মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সদর উপজেলা জাসাসের মিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সদর উপজেলা জাসাসের মিছিল

সংবাদদাতা: সারাদেশে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সদর উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলা জাসাসের আয়োজনে এ প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সদর উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক সালমান কাদের ও সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা জাসাসের যুগ্ম আহবায়ক ইসারুল ইসলাম, মো. অলিউল্লাহ, ইমরুল মাহমুদ মিনহাজ, মো. ইব্রাহিম হোসেন, আবু তাহের, আব্দুর রউফ, শিবপুর ইউনিয়ন সভাপতি মাসুম মোল্লা ও সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ ভুঁইয়া, আঁগরদাড়ি ইউনিয়নের সেক্রেটারি আলামিন মিঠু, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আফছার আলী মন্ডন, ধুলিহর ইউনিয়নের আহবায়ক আব্দুর রউফসহ সদর উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং আওয়ামী লীগের কথিত নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রতিবাদ জানান। এতে সদর উপজেলা জাসাসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাসাসের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

Ads small one

দোলাচলে ৯ মাস, নির্ধারিত দামে এলপিজি মেলে না বাজারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
দোলাচলে ৯ মাস, নির্ধারিত দামে এলপিজি মেলে না বাজারে

সরকারি হিসাবে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু বাজারে সেই সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ১৫০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে ভোক্তাকে দিতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫৬৫ টাকা বেশি। অথচ বছরের শুরু থেকে এলপিজির দাম কখনও বেড়েছে, কখনও কমেছে। বিইআরসি প্রতি মাসে নতুন দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে সেই দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না।

এর মধ্যে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কমে গেছে। এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে এলপিজি সরবরাহে সংকটের কথা মানতে নারাজ বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।

৯ মাসে দামের দোলাচল

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম চার দফায় বাড়িয়েছে বিইআরসি। এর মধ্যে এপ্রিলে এক মাসেই দুই দফায় দাম বাড়ানো হয়। আবার জানুয়ারি, জুন, জুলাই ও সেপ্টেম্বরে দাম কমানো হয়েছে।

বিইআরসির নির্ধারিত দামের হিসাবে, জানুয়ারি মাসে প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। এরপর ফেব্রুয়ারিতে জানুয়ারির তুলনায় ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। পরে ভ্যাট কমায় দাম সিলিন্ডারে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। মার্চে দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়।

এরপর এপ্রিলে দুই দফায় মোট ৫৯৯ টাকা বাড়িয়ে দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। মে মাসে এই দাম অপরিবর্তিত ছিল। জুনে ৫৫ টাকা কমিয়ে দাম ১ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং জুলাইয়ে আরও ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। আগস্টে আবার ৭০ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয় ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ হিসাবে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম বেড়েছে ৩৩২ টাকা। তবে এ সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ১ হাজার ৯৪০ টাকা, যা এপ্রিল ও মে মাসে কার্যকর ছিল।

‘সরকার যে দামের কথা বলে, সে দামে কখনোই পাইনি’

বিইআরসি প্রতি মাসের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারের এলপিজির দাম ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করলেও খুচরা বাজারে সেই দামে এলপিজি পাওয়া যায় না কখনোই। সর্বশেষ চলতি মাস অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও বর্তমানে বাজারে তা ২ হাজার ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা থেকে রুশিয়া মিলি জানান, গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এলপিজি ব্যবহার করছেন। কিন্তু সরকার যে দামের কথা বলে, বাজারে সে দামে কখনোই এলপিজি পাননি। সব সময় বাড়তি দামেই এলপিজি কিনতে হয়। চলতি মাসেও প্রায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়েছে।

একই অভিযোগ করেন শান্তিনগরের বাসিন্দা মোস্তাক আহমেদ। তিনি বলেন, নতুন বাড়ি হওয়ায় গ্যাসের লাইন নেই। শুরু থেকেই এলপিজি ব্যবহার করেন। এলপিজি নিয়ে সব সময়ই ভোগান্তিতে পড়েন। কখনও দোকানদার বলেন, গ্যাস পাচ্ছেন না, বেশি দামে কিনে আনতে হয়, তাই বেশি দামেই নিতে হবে। না হলে নিয়েন না। আবার বলেন, সিলিন্ডারসহ নিতে হবে। আবার বলেন, সরকার যা-ই বলুক, তিনি এই দামেই বিক্রি করবেন। ‘আপনি নিলে নেন, না নিলে নাই। যাচ্ছেতাই অবস্থা এই এলপিজিতে। দেখার কেউ নেই। ভোগান্তি শুধু আমাদের মতো সাধারণ মানুষের।’

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম?

এদিকে কাঁঠালবাগান বাজারের এক ডিলার জানান, তারা চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি পান না। পেলেও বাড়তি দাম দিয়ে আনতে হয়। ‘আমরা তো আর লস দিয়ে বিক্রি করবো না।’

বড় খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, পরিবেশকদের কাছে চাহিদাপত্র দিয়েও আগের তুলনায় কম পরিমাণ এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে। আগে ৫০০ সিলিন্ডারের চাহিদা দিলে পুরোটা পাওয়া গেলেও এখন ২৫০টি দেওয়া হচ্ছে। আগে চাহিদাপত্র দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ পাওয়া গেলেও এখন অন্তত সাত দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

জাহাজের প্রিমিয়াম বেড়ে সরবরাহে চাপ

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। আমদানিকারকরা বিইআরসিকে জানিয়েছেন, বর্তমানে টনপ্রতি এ খরচ ৩০০ ডলারে পৌঁছেছে। অথচ সেপ্টেম্বরের জন্য বিইআরসি এ খাতে ১৬০ ডলার নির্ধারণ করেছিল। আমদানিকারকদের দাবি, গত মাসে এই খরচ ১২০ থেকে ১৬০ ডলারের মধ্যে ছিল।

বাড়তি ব্যয়ে এলপিজি আমদানি করলেও সেই অতিরিক্ত খরচ তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ নেই। বিইআরসি প্রিমিয়ামের পরিমাণ না বাড়ানো পর্যন্ত আমদানিকারকরা বাড়তি খরচ বিক্রয়মূল্যে সমন্বয় করতে পারেন না। এ কারণে নতুন চালান আনতে আমদানিকারকদের কেউ কেউ আগ্রহ হারাচ্ছেন।

তবে এলপিজি সরবরাহে সংকটের কথা মানতে নারাজ বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, প্রতি মাসে দেশে ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টন এলপিজি আসে। আগস্টে এসেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন এবং সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত এসেছে ১ লাখ ১৯ হাজার টন।

আমদানিকারকরা প্রিমিয়াম বেড়ে ৩০০ ডলারে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে কমিশনের নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন, তারা বাজার মনিটরিং করেন। অভিযোগ পেলে অভিযানও পরিচালনা করেন। এছাড়া ভোক্তা অধিকার নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে বলে তিনি জানান।

চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক

 

দেশের চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জেলাগুলো হলো টাঙ্গাইল, নীলফামারী, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদকে বদলি করে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীকে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. হুমায়ূন কবিরকে নীলফামারী এবং একই বিভাগের উপসচিব চৌধুরী আশরাফুল করিমকে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র-পুনর্গঠনের অভিযাত্রা: তারেক রহমান ও বিএনপির প্রস্তাবিত কর্মসূচীর প্রাসঙ্গিকতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্র-পুনর্গঠনের অভিযাত্রা: তারেক রহমান ও বিএনপির প্রস্তাবিত কর্মসূচীর প্রাসঙ্গিকতা

এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী

যেকোনো স্বাধীন জাতির ইতিহাসে কিছু সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মুহূর্ত তৈরি হয়, যা রাষ্ট্রের বিদ্যমান সার্বভৌম শক্তি এবং রাজনৈতিক সমাজভাবনাকে মৌলিকভাবে পুনর্সংজ্ঞায়িত করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বিবর্তনের ধারায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান তেমনি দুটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ। বাহ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি ঘটনার সময়কাল, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দৃশ্যমান শত্রু ভিন্ন বলে মনে হলেও, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এই দুই অভূতপূর্ব নাগরিক জাগরণ মূলত একই আদর্শিক ও রাজনৈতিক সুতোয় গাঁথা। আর এই দুই ঐতিহাসিক মুহূর্তের মধ্যবর্তী রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ এবং রূপান্তরকালীন রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তারেক রহমানের প্রস্তাবিত কর্মসূচি এক অপরিহার্য ও দূরদর্শী অনুঘটক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

১৯৭১ সালের মুক্তিসংগ্রামের মূল তত্ত্বগত ভিত্তি লুকিয়ে ছিল ‘জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার’ এবং একটি সাম্যভিত্তিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের আকাক্সক্ষায়। তৎকালীন পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠী যেভাবে বাঙালি জাতির রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও মৌলিক নাগরিক অধিকার নস্যাৎ করেছিল, তার বিরুদ্ধে এদেশের মানুষ জীবনপণ সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক ‘সামাজিক চুক্তি’ স্বাক্ষরের অঙ্গীকার, যার মূল স্তম্ভ ছিল-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। কিন্তু স্বাধীন্যোত্তর বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়ায় এবং বিশেষ করে গত দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে সেই একাত্তরের মূল চেতনার চরম বিচ্যুতি ঘটে। গণতান্ত্রিক ব্যাকস্লাইডিং, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অতি-রাজনীতিায়ন এবং নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে একদলীয় কর্তৃত্ববাদী কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছিল।

এই প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় ও নাগরিক অধিকার হরণের প্রেক্ষাপটেই সূচনা ঘটে ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের। একাত্তরে যেমন পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে মুক্তিকামী মানুষ গর্জে উঠেছিল, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা রাষ্ট্রযন্ত্রের একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসে। যখন কোনো শাসকগোষ্ঠী তার প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা ((Institutional Legitimacy)  হারিয়ে কেবল ভয় ও নিপীড়নের মাধ্যমে শাসনক্ষমতা টিকিয়ে রাখে, তখন নাগরিক সমাজের চরম প্রতিরোধ অনিবার্য হয়ে ওঠে। জুলাই অভ্যুত্থান ছিল সেই ঐতিহাসিক প্রতিরোধেরই প্রস্ফুটিত রূপ। সুতরাং, ২৪-এর অভ্যুত্থান হলো একাত্তরের মূল আকাক্সক্ষাকে উদ্ধার করার একটি ‘দ্বিতীয় প্রাতিষ্ঠানিক মুক্তিসংগ্রাম’।

এই দুটি ঐতিহাসিক সংগ্রামের মধ্যে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সেতু তৈরি করার ক্ষেত্রে তারেক রহমান এবং বিএনপির নীতিগত প্রাসঙ্গিকতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানÑউভয় আন্দোলনের মূল নির্যাস ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সাম্যভিত্তিক সমাজ নির্মাণ। তারেক রহমান তাঁর উপস্থাপিত ‘৩১ দফা’ রূপরেখার মাধ্যমে একাত্তরের মূল চেতনা এবং জুলাই অভ্যুত্থানের জনদাবিকে একটি সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে রূপান্তর করার চেষ্টা করেছেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি অভ্যুত্থান তখনই স্থায়ী সুফল বয়ে আনে যখন তা প্রাতিষ্ঠানিক ডেমোক্রেটাইজেশনে রূপ নেয়। তারেক রহমান ও বিএনপির ৩১ দফা-একাত্তরের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষা এবং ২৪-এর স্বৈরাচারবিরোধী দাবিরই এক আধুনিক রাষ্ট্রীয় সংশ্লেষণ। একাত্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেভাবে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর মাধ্যমে একটি বিভাজিত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, তারেক রহমান সেই দর্শনকেই আধুনিক ‘সিভিক ন্যাশনালিজম’ বা নাগরিক জাতীয়তাবাদে রূপান্তর করে ২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনাÑ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং সামাজিক মনস্তত্ত্বে এক নজিরবিহীন যুগসন্ধিক্ষণের সূচনা করেছে। এই অভ্যুত্থান কেবল একজন ব্যক্তির পতন বা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ক্ষমতার অপসারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল দীর্ঘ দেড় দশক ধরে গড়ে ওঠা একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন, গণতান্ত্রিক ব্যাকস্লাইডিং এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের অতি-রাজনীতায়নের বিরুদ্ধে জনগণের চরম ক্ষোভের বিস্ফোরণ।

বাংলাদেশের প্রথাবদ্ধ রাজনীতিতে রাজনৈতিক রূপান্তর বা ‘প্যারাডাইম শিফট’ খুব কমই নীতিগত ও কাঠামোগত বিতর্কের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতন ঘটায়নি, বরং তা রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ ও সংবিধানের মধ্যকার প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের মূল ভিত্তিগুলো ভেঙে নতুন করে চিন্তা করার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, একে একটি স্পষ্ট সংবিধান পুনর্গঠনের মুহূর্ত বলা চলে, যেখানে পুরোনো ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং নতুন সামাজিক চুক্তির সূচনা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে, আন্দোলন-উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকারের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত কর্মসূচি ও রাষ্ট্রচিন্তা কীভাবে মেলাচ্ছেÑতা অত্যন্ত সংবেদনশীল ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের দাবি রাখে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিপরীতে নাগরিক কেন্দ্রিক এক নতুন জাতীয়তাবাদের উত্থান। দীর্ঘ ১৫ বছরের একনায়কত্বে রাষ্ট্রযন্ত্রকে যে পন্থায় ব্যবহার করে বিরোধী মত দমন করা হয়েছিল, তাতে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পরে একটি বড় ধরনের ‘পদ্ধতিগত প্রতিশোধ’ বা প্রতিহিংসার রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে আমরা ‘ট্রানজিশনাল জাস্টিস’ বা সংক্রামক ন্যায়বিচার বলি, সেখানে তারেক রহমান এক বিপরীতমুখী ও প্রাজ্ঞ রাজনীতির উদাহারণ স্থাপন করেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করেছেন যে, বিএনপির কাছে ‘প্রতিশোধ’ মানে কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা দলীয় প্রতিশোধ নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সফল বাস্তবায়নই হবে ফ্যাসিবাদের ওপর প্রকৃত রাজনৈতিক বিজয়। এই রাজনৈতিক দর্শন বাংলাদেশের সংঘাতময় রাজনীতির ইতিহাস থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

একটি কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ডেমোক্রেটাইজেশন বা গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে জটিল প্রক্রিয়া শুরু হয়, সেখানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়Ñরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার একচ্ছত্র কেন্দ্রীভবন প্রতিরোধ করা। এই ক্রান্তিলগ্নে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অর্ন্তর্বতীকালীন সরকার এবং দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত রূপরেখাÑবিশেষ করে তাঁর উপস্থাপিত ‘৩১ দফা’Ñরাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্বিন্যাসে যথেষ্ট সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অভ্যুত্থান-উত্তর প্রথম পর্বে অর্ন্তর্বতীকালীন সরকার রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বেশ কিছু ক্ষেত্রে দৃশ্যমান সফলতা অর্জন করেছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা, অর্থনৈতিক খাত ও ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে অলিগার্কিক চক্র থেকে মুক্ত করার প্রাথমিক প্রয়াস এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা পুনরুদ্ধারÑড. ইউনূসের সরকারের অন্যতম অর্জন হিসেবে গণ্য করা যায়। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে দেখা যায়, সংস্কার কোনো বিচ্ছিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যায়াম নয়; এর জন্য প্রয়োজন জেনুইন পলিটিক্যাল লেজিটিমেসি বা রাজনৈতিক বৈধতা। একটি অনির্বাচিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কাঠামোগত রূপান্তর বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়, কারণ গণসম্মতি ব্যতিরেকে প্রণীত সংস্কার নীতি প্রায়শই ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের আমলে স্থায়িত্বের সংকটে পড়ে।

