বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

শার্শায় জাল সনদে চাকরি, এক শিক্ষক কারাগারে, তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
শার্শায় জাল সনদে চাকরি, এক শিক্ষক কারাগারে, তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। একই সাথে মামলার অপর দুই সহকারী শিক্ষক ও সাবেক চেয়ারম্যানসহ মোট তিনজন আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত (৯ জুলাই) বৃহস্পতিবার যশোরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।

আসামিরা হলেন, সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলী, তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন, এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।

মামলা সূত্রে জানা যায়, যশোরের শার্শা উপজেলার ৭নং কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু চালতাবাড়িয়া আর ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি থাকাকালীন তার সহযোগিতায় সহকারী শিক্ষক পদে তিনজন চাকরি করার সুযোগ করে দেন।

তৎকালীন কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস চেয়ারম্যান থাকাকালীন স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে জাল সনদে তিনজন সহকারী শিক্ষক চাকরি করছেন বলে অভিযোগ পান। পরে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকুসহ ১০/১৫ জন অজ্ঞতনামা ব্যক্তি রুহুল কুদ্দুসের বাড়িতে গিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি না করতে খুন জখমের হুমকি ধামকি দেন বলে বাদী মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন।

গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস বাদী হয়ে যশোর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশ যশোরের এসআই বখতিয়ার রহমান ওই তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল ও সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনের উপর শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের প্রতি সমন জারির আদেশ দিয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য দিনে ইদ্রিস আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় অন্য তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

 

Ads small one

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সুন্দরবন ও সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সুন্দরবন ও সংলগ্ন নদীতে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): বর্ষাকালে সুন্দরবন এবং এর সংলগ্ন নদ-নদীতে প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্যের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী ম্যানগ্রোভ বনের বাস্তুতন্ত্রের জন্য এক ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষার তীব্র বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের বিভিন্ন শহর, হাট-বাজার এবং লোকালয়ের জমাকৃত প্লাস্টিক বর্জ্য ড্রেন ও নদী হয়ে সরাসরি সুন্দরবনে এসে প্রবেশ করছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, বর্ষা মৌসুমে সুন্দরবনের মোহনা অঞ্চলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঘনত্ব প্রায় ৪০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও ঢলের কারণে নদ-নদী হয়ে সুন্দরবনে টন টন প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য প্রবেশ করছে। সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন জনপদ ও বাজারের অপচনশীল বর্জ্য জোয়ারের পানির সঙ্গে বনের ভেতরে ঢুকে পড়ে। বৃষ্টির পানির তোড়ে শহরের ড্রেন ও খালের পলিথিন পশুর, রূপসা, শিবসা ও কপোতাক্ষ নদীর মাধ্যমে সুন্দরবনে ভেসে আসে। সুন্দরবন সংলগ্ন প্রায় ৮০টি গ্রাম ও স্থানীয় বাজারগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব থাকায় তা জোয়ারের পানিতে বনে ছড়িয়ে পড়ছে। পর্যটকবাহী জাহাজ এবং যাত্রীবাহী ট্রলার থেকে ফেলা ওয়ান-টাইম প্লাস্টিক প্লেট, কাপ ও বোতল নদী দূষণ তীব্র করছে।

জোয়ারের পর পলিথিন ও প্লাস্টিক সুন্দরীসহ বিভিন্ন গাছের শ্বাসমূলে আটকে যায়, যা উদ্ভিদের অক্সিজেন গ্রহণ ব্যাহত করে এবং বনের স্বাভাবিক পুনরুৎপাদন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। নদীর তলদেশে প্লাস্টিকের আস্তরণ পড়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হচ্ছে। হরিণ, বানর ও কচ্ছপের মতো প্রাণীরা ভুলবশত প্লাস্টিক ও পলিথিন খেয়ে ফেলছে, যা তাদের পাকস্থলীতে জমে মৃত্যুর কারণ হচ্ছে। প্লাস্টিক কণা ভেঙে তৈরি হওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিক হরিণা চিংড়িসহ অন্তত ১৭ প্রজাতির মাছের শরীরে পাওয়া গেছে, যা মাছ খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে ক্যানসার ও লিভারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। প্লাস্টিক ভেঙে মাইক্রোপ্লাস্টিক তৈরি হয়ে মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে।

সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেডএম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরবনে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অধীনে সুন্দরবনে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণ করা হয়েছে। সুন্দরবন রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধ এবং প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ বা সচেতনতামূলক প্লাস্টিকমুক্ত পরিবেশ গড়ার মানসিকতা তৈরি করা হচ্ছে।

সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের মতো অন্যান্য রেঞ্জেও ওয়ান-টাইম প্লাস্টিক নিষিদ্ধের আইন ও জরিমানা কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে। খুলনা ও মংলাসহ আশেপাশের শহরগুলোতে উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং ড্রেনে আধুনিক ফিল্টার নেট ব্যবহার করা প্রয়োজন। পলিথিনের পরিবর্তে চটের ব্যাগ এবং মাটির পাত্রের ব্যবহার বাড়াতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের উদ্বুদ্ধ করা জরুরি।

সাতক্ষীরার দায়িত্বে মো: আসাদুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার দায়িত্বে মো: আসাদুজ্জামান

হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে

দেশের ৬৪ জেলার প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর রাজনৈতিক পর্যায়ে নতুন একটি তদারকি ও সমন্বয় কাঠামো তৈরি করলো সরকার। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিলিয়ে ৩০ জনকে এক থেকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওইসব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা এবং সরকারি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তারা তদারকি করবেন। এমনকি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, সেটিও তাদের নজরদারির আওতায় থাকবে।

প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত কার্যপরিধিতে তাদের জন্য মূলত ‘তদারকি’, ‘সমন্বয়’, ‘পরামর্শ প্রদান’ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেলা পর্যায়ের সভায় অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোনও কর্মকর্তাকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া, বদলি-পদায়ন করা বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাতিল করার ক্ষমতার কথা সেখানে নেই। ফলে নতুন ব্যবস্থাটি জেলা প্রশাসনের প্রচলিত ‘চেইন অব কমান্ড’ বদলে দেওয়ার চেয়ে তার ওপর একটি উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হলো।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসনের সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে লেখা থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট সংগঠিত হয়েছে এবং এ সব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে; যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে এবং লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।’

এতে বলা হয়, যেহেতু, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।

যেহেতু, টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

যেহেতু, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা।

যেহেতু, রুলস অব বিজনেসের চেপ্টার ৫ এর রুল ৩৩-অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনও ক্ষেত্রে বা ক্ষেত্রসমূহে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

যেহেতু, রুলস অব বিজনেসের চেপ্টার ১-এর রুল ৪(ii) এবং চেপ্টার ২-এর রুল ১৬(ix) (ই) এবং রুল ১৬(xii)- অনুযায়ী উল্লিখিত বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

যেহেতু, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রিট পিটিশন মামলা নং ৩৫১২/২০০৩-এর রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে।

সেহেতু, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণপূর্বক মন্ত্রিসভার উল্লিখিত সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার নিম্নবর্ণিত মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপরা নিম্নলিখিত জেলা/জেলাসমূহের আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দিলো।’’

৩০ জনের হাতে ৬৪ জেলা

গেজেটের তালিকা অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ জনের মধ্যে ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ১৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন জাতীয় সংসদের হুইপ। ১৩ মন্ত্রীর অধীনে পড়েছে ২৩ জেলা। ১৪ প্রতিমন্ত্রীর অধীনে ৩৩ জেলা এবং তিন হুইপের অধীনে আট জেলা। সাতজনকে একটি করে, ১২ জনকে দুটি করে এবং ১১ জনকে তিনটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রীদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর, ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়, আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর, নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরীকে মৌলভীবাজার, মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে চট্টগ্রাম, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা, আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর, মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট, জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ এবং সাচিং প্রু কে কক্সবাজার জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মো. শরীফুল আলমকে টাঙ্গাইল ও নরসিংদী, শামা ওবায়েদ ইসলামকে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর, অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ, আব্দুল বারীকে বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকা, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি, হাবিবুর রশিদকে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ, মো. রাজিব আহসানকে বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর, মীর শাহে আলমকে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম, ফারজানা শারমিনকে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা, শেখ ফরিদুল ইসলামকে যশোর, মাগুরা ও নড়াইল, ইয়াসের খান চৌধুরীকে জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ, আহমেদ সোহেল মঞ্জুরকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি, এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সারকে জয়পুরহাট ও নওগাঁর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুইপদের মধ্যে জি কে গউসকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ, মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদকে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কী কী তদারকি করবেন তারা

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমনসহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরমূহকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি ও পরামর্শ প্রদান। দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপগণ প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন।

রোববার সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
রোববার সাতক্ষীরা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

তালা প্রতিনিধি: আগামী ৩০ আগস্ট (রোববার) সাতক্ষীরা জেলা সফরে আসছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সফরসূচি অনুযায়ী, এদিন তিনি তালা উপজেলার ইসলামকাটিতে অবস্থিত মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন, পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে পথসভায় যোগদান এবং সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় ঢাকার পল্লবীতে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন প্রতিমন্ত্রী। দুপুর ২টায় তিনি তালার ইসলামকাটিতে অবস্থিত মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শন করবেন। একই সময়ে পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মাঠে অনুষ্ঠিত পথসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

বেলা ৩টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রতিমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টায় সাতক্ষীরা ত্যাগ করে সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি। রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার পল্লবীতে নিজ বাসভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তাছবীর হোসেন স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের পাঠানো নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি সরকারি সফর। জনসংযোগ কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সড়কপথে তাঁর সফরসঙ্গী হবেন।

এদিকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের তালায় সফরকে সফল করতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি প্রতিমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং উপস্থিতির আহ্বান জানান।