনা। এমনকি বহু প্রতিষ্ঠানের বৈধ ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ফুড গ্রেড সনদ পর্যন্ত নেই।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, এই ধরনের বাসি, পচা এবং পোড়া তেলে ভাজা খাবার শরীরে এক প্রকার বিষের মতো কাজ করে। এটি শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্যে বিষক্রিয়া বা গ্যাস্ট্রিকের ব্যবস্থাপনাই নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে লিভার নষ্ট হওয়া, হৃদরোগ এবং ক্যানসারের মতো মরণব্যাধি ডেকে আনে। অর্থাৎ, টাকার বিনিময়ে আশাশুনির মানুষ আসলে রোগ কিনে বাড়ি ফিরছেন।

নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য পাওয়া নাগরিকের কোনো বিলাসিতা নয়, এটি সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে কোনো ব্যবসাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে দেওয়া যায় না।

অধিকাংশ ব্যবসায়ী সততার সাথে ব্যবসা করতে চাইলেও, এই গুটি কয়েক অসাধু চক্রের কারণে পুরো খাদ্য খাতের ওপর মানুষের আস্থা চিরতরে উঠে যাচ্ছে। এই অচলাবস্থা ভাঙতে হলে উপজেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে কেবল কাগজের দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। আশাশুনির প্রতিটি ছোট-বড় বাজারে আকস্মিক ও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।

 

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পেলেই শুধু জরিমানা নয়, প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান সিলগালা ও কারাদ-ের মতো কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি, ভোক্তাদেরও নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার পরিবেশন দেখলেই তা বর্জন করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানানো নাগরিক দায়িত্ব। আশাশুনির মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের রুখে দিতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর অভিযান এখন সময়ের দাবি।

শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর হত্যাবার্ষিকী পালিত

পত্রদূত রিপোর্ট: শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় খুলনা অঞ্চলের সাহসী সাংবাদিকতার বাতিঘর এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ূন কবীর বালুর ২২তম হত্যাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার বিকেলে দৈনিক জন্মভূমি ভবনে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ হুমায়ূন কবীর বালুকে দল-মতের ঊর্ধ্বে থাকা এক কিংবদন্তি সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের আসল আশ্রয়স্থল হিসেবে অভিহিত করেন।

দৈনিক জন্মভূমির যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে এবং উপ-সম্পাদক সোহরাব হোসেনের পরিচালনায় এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, শহীদ হুমায়ূন কবীর বালু ছিলেন একজন সদালাপী, বন্ধুবৎসল ও মহানুভব মানুষ। পেশাগত জায়গায় তিনি সাংবাদিকদের নিজের পরিবারের সদস্যের মতো আগলে রাখতেন। যেকোনো বিপদে সবার আগে ছুটে যেতেন। শাসন করার পর আবার পরম মমতায় বুকে টেনে নিতেন।

কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তারা আরও বলেন, তৎকালীন সময়ে এই অঞ্চলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনসমূহ এবং কুখ্যাত অপরাধী এরশাদ শিকদারের নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে তাঁর সম্পাদিত ‘দৈনিক জন্মভূমি’ ও ‘দৈনিক রাজপথের দাবী’ পত্রিকায় সাংবাদিকেরা নির্ভীকভাবে লিখতেন। এই সাহসী সাংবাদিকতার পেছনে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

পেশাগত পরিচয়ের বাইরে হুমায়ূন কবীর বালু ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। এ ছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে খুলনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে যে নাগরিক কমিটি গঠিত হয়েছিল, তিনি ছিলেন তার আহ্বায়ক। বক্তারা তাঁর এই বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও সাহসিকতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্য নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, মকবুল হোসেন মিন্টু, এস এম জাহিদ হোসেন, মোতাহার রহমান বাবু, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, ‘আমার একুশে’ পত্রিকার সম্পাদক আতিয়ার পারভেজ, মাহমুদুল হাসান সোহেল, নাগরিক নেতা বাবুল হাওলাদার এবং নাজমুল করিম তুষার।

অনুষ্ঠানে দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, মহেন্দ্রনাথ সেন, রকিবউদ্দীন পান্নু, ‘খুলনা প্রতিদিন’-এর সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, এইচ এম শামীমুজ্জামান, সুনীল দাস, বিমল সাহা, নুরুল আমিন, রাজু আহম্মেদ, রামিম, আবুল বাশার, বিধান রায়, এস এম মারুফ হোসেন এবং ওমর ফারুক কচিসহ জন্মভূমি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সাতক্ষীরায় চরমোনাইয়ের ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় চরমোনাইয়ের ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা শহরে ওয়াজ মাহফিল ও হালকায়ে জিকির অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার স্থানীয় একটি ময়দানে এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থেকে বয়ান পেশ করেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

 

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুফতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল। দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিল শেষ হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি