শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছা থেকে তালায় সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা থেকে তালায় সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ

উপকূলের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): উপকূলের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনসহ ৪২টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠন। শুক্রবার খুলনা জেলার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় আয়োজিত সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক জ্বালানি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক মাসব্যাপী প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে পাইগাছার মাহমুদ কাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশের আগে হরিঢালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে ব্যানার, ফেষ্টুন নিয়ে একটি সুসজ্জিত সাইকেল র‌্যালী শুরু হয়ে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি, কাশিমনগর এবং সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে প্রচার চালানো হয়।

সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে ভার্চুয়ালি বক্তৃতা করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই। উপকূল জুড়ে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। উপকূলে সোলার স্থাপনের জন্য প্রচুর জমি রয়েছে।

 

রামপাল ও মাতারবাড়ীর মতো বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যমান জমি কাজে লাগিয়ে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। উপকূলের বেড়িবাঁধ ও বিস্তৃীর্ণ চরও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনা যেতে পারে। এ সকল বিষয়ে সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমীরণ দে, অনির্বাণ লাইব্রেরির সহ-সভাপতি বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র, উন্নয়নকর্মী এস এম আফজাল হোসেন, পরিবেশকর্মী শহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

Ads small one

পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২৫ বছরের দখলে থাকা জমিতে বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে উপজেলার ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেড়া ও ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগকারী সিরাজুল ইসলাম ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফতেপুর গ্রামের মৃত মতলেব সরদারের ছেলে মঞ্জুরুল সরদার পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া ২৫ শতক জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। সেখানে তাঁর ভাই সিরাজুল ইসলামও থাকেন। এসএ ২৭ খতিয়ান, যা পরবর্তী সময়ে বিএস ৮৭ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেÑঐ খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে মোট ২ দশমিক ৫৬ একর জমি রয়েছে, যার মধ্যে ২৫ শতক জমি তাঁদের।

সিরাজুল ইসলামের দাবি, একই গ্রামের সাহেব আলী সরদারের ছেলে মঞ্জুরুল সরদার ও তাঁর ভাগনে আবু হানিফ বেশ কিছুদিন ধরে তাঁদের জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ অবস্থায় জমি দখলের আশঙ্কায় তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই ব্যক্তিকে বিবাদী করে একটি মামলা (নম্বর ১৯২/২৬) করেন।

মামলার পর আদালত সংশ্লিষ্ট জমিতে দখলের বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। তবে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে শনিবার ভোরে প্রতিপক্ষের লোকজন এসে ঐ জমির ৬ শতক নিজেদের দাবি করে বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

পাইকগাছা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রবিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিপক্ষের ঘেরা-বেড়া ও ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং আদালতের আদেশ মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে জমির মালিকানা বিষয়ে মঞ্জুরুল সরদার জানান, নিজের জমির দলিল ও রেকর্ড থাকার কারণেই তিনি সীমানা ঘেরে দখল নিয়েছেন।

 

ভুল অস্ত্রোপচারে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
ভুল অস্ত্রোপচারে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ: তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় ভুল অস্ত্রোপচারে সাধন বিশ্বাস (৪৫) নামের এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে ‘তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর শারীরিক জটিলতায় প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত সাধন বিশ্বাস খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটি গ্রামের কার্তিক বিশ্বাসের ছেলে।

স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় এক মাস আগে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে সাধন বিশ্বাসকে তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আব্দুর রহমান তাঁর অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করেন। কয়েক দিন পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে ক্লিনিকের মালিক বিধান চন্দ্র রায় পুনরায় তাঁর দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার করেন। এরপর অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তৃতীয় দফায় অস্ত্রোপচারের পর শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাধন বিশ্বাসের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন ক্লিনিকের সামনে জড়ো হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ ও বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্লিনিকের সামনে উৎসুক মানুষ ও স্বজনরা জড়ো হলেও আইনশৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটে এমন কিছু হয়নি। এ বিষয়ে থানায় আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

ক্লিনিকের মালিক বিধান চন্দ্র রায় জানান, দুই পক্ষের সমঝোতায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা তদন্তে ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ক্লিনিকটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ সেপ্টেম্বর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আনিছুর রহমানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী ২০ সেপ্টেম্বর। ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ডা. মো. আনিছুর রহমান শিক্ষাবিদ ও দেশবরেণ্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। তিনি কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, সাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এবং কাকডাঙ্গা সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগ এবং পরবর্তীতে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।