ইউনূস সরকারের অন্যতম প্রধান ব্যর্থতা বা সীমাবদ্ধতা এখানেই দৃশ্যমানÑরাজনৈতিক অংশীজনদের সাথে কৌশলগত বোঝাপড়া এবং একটি সর্বজনগ্রাহ্য নির্বাচনী রোডম্যাপ তৈরিতে তারা কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বের পরিচয় দিয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে বিলম্ব এবং অর্থনৈতিক সামষ্টিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে না পারা তাদের প্রশাসনিক সক্ষমতার ওপর কিছু প্রশ্ন তৈরি করেছিল। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানের উদ্ভাবিত ‘৩১ দফা’ রূপরেখার গুরুত্ব রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলোকে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। একটি গণঅভ্যুত্থান তখনই সফল রাষ্ট্রে পরিণত হয়, যখন বিপ্লবোত্তর উচ্ছ্বাসকে স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মে রূপান্তরিত করা যায়।

 

তারেক রহমান প্রস্তাবিত কর্মসূচীতে এই পরিবর্তনের একটি আধুনিক কাঠামোগত বিন্যাস লক্ষ্য করা যায়। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংশোধন, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠন এবং বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করার প্রস্তাবনা প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে সুশীল সমাজ, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ ও দলনিরপেক্ষ চিন্তাবিদদের রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরি হবে, যা গণতন্ত্রের গুণগত মান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

 

এছাড়া নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবনের জোর দাবি, মুক্ত গণমাধ্যম এবং মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা সুসংহত করার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে যে, দীর্ঘমেয়াদী গণতান্ত্রিক স্থায়িত্ব কেবল নির্বাচনী ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারের ওপরই নির্ভরশীল। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কেবল রাজনৈতিক শাসনকাঠামোর সংস্কারই যথেষ্ট নয়, বরং এর পাশাপাশি প্রয়োজন ‘সোশ্যাল কনট্রাক্ট’ বা সামাজিক চুক্তির নবায়ন।

তারেক রহমানের কর্মসূচীতে কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের কথাই বলা হয়নি, বরং একটি টেকসই কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনেরও বিশদ পরিকল্পনা রূপায়ন করা হয়েছে। বাজার ব্যবস্থার অনিয়ম, মেগা-প্রজেক্ট নির্ভর দুর্নীতির মডেল এবং অলিগার্কিক নিয়ন্ত্রণের ফলে সাধারণ মানুষ যে চরম অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছে, তা থেকে উত্তরণে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। তারেক রহমান প্রস্তাবিত যুব সমাজের জন্য বেকার ভাতা, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য বিশেষ সুরক্ষা কার্ড এবং স্বাস্থ্য খাতের বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে একটি জনকল্যাণমূলক ফ্রেমওয়ার্ক নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।

 

এটি রাজনৈতিক গণতন্ত্রের সাথে সামাজিক-অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের একটি সুষম সংমিশ্রণ ঘটাতে চায়। তদুপরি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল একটি বৈষম্যহীন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ নির্মাণ। তারেক রহমান যেভাবে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণাকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক জাতীয়তাবাদ বা ‘সিভিক ন্যাশনালিজম’-এ পুনর্বিন্যাস করার প্রয়াস পেয়েছেন, তা জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ করে। ধর্মীয়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সকল নাগরিককে সমান রাষ্ট্রীয় অধিকার ও নিরাপত্তা প্রদানের যে অঙ্গীকার বিএনপির নীতিমালায় উঠে এসেছে, তা সমাজে বিদ্যমান মেরুকরণ দূরীকরণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

এটি স্পষ্ট যে, জুলাই অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ভর করছে একটি জবাবদিহিতামূলক ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর। ইউনূস সরকারের সংস্কারমূলক সূচনার সাথে তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও বিএনপির প্রস্তাবিত রাষ্ট্র-পুনর্গঠনের কর্মসূচীর সমন্বয় ঘটাতে পারলে বাংলাদেশ একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে ধাবিত হবে। তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ৩১ দফা কোনো সাময়িক রাজনৈতিক ঘোষণা নয়; বরং এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গুণগত রূপান্তর এবং একটি আধুনিক, ভারসাম্যপূর্ণ ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ব্লুপ্রিন্ট। এই কর্মসূচিগুলোর সফল ও নিরপেক্ষ বাস্তবায়নই পারে ২৪-এর ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে।

এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক আহবায়ক, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি