মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

যন্ত্রটিতে চা-পানি ফুটানো ছাড়াও আরো যেসব কাজ করতে পারবেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
যন্ত্রটিতে চা-পানি ফুটানো ছাড়াও আরো যেসব কাজ করতে পারবেন

বর্তমানে আমাদের ব্যস্তময় জীবনের সময় বাঁচানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই বাস্তবতায় কিছু স্মার্ট গ্যাজেট আমাদের দৈনন্দিন কাজকে অনেক সহজ করে তোলে। এমনই একটি কার্যকর যন্ত্র হলো ইলেকট্রিক কেটলি।
ইলেকট্রিক কেটলি মূলত একটি মাল্টি-ফাংশনাল যন্ত্র, যা অল্প সময়ে নানা কাজ সম্পন্ন করতে পারে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের হোস্টেল জীবন, ব্যাচেলরদের বাসা কিংবা কর্মজীবীদের সকালে এটি হতে পারে এক নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। রান্না থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত যত্নতে ব্যবহার আপনাকে অবাক করতে পারে।

> চটজলদি ব্রেকফাস্ট তৈরি
সকালে সময় কম থাকলে ইলেকট্রিক কেটলি খুব কাজে আসে। পানি ফুটিয়ে তা ইনস্ট্যান্ট ওটস, ডালিয়া বা মিলেটের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক মিনিটেই তৈরি হয়ে যায় স্বাস্থ্যকর নাস্তা তৈরি করা যায়। আবার রাতের বেলায় হালকা ক্ষুধা লাগলে এতে সহজেই নুডুলস বা পাস্তা বানানো যায়। এতে সময়ও বাঁচে, ঝামেলাও কমে।

> সহজে ডিম সেদ্ধ করা
গ্যাসের ঝামেলা ছাড়াই ইলেকট্রিক কেটলি ডিম সেদ্ধ করা যায়। কেটলিতে পানি ও ডিম দিয়ে সুইচ অন করলেই কয়েক মিনিটে প্রস্তুত হয়ে যায় সেদ্ধ ডিম। এটি দ্রুত, সহজ এবং ঝুঁকিমুক্ত একটি পদ্ধতি।

> গরম স্যুপ তৈরিতে
ইলেকট্রিক কেটল শুধু স্ন্যাকস নয়, গরম স্যুপ তৈরিতেও করতে পারবেন। ফুটন্ত পানিতে স্যুপ মিক্স দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু স্যুপ। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এতে ভাতও রান্না করা সম্ভব। নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ও চাল দিয়ে দিলে কেটলের স্টিম সেন্সর ভাতকে ঠিকভাবে সেদ্ধ হতে সাহায্য করে।

> সবজি সেদ্ধ
খুব অল্প সময়ের জন্য ব্রকলি বা ছোট টুকরো করা সবজি ভাপে সেদ্ধ করতে পারেন।

> অতিথি আপ্যায়নে সহজ সমাধান
বাড়িতে অতিথি এলে দ্রুত কফি বা হট চকলেট তৈরি করতে ইলেকট্রিক কেটল দারুণ সহায়ক। একসঙ্গে কয়েকজনের জন্য পানীয় তৈরি করা যায়, যা সময় এবং পরিশ্রম দুইটাই কমাবে।

> রূপচর্চায় ব্যবহার
রান্নাঘরের বাইরেও ইলেকট্রিক কেটলের ব্যবহার রয়েছে। গরম পানির বাষ্প দিয়ে মুখে স্টিম নেওয়া ত্বকের জন্য উপকারী। এটি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে এবং ত্বককে সতেজ করে তোলে। যারা নিয়মিত পার্লারে যেতে পারেন না, তাদের জন্য এটি একটি সহজ ও কার্যকর সমাধান।

ইলেকট্রিক কেটলি শুধু একটি সাধারণ যন্ত্র নয়, বরং এটি একটি স্মার্ট লাইফস্টাইল টুল। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি আপনার সময় বাঁচাবে, কাজ সহজ করবে এবং দৈনন্দিন জীবনকে আরও আরামদায়ক করে তুলবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য স্প্রুস

Ads small one

সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে জাহাঙ্গীর আনারুল দুলাভাই ও আফতাব বাহিনীর ৫২ সদস্যের র‌্যাবের কাছে আত্মসমার্পণ

পত্রদূত ডেস্ক: সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত এবং নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের মধ্যে একযোগে চারটি জলদস্যু বাহিনীর ৫২ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৩১ আগস্ট সুন্দরবনে সক্রিয় এসব বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫২ জন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‌্যাব-৬ সদর দপ্তর, খুলনা থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বনজীবী ও স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারীদের কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়।

একই সঙ্গে জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। র‌্যাব-৬সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারী খেলারডাঙ্গীর মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদরের তালতলা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় মিলেছে। তিনি সাতক্ষীরা শহরতলীর খেলারডাঙগী এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে কোহিনুর বেগম (৩৪)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের তালতলা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

সূত্রে জানাগেছে, মাগুরা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের দোকানের কর্মচারী তালতলা গ্রামের এরফান আলীর ছেলে ভ্যান চালক শরিফুল ইসলাম তার ভ্যানে বালু লোড দেওয়ার এক পর্যায়ে মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পিছনে প্রসাব করতে বসেন।

 

এসময় বিলের মধ্যে এক নারীর লাশ দেখতে পেয়ে বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে জানান। আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো বোরখা পরিহিত নারীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে সদর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।

 

খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান’র নেতৃত্বে পুলিশ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেন। এসময় ঘটনা স্থল থেকে পুলশ একটি এন্ড্রয়েড ফোন উদ্ধার করে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় লাশটি কহিনুর বেগমের।

 

ইতোমধ্যে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারন উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল

সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুরে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে মাছখোলা উত্তরপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদের উদ্যোগে সিরাতুন নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বাদ মাগরিব থেকে মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে এই বিশেষ মাহফিল শুরু হয়।

 

মাওলানা রোকনুজ্জামান বিপ্লবের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুমহান জীবন ও আদর্শের ওপর বিস্তারিত আলোচনা পেশ করেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আফজাল হোসেন জিহাদী।

 

এ ছাড়া মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশে আলোচনা করেন হাফেজ মাওলানা হাবিবুর রহমান।

 

অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেবৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত ছিলেন। মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি