বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, সাংবাদিকসহ নিহত ৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, সাংবাদিকসহ নিহত ৫

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের একাধিক হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন সাংবাদিকও রয়েছেন। এ ঘটনায় দেশটিতে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি নতুন করে উত্তেজনার মুখে পড়েছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানায়, বুধবার দক্ষিণ লেবাননের আত-তিরি গ্রামে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় প্রথমে দুইজন নিহত হন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে দুটি যানবাহনে হামলা চালিয়েছে, যেগুলো লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত একটি সামরিক স্থাপনা থেকে বের হয়েছিল। পরে একই গ্রামের একটি ভবনে আরেকটি বিমান হামলায় এক সাংবাদিক আহত হন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। পরে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের কর্মী আমাল খলিলকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আহত সাংবাদিক জেইনাব ফারাজকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, সাংবাদিকরা যে ভবনে আশ্রয় নিয়েছিলেন সেটিকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত করতে সড়কেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

লেবাননের তথ্যমন্ত্রী এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, তারা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় না এবং উদ্ধার কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছে।

এর আগে গত মাসেও দক্ষিণ লেবাননে একটি চিহ্নিত সংবাদমাধ্যমের গাড়িতে হামলায় তিন সাংবাদিক নিহত হন।

অন্যদিকে, একইদিনে দক্ষিণ লেবাননের ইয়োহমর আল-শাকিফ এলাকায় পৃথক হামলায় আরো দুইজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

হিজবুল্লাহর পাল্টা দাবি

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে তারা ড্রোন হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের একটি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করেছে। ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, তারা একটি ড্রোন প্রতিহত করেছে।

গত কয়েক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা

আগামী রবিবার মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলমান। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করবেন।

আহত হয়ে ফরাসি সৈন্যের মৃত্যু

রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, গত সপ্তাহে লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের উপর হামলার ঘটনায় দ্বিতীয় একজন ফরাসি সৈন্য মারা গেছেন। তিনি এই হামলার জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছেন। চিফ কর্পোরাল অ্যানিসেট জিরার্দিন নামের ওই সৈন্য ১৮ এপ্রিল গুরুতরভাবে আহত হন। মঙ্গলবার ফ্রান্সে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মারা যান।

লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী, ইউনিফিল জানিয়েছে প্রাথমিক মূল্যায়নে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, হামলাটি অরাষ্ট্রীয় পক্ষ, সম্ভবত হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে চালানো হয়েছিল। ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে এই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

Ads small one

তাপপ্রবাহ, বিদ্যুৎঘাটতি ও অন্ধকারের অন্তর্লিখন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ
তাপপ্রবাহ, বিদ্যুৎঘাটতি ও অন্ধকারের অন্তর্লিখন

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মানেই তাপদাহ, আর তাপদাহ মানেই বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপ-এই বাস্তবতা নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি কেবল মৌসুমি চাপের সীমা অতিক্রম করে একটি গভীর কাঠামোগত সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজশাহী, খুলনা বিভাগসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাপপ্রবাহের সঙ্গে বিদ্যুৎঘাটতি যেভাবে একসঙ্গে প্রকট হয়েছে, তা আমাদের বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘদিনের নীতিগত দুর্বলতা, পরিকল্পনার অসামঞ্জস্য এবং জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার একটি সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

 

এই সংকটকে বোঝার জন্য কেবল বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলেই হবে না; বরং এর পেছনের কাঠামোগত কারণ, নীতিগত সিদ্ধান্ত, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব-সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে-এটি একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া। গরমে ফ্যান, এয়ারকন্ডিশনার, পানির পাম্প-সবকিছুর ব্যবহার বেড়ে যায়।

 

শিল্পকারখানায়ও শীতলীকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজন বাড়ে। ফলে বিদ্যুতের চাহিদা একধাক্কায় কয়েক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে উৎপাদন হচ্ছে তার চেয়ে অনেক কম। ফলে তৈরি হচ্ছে ঘাটতি, যা লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে সামাল দেওয়া হচ্ছে।

 

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-এই চাহিদা কি সত্যিই অপ্রত্যাশিত? না, মোটেই নয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতি বছরই তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয়। কাজেই পরিকল্পনা থাকলে এই চাহিদা মোকাবিলা করা সম্ভব ছিল। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো-উৎপাদন সক্ষমতা ও বাস্তব উৎপাদনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান।

 

দেশে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে তা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এর প্রধান কারণগুলো হলো: গ্যাস, কয়লা ও তেলের সরবরাহে ঘাটতি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় বাধা। গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো গ্যাস পাচ্ছে না, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো কয়লার অভাবে বন্ধ বা আংশিক চালু, আর তেলচালিত কেন্দ্রগুলো তেলের উচ্চমূল্য ও বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে সীমিত উৎপাদনে বাধ্য হচ্ছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত ক্রমেই আমদানিনির্ভর হয়ে উঠেছে।

 

