শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের বিপক্ষে আজ বাংলাদেশ দলে নেই আফঈদা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ভারতের বিপক্ষে আজ বাংলাদেশ দলে নেই আফঈদা

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে আজ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের ঠিক আগমুহূর্তে বাংলাদেশ শিবিরে বড় ধাক্কা। সাম্প্রতিক সময়ে অফ-ফর্মের কারণে সাবেক অধিনায়ক ও নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার আফঈদা খন্দকারকে বেঞ্চে রেখে প্রথম একাদশ সাজিয়েছেন কোচ পিটার বাটলার।

ইতোমধ্যেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় এই ম্যাচটি মূলত ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই। তবে সমীকরণে বেশ এগিয়ে আছে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ১১-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ায় আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করলেই গ্রুপ সেরা হবে ভারত। অপরদিকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে যেতে হলে ঋতুপর্ণা-মারিয়াদের সামনে জয় ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প খোলা নেই।

পারফরম্যান্সে ভাটার টানের কারণে কদিন আগেই জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব হারিয়েছিলেন ডিফেন্ডার আফঈদা খন্দকার। তার পরিবর্তে দলের নেতৃত্ব ওঠে টানা দুটি সাফজয়ী অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মারিয়া মান্দার কাঁধে। নতুন অধিনায়কের অধীনে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে বাংলাদেশ।

তবে মালদ্বীপের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচেও রক্ষণের দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল, যেখানে আফঈদার পারফরম্যান্স ছিল বেশ হতাশাজনক। সেই খেসারত হিসেবেই আজ ভারতের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশ থেকে ছিটকে গেলেন তিনি। আফঈদার পাশাপাশি প্রথম একাদশে জায়গা হারিয়েছেন উমহেলা মারমাও।

আজকের লড়াইয়ে রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠে বেশ কিছু কৌশলগত পরিবর্তন এনেছেন কোচ বাটলার। পোস্টের নিচে গ্লাভস হাতে থাকছেন মিলি। রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শামসুন্নাহার সিনিয়র, কোহাতি কিসকু, সুরভি আকন্দ আরফিন এবং সুরমা জান্নাতকে।

মাঝমাঠে বড় স্বস্তি হয়ে ফিরছেন তারকা ফুটবলার মনিকা চাকমা। তার সঙ্গে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ থাকবে অধিনায়ক মারিয়া মান্দা ও মোমিতা খাতুনের পায়ে। আর ভারতের ডিফেন্স ভাঙার গুরুদায়িত্ব নিয়ে আক্রমণভাগে থাকছেন আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, ঋতুপর্ণা চাকমা এবং শামসুন্নাহার জুনিয়র।

Ads small one

দফা ধীরে ধীরে বাড়বে, শেষ পর্যন্ত সব মিলে এক দফায় পরিণত হবে: শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
দফা ধীরে ধীরে বাড়বে, শেষ পর্যন্ত সব মিলে এক দফায় পরিণত হবে: শফিকুর রহমান

‘আমাদের দাবি দেশের কোটি মানুষের জন্য। সরকার যদি ৮ দফা দাবি না মানে, তাহলে আজকের ৮ দফা কাল ৯ দফা হতে পারে, এরপর যুক্ত হতে পারে ১০ দফা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব দফা এক দফায় পরিণত হবে।’

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চের অংশ হিসেবে সন্ধ্যার পর গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌমাথা মোড়ে আয়োজিত পথসভায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সেই এক দফা চাই না। আমরা সরকারকে সময় দিচ্ছি, সুযোগ দিচ্ছি। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। কিন্তু সরকার যদি দাবি না মানে, তাহলে অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে; আমরা সেই পাপের ভাগ নিতে রাজি হবো না।’

লং মার্চের পরবর্তী কর্মসূচি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘এখনকার লং মার্চ ঢাকায় হবে না; এটি হচ্ছে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে। জাতির প্রয়োজনে যদি আরও বৃহত্তর লং মার্চের ডাক দেওয়া হয়, তাহলে গ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত লং মার্চ হবে। দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নারী-পুরুষ সবাইকে নিয়ে সেই লং মার্চ হবে।’

দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘অনেক সন্তান মায়ের বুকে নেই। দেশের জুলুম, খুন ও ধর্ষণ আমরা আর সহ্য করতে পারছি না। আজ মায়েরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন, শিশুরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে; কিন্তু এসব বন্ধ হচ্ছে না, বিচারও হচ্ছে না।’

ঢাকা থেকে রংপুরে আসার পথে বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার নারী-পুরুষ পথসভায় এসে তাঁদের কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন বলে দাবি করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মায়েরা যে দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছেন, ইনশাআল্লাহ আমরা সেই দাবি আদায় করেই ছাড়ব।’

