সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

রিজিকে বরকত কমে যাওয়ার পেছনে যে ভুল আমরা প্রতিদিন করছি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
রিজিকে বরকত কমে যাওয়ার পেছনে যে ভুল আমরা প্রতিদিন করছি

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা, রিজিকের প্রশস্ততা এবং জীবনে বরকত এ তিনটি বিষয়ই মানুষের চিরন্তন প্রত্যাশা। তবে ইসলাম স্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয়, প্রকৃত সমৃদ্ধি কেবল অর্থ-সম্পদের প্রাচুর্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং হালাল উপার্জন, আল্লাহভীতি, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি এবং মানুষের অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে বরকতময় জীবনের প্রকৃত ভিত্তি।

 

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, “তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করবে এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে।” (সূরা আল-ইসরা: ২৩)। গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর ইবাদতের নির্দেশের পরপরই পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণের আদেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ইসলামে পিতা-মাতার মর্যাদা ও তাঁদের সন্তুষ্টির গুরুত্ব সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টির মধ্যে এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে।” (জামে তিরমিজি)।

 

তাই যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সঙ্গে পিতা-মাতার সেবা করে, তাঁদের সম্মান করে এবং তাঁদের দোয়া অর্জনের চেষ্টা করে, আল্লাহ তাআলা তার জীবনে রহমত ও কল্যাণ দান করেন। অপরদিকে, মানুষের ওপর জুলুম করা, অন্যের অধিকার হরণ করা, লেনদেনে প্রতারণা করা কিংবা অসৎ উপায়ে সম্পদ অর্জন করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না।” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৮)।

 

রাসূলুল্লাহ কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহিহ মুসলিম)। অর্থাৎ, যে সম্পদ অন্যায় ও অসততার মাধ্যমে অর্জিত হয়, তাতে বাহ্যিক প্রাচুর্য থাকতে পারে, কিন্তু প্রকৃত বরকত থাকে না। আজকের সমাজে অর্থনৈতিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং জীবনে বরকতহীনতার অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে।

 

অথচ আত্মসমালোচনা করলে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই আমরা মানুষের হক আদায়ে অবহেলা করি, লেনদেনে সততা বজায় রাখি না, অন্যের সম্পদের প্রতি অন্যায়ভাবে হাত বাড়াই কিংবা পিতা-মাতার যথাযথ খেদমতে শৈথিল্য প্রদর্শন করি। এসব অনৈতিক আচরণ ব্যক্তি ও সমাজ উভয়কেই আল্লাহর রহমত ও বরকত থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।

লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

 

Ads small one

আশাশুনির শীতলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ণ, হেলে পড়েছে পিলার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির শীতলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ণ, হেলে পড়েছে পিলার

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার ১৬ নম্বর শীতলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি সংস্কারের অভাবে অত্যন্ত জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের একটি পিলার বসে যাওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দুর্ঘটনা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১১০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। দীর্ঘ ১২ বছর আগে তৈরি হওয়া তিনতলা ভবনটির দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের একটি পিলার নিচে দেবে গেছে। ফলে দরজা-জানালা বেঁকে গিয়ে সঠিকভাবে লাগানো যাচ্ছে না। পাশাপাশি দেয়ালের পলেস্তারা খসে ইট বেরিয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, ভবনটির দেয়ালে বড় ফাটল ধরেছে এবং আয়রন রডসহ স্টিলের অংশগুলোতে মরিচা ধরেছে। দ্রুত সংস্কার না করা হলে ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ঝয়কার ঢালী জানান, বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আগেই তথ্য পাঠানো হয়েছে। পিলার বসে যাওয়ার বিষয়টি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

মহিষকুড়-শীতলপুর সড়ক পাকাকরণের দাবি স্থানীয়দের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
মহিষকুড়-শীতলপুর সড়ক পাকাকরণের দাবি স্থানীয়দের

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড় ওয়াপদা থেকে শীতলপুর হয়ে ইউনিয়ন পরিষদগামী চার কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীসহ কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে হাঁটুসমান কাদা ও পানি জমে থাকায় রোগী পরিবহন ও কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, সড়কটিতে একাধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও মসজিদ রয়েছে। দীর্ঘদিনের জনভোগান্তি নিরসনে দ্রুত সড়কটি পাকা করার বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।

দেবহাটায় শিশুশ্রম নিরসনে অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় শিশুশ্রম নিরসনে অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: “শিশুশ্রম নয়, শিক্ষায় যাবে শিশু, গড়বে সুন্দর আগামী বাংলাদেশ”Ñএই প্রত্যয় নিয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে শিশুশ্রম নিরসনবিষয়ক এক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং সুশীলনের দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের আয়োজনে ‘শিশুশ্রম প্রগ্রেস শেয়ারিং মিটিং’ শীর্ষক এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিশুশ্রম নিরসন ও শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস চন্দ্র, ইউপি সচিব ফারুক হোসেন, সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার জ্যোৎস্না বালা, ইউপি সদস্য ফাতেমা খাতুন ও প্রেম কুমার।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষাবিদ, মাঠপর্যায়ের সমাজকর্মী ও গণমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষক রবিউল ইসলাম, ইউপি সদস্য শ্যামলী রানী, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির (ভিডিএস) সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় শিশু ও অভিভাবকেরা।
সভার শেষ অংশে দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের বিগত মাসগুলোর অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই স্থানীয় পর্যায় থেকে শিশুশ্রম দূর করতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।