কয়লা, এলএনজি, এমনকি বিদ্যুৎও আমদানি করতে হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহে বিঘœ ঘটলেই দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যাহত হয়। বড় বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু সংকটের সময় এসব ত্রুটি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। গত এক দশকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে। নতুন নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, উৎপাদন সক্ষমতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এই বিনিয়োগের একটি বড় অংশ ছিল পরিকল্পনাহীন বা অসমন্বিত।

 

বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের আগে জ্বালানির স্থায়ী উৎস নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে এখন কেন্দ্র আছে, কিন্তু চালানোর মতো জ্বালানি নেই। বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্র চালু থাকুক বা না থাকুক, সরকারকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হয়। এতে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে পরিকল্পনা অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।

 

বর্তমান লোডশেডিং পরিস্থিতির একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো-গ্রামাঞ্চলে এর প্রভাব অনেক বেশি। শহরে তুলনামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলেও গ্রামে দিনে ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এই বৈষম্যের কারণগুলো হলো:শহরে শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেশি, তাই সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। গ্রামীণ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা সীমিত সরবরাহকে “লোড ম্যানেজমেন্ট” করার সময় গ্রামকে সহজ লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেওয়া কিন্তু এই নীতি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।

 

কৃষি, ক্ষুদ্র শিল্প ও গ্রামীণ অর্থনীতি এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লোডশেডিং কেবল একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়; এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট। সেচব্যবস্থা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ না থাকলে কৃষকরা সময়মতো জমিতে পানি দিতে পারেন না। ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা রাতে পড়াশোনা করতে পারে না। পরীক্ষা সামনে থাকলেও তারা প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হয়। তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না থাকলে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষের কষ্ট বহুগুণ বেড়ে যায়।

 

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটকে পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে দেখা যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনও এখানে বড় ভূমিকা রাখছে। তবে প্রশ্ন হলো-এই ঝুঁকিগুলো কি আগে থেকে অনুমান করা যেত না? নিশ্চয়ই যেত। কিন্তু সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সমন্বয়। জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ জোরদার করা, লোডশেডিং বণ্টনে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা, দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা, বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, পরিকল্পনা প্রণয়নে রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করা, বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট কেবল একটি মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি একটি কাঠামোগত ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ।

 

তাপপ্রবাহ সাময়িকভাবে এই সংকটকে তীব্র করেছে, কিন্তু এর মূল কারণ নিহিত রয়েছে নীতিগত দুর্বলতা ও পরিকল্পনার ঘাটতিতে। যদি এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে ভবিষ্যতে এই সংকট আরও ঘন ঘন ও তীব্র আকারে ফিরে আসবে। বিদ্যুৎ খাত একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মেরুদ-। সেই মেরুদ- যদি দুর্বল হয়ে পড়ে, তবে উন্নয়নের পুরো কাঠামোই ঝুঁকির মুখে পড়ে। অতএব, সময় এসেছে কাগুজে সক্ষমতার মোহ থেকে বেরিয়ে বাস্তবসম্মত, টেকসই ও জবাবদিহিমূলক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার। নইলে তাপপ্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারই হবে আমাদের নিত্যসঙ্গী।

লেখক: সংবাদকর্মী

সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

সংবাদদাতা: “পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়ব স্বনির্ভর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২ টায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের সামনে হতে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান এর আয়োজনে এবং সিভিল সার্জন অফিস সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে এক র‌্যালি বের হয়।

 

র‌্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ও জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার।

এসময় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক রওশানারা জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ জামিল, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আব্দুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

 

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার বলেন, উন্নত বিশ্বে সকাল বেলা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সচেতন আছে। আমাদের বাচ্চাদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর জন্য পরিবার ও স্কুল-মাদরাসার শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে, যে বাচ্চারা সকালে ডিমসহ পুষ্টিকর খাবার খেয়ে আসছে কি না। সুস্থ্য হিসেবে বাচ্চাকে গড়ে তুলতে হবে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে, স্বনির্ভর বাংলাদেশ” গড়তে হলে অবশ্যই ছেলে মেয়েদের পুষ্টিকর সম্পন্ন খাবার খাওয়াতে হবে।

বেনাপোলে নির্যাতনের পর হত্যা, মরদেহ ফেলে গেল ধানক্ষেতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
বেনাপোলে নির্যাতনের পর হত্যা, মরদেহ ফেলে গেল ধানক্ষেতে

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের বেনাপোলে ধানক্ষেত থেকে ইউনুস আলী (৪৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করে মরদেহটি ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা বলে জানায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে সীমান্তবর্তী বড় আঁচড়া গ্রামের ধানক্ষেত থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইউনুস আলী (৪৮) বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে। সে বেনাপোল থেকে আমদানিকৃত মালামালের ট্রাকের সাথে পৌছে দেওয়ার (স্কট) কাজ করতো।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নিহত ব্যক্তির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করে মরদেহটি ধানক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, সকালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে ধানক্ষেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

ওসি আরও জানান, হত্যার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।