এদিকে পথসভায় বিএনপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারাও বক্তব্য দেন। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের এমপি মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু এতে সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন এমপি আখতার, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ এবং হাসনাত আবদুল্লাহসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতারা।

হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা দেখছি, নির্বাচনের পরে সরকার তার রূপ পরিবর্তন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান সরকার ও সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে পারেন না এবং তাঁদের বক্তব্যের জবাবও দেন না—এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘সংসদে নীরবতা অবলম্বন করলেও বাংলাদেশের মানুষ নীরব থাকবে না।’

এ সময় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পাশে বসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের ব্যবসা ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে ব্যস্ত এবং তাঁর ছেলে টেন্ডারবাজিতে ব্যস্ত বলেও অভিযোগ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এসব বক্তব্যে তিনি সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দেশকে রক্ষায় আমাদের দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং বাংলাদেশকে মুক্ত করতে হবে।’

এর আগে পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি গাইবান্ধা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। লং মার্চের পথসভাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই পলাশবাড়ী চৌমাথা এলাকায় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায় থেকে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

উল্লেখ্য, ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চ শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হয়। কর্মসূচিতে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

ট্রিপল সেঞ্চুরির পর আফগানিস্তান টেস্টের দলে তাওহীদ হৃদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
ট্রিপল সেঞ্চুরির পর আফগানিস্তান টেস্টের দলে তাওহীদ হৃদয়

টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটি চ্যালেঞ্জের সামনে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাতে সুযোগ পেয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। অস্ট্রেলিয়া সফরে না থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ঐতিহাসিক ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলে ঢুকেছেন তিনি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্টটি শুরু হবে ৯ অক্টোবর। ব্যাটিংয়ে তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম ও সৌম্য সরকারের সঙ্গে আছেন অভিজ্ঞ মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাস।

অলরাউন্ডার হিসেবে দলে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। স্পিন বিভাগে বাঁহাতি তাইজুল ইসলামের পাশাপাশি ভরসা থাকবে মিরাজের ওপরও।

পেসার নাহিদ রানা চোট সারিয়ে ফিরতে পারেননি। পেসার তাসকিন আহমেদকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ফলে পেস আক্রমণে রয়েছেন হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী ও শরিফুল ইসলাম।

এছাড়া দলের সঙ্গে রিজার্ভ হিসেবে ভ্রমণ করবেন অফস্পিনার নাঈম হাসান, পেসার মুশফিক হাসান ও ইকবাল হোসেন ইমন ।

বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড:

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী ও শরিফুল ইসলাম।

সালমান শাহকে যেভাবে খুঁজে পেলেন নির্মাতা সোহানুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
সালমান শাহকে যেভাবে খুঁজে পেলেন নির্মাতা সোহানুর রহমান

প্রয়াত নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরেই সিনেমায় আসেন নায়ক সালমান শাহ। এ নির্মাতার ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে সালমানের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৩ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি।

নির্মাতা সোহানের দেখা পাওয়ার আগে থেকেই সালমান নায়ক হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। এক সাক্ষাৎকারে তাকে নিয়ে এমন তথ্য দেন সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর।

তিনি আরও জানান, ইমনকে থেকে সালমান শাহ হিসেবে গড়ে তোলার প্রথম উদ্যোগটা নেন তার মা খোশনূর আলমগীর।

আঁখি বলেন, ‘ইমনের (সালমান শাহ) মা নীলা আন্টি রাজনীতি করতেন। পাশাপাশি কিন্তু গানও গাইতেন। তিনি আমার মায়ের লেখা একটা গান করেন বিটিভিতে। সেই গানের সূত্রে নীলা আন্টি আর আমার মায়ের সঙ্গে একটা পারিবারিক বন্ডিং তৈরি হয়। সেভাবেই ইমনের সঙ্গে আমাদের পরিচয়।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমাদের পরিবার সিনেমা ও সংগীতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, সেজন্য ইমন (সালমান শাহ) বার বার আম্মুকে দেখলেই বলতো, ‘আন্টি প্লিজ একটা কিছু করেন। আপনি চাইলে হবে’। আমি দেখেছি ও আসলে নিজেকে ছোটবেলা থেকে নায়ক হিসেবেই গড়ে তুলেছে। ওর মধ্যে এর বাইরে আর কোনও প্ল্যান ছিলো না। এরপর ওকে নিয়ে আম্মু সোহান আঙ্কেলের কাছে যান। তারপরের ইতিহাস তো সবারই জানান।’

অভিনয় ছেড়ে জাপানে কী করছেন অপর্ণা ঘোষঅভিনয় ছেড়ে জাপানে কী করছেন অপর্ণা ঘোষ
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সালমান শাহর ৫৫তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে সিলেটের জকিগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’।