প্রতিবন্ধী সন্তান রেখে পরস্ত্রী’র সাথে বাবার পলায়ন, আত্মহত্যা মায়ের
শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গৃহবধু মরিয়ম সুলতানা মায়া (২৫)আত্মহত্যার ঘটনায় মুল রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে স্বামী জাহিদুল ইসলাম অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয়ায় তিনি আত্মহত্যা করেন। এঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীসহ পরকিয়া প্রেমিকার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শ্যামনগর থানায় এজাহার জমা দিয়েছে নিহত গৃহবধুর পিতা মির আলী গাজী।
মরিয়ম সুলতানা মায়া গত ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে স্বামীর বাড়িতে অবস্থানকালে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন। উপজেলার বংশীপুর গ্রামের হামজার গাজীর ছেলে জাহিদুলের সাত বছর পুর্বে বিয়ে হয় পশ্চিম বংশীপুর গ্রামের মির আলী গাজীর মেয়ে মরিয়মের। তাদের সংসারে পাঁচ বছর বয়সী একটি শাররীক প্রতিবন্ধী পুত্র সন্তান রয়েছে।
মির আলী গাজী জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর জাহিদুল প্রতিবেশী হোসেন আলীর স্ত্রী সালমা খাতুনকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়। এঘটনার পর অসুস্থ প্রতিবন্ধী সন্তানের কথা বিচেনায় নিয়ে বার বার অনুরোধ করেও স্বামীকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয় তার মেয়ে। একপর্যায়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে বিষপানে আত্মহত্যা করে মরিয়ম।
মির আলীর অভিযোগ প্রতিবেশীর স্ত্রী’র সাথে পরকীয়া নিয়ে আপত্তি তোলার কারনে ১২ সেপ্টেম্বর বাড়ি ছাড়ার আগে মরিয়মকে বেপরোয়া শাররীক নির্যাতন করা হয়। এমনকি তার খেয়ালখুশি মত চলতে না পারলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যারও পরামর্শ দিয়ে বাড়ি ছাড়ে জামাই জাহিদুল।
অভিযুক্ত জাহিদুলের মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেলেও তার বড় ভাই এমদাদুল ইসলাম জানান, তার ভাই চরম অন্যায় করেছে। তিনি ও তার গোটা পরিবার অপরাধী জাহিদুলের শাস্তি দাবি করছে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান বাদির লিখিত এজাহার হাতে পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









